Monday, July 14, 2014

দক্ষিণ তালপট্টি মজুদ রয়েছে ১০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলায় বাংলাদেশের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। তাদের যুক্তি, মোট ২৫ হাজার ৬০২ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধ ছিল। রায়ে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকার অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশ। আর ভারত পেয়েছে ৬ হাজার ১৩৫ বর্গ কিলোমিটার।
কিন্তু বিস্ময়কর তথ্য হলো, ভারতের পাওয়া এই ৬ হাজার বর্গকিলোমিটারের মধ্যেই পড়েছে দক্ষিণ তালপট্টি। যেখানে মজুদ রয়েছে ১০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। কিন্তু বাংলাদেশের পাওয়া অংশে কী পরিমাণ খনিজ সম্পদ রয়েছে তা নিয়ে এখনো কিছুই জানা যায়নি।
সমুদ্রসীমার রায়ের পর ভারতের গণমাধ্যমগুলো বিষয়টি নিয়ে তেমন কোনো তৎপরতা না দেখালেও এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে। তারা যথারীতি ব্যাপক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে সমুদ্রসীমার রায় নিয়ে। ভারতীয় অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা ফাস্ট পোস্ট ডটকম প্রথমবারের মতো এই রায় নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চালায় এবং রায়ের প্রতিফলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।
রায়ের বিষয়ে ফাস্ট পোস্টের পরামর্শক এডিটর এবং কৌশলগত বিশ্লেষক রাজিব শর্মা বলেন, রায়ে দীর্ঘ দিনের একটি ইস্যুতে ভারতের পক্ষে একটি সমাধান করা সম্ভব হলো। রায়ের ফলে নিউ মুর আইল্যান্ডে ভারতের আসল স্বত্ত্বাধিকারের বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালত বুঝেই এই রায় দিয়েছেন। এই রায়ের ফলে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীতে ভারতে প্রবেশাধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে।

হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনা ও মুখের জায়গাটি ভারতের কাছে বিভিন্ন কৌশলগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নদীর বিতর্কিত অংশে যদি ভারতের দাবি নিশ্চিত করা হয় তবে আগামীর দশকগুলোতে ভারতে অনেক লাভবান হবে। এর আগে ২০০৬ সালে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় দক্ষিণ মুখের ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে গবেষণা চালিয়ে ভারত সরকার জানতে পারে যে এই অঞ্চলে প্রায় একশ’ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে। যেটি অন্ধ্র প্রদেশের কৃষ্ণা-গোদাবারি মোহনায় মজুদ সম্পদের চেয়েও দ্বিগুণ।
রিপোর্টে বলা হয়েছে নিউমুর আইল্যান্ড প্রাকৃতিক তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল এক সম্ভার। যার কারণে এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে প্রতিবেশি দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সাময়িক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এছাড়া হাড়িয়াভাঙ্গা নদী যেটি পশ্চিম বাংলার সুন্দরবনের কোল ধরে বয়ে বেড়ায় সেই নদীতে প্রচুর পরিমাণ হাইড্রো কার্বন রয়েছে যেটি শুধুমাত্র অন্ধ্র প্রদেশের কৃষ্ণা-গোদাবারি নদীর মোহনায় পাওয়া যায়। পাশাপাশি এই রায়ে উভয় দেশের জেলেদের জন্য বিশাল এক সমুদ্রসীমা ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়ে গেল।
সূত্র : ফাস্ট পোস্ট ডটকম।

Friday, July 11, 2014

বাংলাদেশিদের রোহিঙ্গা বিবাহে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশিদের জন্য রোহিঙ্গা বিবাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকারের আইন মন্ত্রণালয়। এ আদেশ জারি করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন না৷ এ ধরনের বিয়ে অবৈধ৷ এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে৷

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, আদেশ অনুযায়ী এখন থেকে যদি কোনো কাজি রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিবন্ধন করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিবাহ নিবন্ধন হলেও সেটি অবৈধ হবে।

