কুটনৈতিকদের সাথে নিয়ে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে জামায়াতের ইফতার।এসময় ইফতার পার্টিতে উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত, মার্কিন রাষ্ট্রদূত,সৌদি রাষ্ট্রদূত,তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ,মিশরের রাষ্ট্রদূত, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্টের ডেপুটি চিপ অব মিশন প্রধান,ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত,অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত,কাতারের রাষ্ট্রদূত ,কানাডার রাষ্ট্রদূত, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত,ভারতের রাষ্ট্রদূত,জাপানের রাষ্ট্রদূত, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত, ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত,দক্ষিন কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত,ইরানের রাষ্ট্রদূত,ওমানের রাষ্ট্রদূত, ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত সহ আরো অনেক দেশের রাষ্ট্রদূত এবং মিশন প্রধানরা উপস্তিত ছিলেন। 02/07/14
Showing posts with label রাজনৈতিক সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label রাজনৈতিক সংবাদ. Show all posts
Wednesday, July 2, 2014
Thursday, June 26, 2014
এএসপিকে শামীম ওসমানের হুমকি : থানায় জিডি
আওয়ামী লীগের সাংসদ শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছেন পুলিশের এএসপি মো. বশির উদ্দিন। 
এএসপি মো. বশির উদ্দিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের কেওডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। আবদুস সালাম বিষয়টি শামীম ওসমানকে জানান। পরে শামীম ওসমান বশির উদ্দিনকে ছয় বার ফোন করেন।
বশির উদ্দিনের ভাষ্যমতে, ফোনে শামীম ওসমান বলেন, সালাম চেয়ারম্যান কেন্দ্রে ঢুকবে, যা ইচ্ছে তা-ই করবে। তাঁকে কোনো রকম বাধা দেয়া যাবে না।
বশির উদ্দিনের ভাষ্য, শামীম ওসমানের এই কথার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে চাকরি করছি। আমার পক্ষে কোনো অনৈতিক কাজ করা সম্ভব নয়।
বশির উদ্দিনের দাবি, তাঁর কথার জবাবে শামীম ওসমান বলেন, বশির উদ্দিন নারায়ণগঞ্জে কীভাবে চাকরি করেন, তা তিনি দেখে নেবেন।

এএসপি মো. বশির উদ্দিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের কেওডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। আবদুস সালাম বিষয়টি শামীম ওসমানকে জানান। পরে শামীম ওসমান বশির উদ্দিনকে ছয় বার ফোন করেন।
বশির উদ্দিনের ভাষ্যমতে, ফোনে শামীম ওসমান বলেন, সালাম চেয়ারম্যান কেন্দ্রে ঢুকবে, যা ইচ্ছে তা-ই করবে। তাঁকে কোনো রকম বাধা দেয়া যাবে না।
বশির উদ্দিনের ভাষ্য, শামীম ওসমানের এই কথার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের আন্ডারে চাকরি করছি। আমার পক্ষে কোনো অনৈতিক কাজ করা সম্ভব নয়।
বশির উদ্দিনের দাবি, তাঁর কথার জবাবে শামীম ওসমান বলেন, বশির উদ্দিন নারায়ণগঞ্জে কীভাবে চাকরি করেন, তা তিনি দেখে নেবেন।
মুঠোফোনে মো. বশির উদ্দিন নামের এই সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি-ট্রাফিক) দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়ায় তিনি সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। বশির জানান, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচন চলাকালে তাকে এ হুমকি দেয়া হয়।
Friday, June 20, 2014
গ্রেফতারকৃত ২৪ পর্দানশিন ছাত্রীকে জেলহাজতে প্রেরণ
গোড়ান থেকে গ্রেফতারকৃত ২৪ ছাত্রীকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের জামিন ও রিমান্ড আবেদন নাকচ করে গতকাল আদালত এই নির্দেশ দেন। তবে জেলগেটে মহিলা পুলিশ তাদের চার কার্যদিবসের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদালতে নির্দেশে বলা হয়। গতকাল খিলগাঁও থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের সিএসএম আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চান। ঢাকার মহানগর হাকিম আতাউল হক উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে ওই নির্দেশ দেন।