তিনি আরো বলেন, কাজি ছাড়াও যারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন, তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে। তবে শাস্তির পরিমাণ এখনো নির্দিষ্ট করা হয়নি আদেশে। এছাড়া এই আদেশ জারির আগে কোনো বিয়ে হয়ে থাকলে সে ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা তা স্পষ্ট করেননি আইনমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আদেশ জারির আগে আইন মন্ত্রণালয়ে এ বিষয় জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। তারাই এ ধরনের বিবাহ বন্ধের প্রস্তাব করেন। রোহিঙ্গারা বিয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন বলে জানান জেলা প্রশাসকরা। এছাড়া আত্মীয়তার সূত্র ধরে ভোটার তালিকায় নামও ওঠাচ্ছে তারা। যা একটি জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।

এদিকে, বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা বিবাহ নিষিদ্ধে আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।

ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, কোনো আইনেই কোনো জাতি, গোষ্ঠী, বর্ণ, গোত্রের বা কোনো দেশের নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ করা যায় না। তাই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা কোনো কাজেও আসবে না।

তিনি মনে করেন, আইন করে বিবাহ, ভালোবাসা বন্ধ করা যায় না। যারা করবেন, তারা ঠিকই উপায় বের করবেন। তারচেয়ে বাংলাদেশ সরকারের উচিত রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। নতুবা বিবাহ নিষিদ্ধ করায় বাংলাদেশের ইমেজ আন্তর্জাতিক মহলে ক্ষুণ্ন হবে। তাই শরণার্থী হিসেবে তাদের সহযোগিতা করা উচিত।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে এখন মিয়ানমারের নিবন্ধিত ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী আছেন৷ তবে অনিবন্ধিত শরণার্থীর সংখ্যা আট লাখ বলে ধারণা করা হয়ে থাকে।
সূত্র: ডি ডব্লিউ

শীর্ষ নিউজ ডটকম - See more at: http://www.sheershanews.com

ফিলিস্তিনের জন্য আমরা ব্যক্তিগত ভাবে যা করতে পারি তা হলো ইসরাইলের প্রোডাক্ট বয়কট।

হে বাংলার মুসলিম আমাদের সাধ্য নেই ফিলিস্তিন গিয়ে অস্ত্র হাতে নিয়ে ইসরাঈলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার। ফিলিস্তিনের জন্য আমরা ব্যক্তিগত ভাবে যা করতে পারি তা হলো ইসরাইলের প্রোডাক্ট বয়কট। কিছু পরিচিত ইসরাইলি প্রোডাক্ট : Pepsi ,Coca Cola,7up, KitKat, Lo real, Kodak Gillette Nike Intel Disney,এছাড়া Nestle এর সকল পণ্যঃ Nescafe,Maggi Noodles, Nedo, Nesta ইত্যাদি৷

ঈদ ও রোজাকে সামনে রেখে Nestle,Maggi Noodles ইত্যাদির ব্যবহার হয়তো হাজার গুন বেড়ে যাচ্ছে৷মনে রাখা উচিত এই পণ্যগুলোই ইসরাইলের অর্থনীতির প্রধান উৎস৷তাই আমরা অন্য ব্রান্ড এর পণ্য ক্রয় করি,পরিবারকে কট্টর ভাবে এসব কিনতে নিষেধ করি৷ ইসরাইলি পণ্য চেনার সহজ উপায় পিছনের লোগো৷ইসরাইলি পণ্যের ১ম তিন ডিজিট 729.যেমন নুডুলসের পিছনে 7293453459070 লেখা থাকলে ইসরাইলি নুডুলস৷এগুলো খাওয়া আর ফিলিস্তিন ভাই বোনদের রক্ত খাওয়া সমান !

তাই এতটুকু আশা রাখতেই পারি যে কয়জন এই পোস্টটা দেখছি তারা আর জীবনেও এসব পণ্য ছুবোনা৷ আর যদি এমন হয় যে এমতবস্হায় এগুলো ব্যবহার করতেই হবে তখন তবে ঘৃণা আর তাচ্ছিল্যের সাথে।

হিটলার একদিন মজা করে বলেছিল..

হিটলার একদিন মজা করে বলেছিল..

" আমি চাইলে সব ইহুদীদের হত্যা করতে পারতাম,,কিন্তু কিছু ইহুদী বাচিয়ে রেখেছি,,এই জন্যে যে, যাতে পৃথিবীর মানুষ বুঝতে পারে, আমি কেন ইহুদী হত্যায় মেতেছিলাম"

মুলত হিটলার এর পর ইহুদি আর কারো শাষন পায়নাই। আসুন দেখি কাদের হাতে এই ইহুদি দের মূল শিকড় উপড়ানো হবে মহান আল্লাহ এর ইচ্ছায়।

ফিলিস্তিন আবারও রক্তাত্ত, কিন্তু এই রক্তের বদলা কে নিবে? কিভাবে সম্ভব ফিলিস্তিন মুক্ত করা? কে বা কারা মুক্ত করবে ফিলিস্তিন? হামাস? নাকি স্বঘোষিত খলিফাহ বাগদাদি? নাকি জাতিসংঘের শান্তি চুক্তি?

আছে কি এই প্রশ্নের উত্তর আপনাদের কাছে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে আধুনিকতার সকল জৌলুস মুক্ত হয়ে আমাদের সকলের প্রিয় রাসুলুল্লাহর(সাঃ)হাদীসের দিকে।

উনি আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশত বছর আগেই এ ব্যাপারে ভবিষ্যৎ বানী করেছেন যে কে ফিলিস্তিন মুক্ত করবে? কোন বাহিনীর তরবারিই পারবে ইহুদীদের কচুকাটা করতে? যেদিন ইহুদীরা জীবন বাঁচাতে গাছের পেছনে আশ্রয় নিবে, যেদিন ইহুদীরা জীবন বাঁচাতে পাথরের পেছনে আশ্রয় নিবে।কিন্তু সেদিন গাছ ও পাথর তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবে এবং বলবে, হে মুসলিম!এসো! আমার পেছনে একজন ইহুদি লুকিয়ে আছে, ওকে হত্যা কর! কোন সেই সৌভাগ্যবান মুজাহিদ বাহিনী?

রাসুল সাঃ বলেছেন, "খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহি একটি বাহিনী আসবে যাদেরকে কোন শক্তিই (সকল কুফফার রা জোট বাধলেও) পরাজিত করতে পারবে না যতক্ষন পর্যন্ত না তারা জেরুজালেমে পৌঁছায় (বিজয়ীর বেশে)"। খেয়াল করুণ জেরুজালেম ইহুদীদের দখলে আজ প্রায় ৬৬ বছর দজরে। অতএব রাসুল সাঃ এর ভবিষ্যতবাণীর বাস্তবায়ন হওয়ার সময়ও হয়ে এসেছে।

কোথায় সেই খোরাসান? কারা সেই কালো পতাকা বাহিনী? এই প্রশ্নের উত্তর আপনিই খুজে বের করুণ, আপনার বিবেক বুদ্ধি দিয়ে জানার চেষ্টা করুণ। কে বা কারা সেই কালো পতাকাবাহী বাহিনী।

অবশ্য এক্ষেত্র আমি আপনাদেরকে মোল্লা মুহাম্মদ উমর(হাঃ)ও তালিবান মুজাহিদ সম্পর্কে ডাঃ আয়মান আল জাওয়াহিরির'র (হাঃ) কিছু সাক্ষ্য উপস্থাপন করব। তিনি মোল্লা মুহাম্মদ উমর (হাঃ) সম্পর্কে ২০০৮ এর একটি অফিসিয়াল বার্তায় বলেন,

“জানতে চাও কেন আমরা (আল কায়দা) মোল্লা মুহাম্মদ উমরের কাছে বাইয়াহ দিয়েছি? আমরা অবশ্যই তাকে বাইয়াহ দিয়েছি আর হ্যা, আমরা তাকে বাইয়াহ দিতে পেরে নিজেদেরকে সম্মানিত বোধ করছি। ও দুনিয়ার মুসলিম! আমরা তোমাদেরকেও আহ্বান জানাই মুজাহিদদের এই সত্যবাদি আমীর মোল্লা মুহাম্মদ উমরের কাছে বাইয়াহ দেওয়ার জন্য।”

জানতে চাও, কেন আমরা তাকে (মুহাম্মদ উমর) বাইয়াহ দিয়েছিলাম? আমরা তাড়াহুড়া করে বা অধৈর্য হয়ে অথবা কোন রকম বিচার-বিবেচনা করা ছাড়া এরুপ (মোল্লা উমরকে বাইয়াহ দেয়া) করিনি।আমরা এমন একজন ব্যাক্তিকে বাইয়াহ দিয়েছিলাম যার সঙ্গে আমরা একত্রে বসবাস করেছি,যার সঙ্গে একত্রে চলেছি এবং যাকে আমরা বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে তার সম্পর্কে আমাদের মূল্যায়ন হচ্ছে, যাদেরকে কারও সঙ্গে তুলনা করা যায় (নবী রাসুল) না তারা ব্যতীত ইসলামের ইতিহাসে অল্প যে সকল মুজাহিদ, মহৎ ও আল্লাহ্‌র উপর নির্ভরশীল ব্যাক্তি এসেছেন তিনি তাদেরই একজন।" আল্লাহু আকবর! আরও কিছু কথা বলার পরে উনি বলেন...

“আমরা সেই ব্যাক্তির কাছে বাইয়াহ দিয়েছি যিনি আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আফগানিস্থানের মুনাফিক মুক্ত করার পরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদে অংশগ্রহণ করার এবং বায়তুল মুকাদ্দাস মুক্ত করার। আমরা সেই ব্যক্তিকে বাইয়াহ দিয়েছি যিনি আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইমাম বুখারির জন্মস্থান (উজবেকিস্থান) কমিউনিস্টদের কবল থেকে মুক্ত করার। (ইনশাল্লাহ)” (সম্পূর্ণ বক্তব্যের লিংক কমেন্টে)।

উনি শেষ পর্যন্ত বায়তুল মুকাদ্দাস মুক্ত পারবেন কি পারবেন না তা আল্লাহই ভাল জানেন। কিন্তু মোল্লাা মুহাম্মদ উমরের প্রতুশ্রুতি আর রাসুল সাঃ এর ভবিষ্যৎ বানীর মধ্যে আমি স্পষ্ট মিল দেখতে পাচ্ছি এবং এই মিল যে নিতান্তই কাকতালীয় কোন ঘটনা নয়, তাও অন্যান্য ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে আমাদের সামনে পরিষ্কার হয়ে যায়।

দেখুন আজ পর্যন্ত এই তালিবান এক দিনের জন্যও পরাজিত হয়নি। বিশেষ করে জর্জ বুশ ২০০১ সালে যখন তাদের সর্বোচ্চ শক্তি হাতে নিয়ে তালিবান ও আল কায়দার বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিল, তখন অনেকেই মনে করেছিল খেলা বোধহয় এখানেই খতম। মুনাফিকেরা তখন মায়া কান্না শুরু করল আগেই বলেছিলাম এত বাড়াবাড়ি ভাল না। কিন্তু আল্লাহ সুভহানা তায়ালও পরিকল্পনা করেন এবং শয়তানও পরিকল্পনা করে। কিন্তু নিশ্চয় শয়তানের পরিকল্পনা দুর্বল।

যাদের অন্তরে নেফাকি আছে তারা বলবে, আগে দেখি তারা জেরুজালেমে পৌছাতে পারে কিনা! যদি তারা জেরুজালেম মুক্ত করতে পারে তখন তাদেরকে বাইয়াহ দিব। ওহে মুনাফিকের দল! রাসুল সাঃ তোমাদের মত লোকদের জাহান্নামের সংবাদ দিয়েছেন। তোমরা তখন তওবা করলেও আল্লাহ্‌র কাছে সে তওবা কবুল হবে না কারণ তখন তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।

আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত, “তিনটি ঘটনা একদা ঘটার পরে আরও কোন কল্যাণ হবে না আল্লাহ কে বিশ্বাস করায় যদি না সে এতদিন আল্লাহকে বিশ্বাস করে থাকে... দাজ্জাল, দাব্বাহ (BEAST), সূর্যের পশ্চিম দিক থেকে অভ্যুদয়।” --তিরমিযী

তাই সকল মুসলিম ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ আর দেরি না করে মোল্লা মুহাম্মদ উমরের প্রতি আপনার বাইয়াহ দিন। যদি সত্যই ফিলিস্তিনের মা বোনের কান্না আপনার হৃদয়ে আঘাত করে, যদি সত্যি আপনি চান যায়নিস্টদের অত্যাচার থেকে মুসলিম উম্মাহ কে রক্ষা করতে, তবে শরিক হোন কালো পতাকার ছায়া তলে।

আর যারা স্বঘোষিত খলিফার দিকে চেয়ে আছেন তাদের প্রতি আমার সুস্পষ্ট বার্তা। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তোমাদের এই স্বঘোষিত খলিফাহ জেরুজালেমের একটা গারকাদ গাছও কাটতে পারবে না। যেই আল্লাহ্‌র হাতে আমার জীবন তার শপথ করে আমি বলছি রাসুল সাঃ এর একটি হাদিসও মিথ্যা হতে পারে না। জেরুজালেম খোরাসানি বাহিনীর দ্বারাই মুক্ত হবে, ইরাকি বা মিশরি বাহিনীর দ্বারা নয়। তোমরা যদি সত্যি বায়তুল মুকাদ্দাসের মিনারে কালো পতাকা দেখতে চাও তাহলে সময় নষ্ট না করে এখনই খোরাসানের বাহিনীকে বাইয়াহ দিয়ে দাও, মুখের একটি কথা দিয়ে হলেও সহযোগীতা কর। আর তোমাদের ইরাকি বাহিনীকেও খোরাসানের আমীর মুহাম্মদ উমর হাফিযুল্লাহ’র হাতে শাইখ ওসামার মত বাইয়াহ দিতে বল। মনে রেখ, সারা পৃথিবী থেকেই বরফের উপর হামাগুরি দিয়ে মুসলিমরা খোরাসানে যোগ দিবে কিন্তু যারা খোরাসানের বিরোধীতা করবে বা বাতিল বলবে (যেমনটা আদনানি বলেছে) তারা নিশ্চিত ধ্বংস হয়ে যাবে, কালো পতাকার হাদিসের সাথে এই গোষ্ঠীর কোনই সম্পর্ক নেই। হয়ত পথের মাঝে এরা ঘেউ ঘেউ করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে, কিন্তু খোরাসানের কাফেলা শেষ পর্যন্ত জেরুজালেম মুক্ত করেই ছারবে ইনশাল্লাহ।

যারা রাসুল সাঃ হাদিস জানার পরেও জেরুজালেম মুক্ত কারি কালো পতাকাবাহী বাহিনীকে বাইয়াহ দিবে না অথচ জেরুজালেমের জন্য মায়াকান্না করবে তাদের অনিষ্ট থেকে আমি আল্লাহ'র কাছে আশ্রয় চাই।

[[ ISIS এর বিপক্ষে একটা পোষ্ট দেয়ায় অনেকেই ইনবক্স এ অনেক কিছু বলেছেন। তাদের জন্যে এই পোষ্ট। আমি একনিষ্ঠ ভাবে তালিবান সমর্থক। যারা এদের সাথে বিরুধি হবে। আমি ও তাঁর বিরুধি। সেটা ISIS হোক বা যে কেউ।]] ISIS এখনো সতন্ত্র আছে। সময় সব বলে দিবে।


Wednesday, July 9, 2014

http://dhakatimes.com.bd/2014/07/09/47033/mystery-of-sakib-ban/

ব্রাজিলের উপর জার্মানির প্রতিশোধের এক ম্যাচেই ৭ টি বিশ্ব রেকর্ড!

২০০২ সালের সেমিফানালে হারার প্রতিশোধ নিতেই যেন মাঠে নেমেছিল জার্মান ফুটবলার রা। ব্রাজিলকে ৭-১ গোলের ব্যাবধানে গুড়িয়ে দিয়ে ২০০২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হারার শোধ তুলল তারা। আর প্রতিশোধের এই ম্যাচে মোট বিশ্ব রোকের্ড হয়েছে ৭ টি





১. সেমিফাইনালে সবচেয়ে বেশী গোলঃ

এই প্রথম কোনো সেমি ফাইনালে মোট ৮ টি গোল হয়েছে। এর আগে বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো সেমিফাইনালে মোট ৭ টির বেশী গোল হয়নি। ১৯৩০সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-যুক্তরাষ্ট্র ও একই বছরউরুগুয়ে-যুগোস্লাভিয়া ম্যাচেই সর্বোচ্চ সাত গোলের রেকর্ড ছিল হয়। এরপর ৫৮’রসেমিফাইনালে ব্রাজিল-ফ্রান্স এবং ৭০’র ইটালি-পশ্চিম জার্মানিরসেমিফাইনালেও সর্বাধিক সাত গোলের রেকর্ড ছিল।





২. বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশী গোল করার রেকর্ডঃ
ব্রাজিল বনাম জার্মানির এই ম্যাচে গোল করে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড করেন মিরোস্লাভ ক্লোজা। ১৬ টি গোল করে তিনি ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী রোনাল্ডোর রেকর্ড ভাঙেন।

৩. সেমিতে এক দলের সবচেয়ে বেশী গোল হজমঃ

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো সেমি ফাইনাল ম্যাচে এক দল ৭ গোল হজম করেনি। এইটিই ছিল বিশ্বকাপে সেমিতে এক দলের সবচাইতে বেশী গোল হজম করার রেকর্ড।

৪. বিশ্বকাপে কোনো দলের মোট গোলঃ

জার্মানি এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশী গোলের রেকর্ড। গড়ল। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ১৮ বার অংশ নিয়ে জার্মানি গোল করেছে ২২৩ টি। এরআগে, ২০ বিশ্বকাপে ১০৩ ম্যাচ খেলা ২২১ গোলের রেকর্ড ছিল এই ম্যাচেই পরাজিত ব্রাজিলের।




৫. ব্রাজিলের সবচাইতে বড় ব্যাবধানে হারঃ

এই ম্যাচে ৬ গোলের ব্যাবধানে হার ব্রাজিলের সবচাইতে বড় ব্যাবধানের হার।

৭. ৬ মিনিটে চার গোলঃ

এই ম্যাচে হয়েছে সবচাইতে কম সময়ে চার গোলের রেকর্ড। ২৩ থেকে ২৯ মিনিট, এই ৬ নিনিটে জার্মানরা ব্রাজিলের জালে ৪ গোল জড়িয়ে রেকর্ড করেন।

Tuesday, July 8, 2014

বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলা রায়ে দুই দেশই বিজয়ী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলায় উভয় দেশই বিজয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

মঙ্গলবার দুপুর ২টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সোমবার নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ- এর সালিশি ট্রাইব্যুনাল (Arbitral Tribunal) বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার সুনিশ্চিত করে বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় ঘোষণা করে।

ট্রাইব্যুনালের রায় পর্যালোচনাপূর্বক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ঘোষণা করেন ‘এই রায় উভয় রাষ্ট্রের বিজয় নিশ্চিত করেছে। এই বিজয় বন্ধুত্বের বিজয়। এই বিজয় বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের বিজয়। কেননা, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে এটি এমন একটি বিদ্যমান সমস্যা হিসেবে ছিল, যা উভয় রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল। আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে অবশেষে এর নিষ্পত্তি হলো।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনগত প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের বিরাজমান এই সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে ভারতের সদিচ্ছাকে এবং ট্রাইব্যুনালের রায় মেনে নেওয়ার জন্য আমরা ভারত সরকারকে সাধুবাদ জানাই।’

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘দীর্ঘদিনের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কে বিরাজমান সমস্যা অবশেষে আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ সমাধান উভয় রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং সমুদ্রবিষয়ক ক্ষেত্রে সমঝোতা ও সহযোগিতার সম্পর্কে এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘এখন থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপানে বাংলাদেশের অবাধ প্রবেশাধিকার সুরক্ষিত হলো। গভীর সাগরে মৎস্য আহরণ, সমুদ্রের তলদেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ পুষ্টির উৎস, সম্পদ এবং কর্মসংস্থানের জন্য সমুদ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সমুদ্রের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। এই রায়ের স্বচ্ছতা ও আইনগত নিশ্চয়তার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের জনগণ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে লাভবান হবে এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বরেন, ‘এ রায়ের ফলে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি টেরিটোরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্রগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য ট্রাইবুনাল বিরোধপূর্ণ আনুমানিক ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকার মধ্যে ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার  সমুদ্র এলাকা বাংলাদেশকে প্রদান করেছে।’

২০১৩ সালের ০৯ই ডিসেম্বরে দ্য হেগ এর পিস প্যালেসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণ মামলার মৌখিক শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডা. দীপু মণি, এজেন্ট, মো. শহিদুল হক, পররাষ্ট্র সচিব এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম (অব.), সচিব, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট (ডেপুটি এজেন্ট)।

বাংলাদেশের পক্ষে বৈদেশিক কৌসুলি হিসেবে ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পল রাইখলার এবং লরেন্স মার্টিন, যুক্তরাজ্যের প্রফেসর জেমস্ ক্রফোর্ড, ফিলিপ স্যান্ডস এন্ড এলান বয়েল এবং কানাডার প্রফেসর পায়াম আখাভান।

সালিশি ট্রাইব্যুনালে বিচারক হিসেবে ছিলেন, জার্মানির রুডিজার উলফ্রাম (প্রেসিডেন্ট), ফ্রান্সের জ্যাঁ-পীয়েরে কট, ঘানার টমাস এ. মেনশাহ, অস্ট্রেলিয়ার প্রফেসর আইভান শীয়ারার এবং ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাসা রাও।

পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট  ট্রাইব্যুনাল রায় দেন, সমদূরবর্তী পদ্ধতিতে দুই দেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা হলে বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী তা ন্যায্যতা নিশ্চিত করে না।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী রাষ্ট্রাধীন অঞ্চলে, একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে এবং মহীসোপানের সমুদ্র সীমানা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালে মিয়ানমার ও ভারত-এর অনুকূলে সালিশি নোটিশ দেয়।

২০১২ সালে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণী সংক্রান্ত একই ধরনের মামলার নিষ্পত্তি হয়। জার্মানির হামব্যুর্গে অবস্থিত International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এর ২১ সদস্যবিশিষ্ট বিচারক পর্ষদ মিয়ানমার প্রস্তাবিত ‘সমদূরত্ব’ পদ্ধতি প্রত্যাখ্যান করে ‘ন্যায্যতা’র ভিত্তিতে বাংলাদেশের অনুকূলে রায় দেয়। এতে করে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে অমীমাংসিত ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে ন্যায্য হিস্যা লাভ করে।

২০১৪ সালের সালিশি ট্রাইব্যুনালের রায় উভয় রাষ্ট্রের নিজ নিজ সমুদ্র সীমানা চিহ্নিত করে দিয়েছে, যার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই। এই রায়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সম্পর্কিত বাংলাদেশের মামলার পরিসমাপ্তি ঘটলো।

শীর্ষ নিউজ ডটকম/বিজ্ঞপ্তি/এফইউ/একেএ
- See more at: http://www.sheershanews.com/2014/07/08/43808#sthash.mbPU810h.dpuf