যাদের কারাগারে পাঠানো হলো তারা হলেনÑ তানজিলা বিনতে খায়ের, ফারজানা আজার লূনা, সামসুন্নাহার, ফাতেমা জান্নাত, আতিয়া জাহান, সুবাইতা সারা, মমতা হেনা, আয়েশা আক্তার, সালমা নাসরিন, ফাতেমা ফারহানা, ফারহানা আক্তার, ফারহানা বেগম, হাফিজা সিদ্দিকী, শামীমা আক্তার, উম্মে হাবিবা, সোমাইয়া সিদ্দিকা, সুমাইয়া আফরোজা, জাকিরা খান মুন্নী, নূরজাহান আক্তার, ফারজানা আক্তার, সুমাইয়া খাতুন, রডনফ জাহান, মাহবুবা ইসলাম ও ইসরাত জাহান।
আদালতে বেলা ৩টা ১৯ মিনিটের সময় পুলিশ ২৪ জন পর্দানশিন মহিলাকে ঢাকার সিএমএস আদালতে নিয়ে আসে। তাদের দ্রুত বিচার আইনের মামলায় হাজির করে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান।
যাদের কারাগারে পাঠানো হলো তারা হলেনÑ তানজিলা বিনতে খায়ের, ফারজানা আজার লূনা, সামসুন্নাহার, ফাতেমা জান্নাত, আতিয়া জাহান, সুবাইতা সারা, মমতা হেনা, আয়েশা আক্তার, সালমা নাসরিন, ফাতেমা ফারহানা, ফারহানা আক্তার, ফারহানা বেগম, হাফিজা সিদ্দিকী, শামীমা আক্তার, উম্মে হাবিবা, সোমাইয়া সিদ্দিকা, সুমাইয়া আফরোজা, জাকিরা খান মুন্নী, নূরজাহান আক্তার, ফারজানা আক্তার, সুমাইয়া খাতুন, রডনফ জাহান, মাহবুবা ইসলাম ও ইসরাত জাহান।
আদালতে বেলা ৩টা ১৯ মিনিটের সময় পুলিশ ২৪ জন পর্দানশিন মহিলাকে ঢাকার সিএমএস আদালতে নিয়ে আসে। তাদের দ্রুত বিচার আইনের মামলায় হাজির করে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান।
Wednesday, June 18, 2014
চৌদ্দগ্রামে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। মিছিলে নেতৃত্ব দেন শিবিরের কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি শাহ আলম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদীন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মু. বেলাল হোসাইন, শিবিরের কুমিল্লা দক্ষিণ শাখার অফিস সম্পাদক আমজাদ হোসাইন রুমন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম মানিক, সাবেক জেলা নেতা মোশারফ হোসেন ওপেল, উপজেলা উত্তর শাখা সভাপতি বোরহান উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি জোবায়ের মাসুম ও সদর সেক্রেটারী কফিল উদ্দিন প্রমুখ।
Tuesday, June 17, 2014
কতোটা হিংস্র, নিষ্টুর আর নির্মম হলে
মানুষ এতোটা পাষন্ড,এতোটা পিচাশ
হতে পারে!!!
ছাত্রলীগ নামের কুলাংগারগুলো আসলে
হিংস্র পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট!
এতোবড় নির্মমতা!!! অথচ,মেডিয়া এবং
সুশিল সমাজ নিশ্চুপ!!!
হায়রে আমার দেশ!!!
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান
ট্যারা মিজান কানা হয়ে যান বিশেষ
সময়ে! আর এখন সম্পূর্ন অন্ধ হয়ে
গেছেন!!!
দালাল হলুদ মেডিয়াগুলোর অবস্থাও
ট্যারা-আন্ধা মিজনদের মতোই।
সরকারের পেইড দালাল এরা! তাদের
খবর ও প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্ব,মিথ্যাচার
আর নির্লজ্জতা এতোটাই প্রবলভাবে থাকে
যে খবর পাঠক-পাঠিকা পর্যন্ত লজ্জায় লাল
হয়ে যায়।
এদের কাছে আর কি প্রত্যাশা করা যায়!
মানুষ এতোটা পাষন্ড,এতোটা পিচাশ
হতে পারে!!!
ছাত্রলীগ নামের কুলাংগারগুলো আসলে
হিংস্র পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট!
এতোবড় নির্মমতা!!! অথচ,মেডিয়া এবং
সুশিল সমাজ নিশ্চুপ!!!
হায়রে আমার দেশ!!!
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান
ট্যারা মিজান কানা হয়ে যান বিশেষ
সময়ে! আর এখন সম্পূর্ন অন্ধ হয়ে
গেছেন!!!
দালাল হলুদ মেডিয়াগুলোর অবস্থাও
ট্যারা-আন্ধা মিজনদের মতোই।
সরকারের পেইড দালাল এরা! তাদের
খবর ও প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্ব,মিথ্যাচার
আর নির্লজ্জতা এতোটাই প্রবলভাবে থাকে
যে খবর পাঠক-পাঠিকা পর্যন্ত লজ্জায় লাল
হয়ে যায়।
এদের কাছে আর কি প্রত্যাশা করা যায়!
মানুষ যখন তার মনুষত্ব হারিয়ে ফেলে তখন তাকে পশুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। বাংলাদেশে ছাত্রলীগ আজ তার মনুষত্ব হারিয়ে সে পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে। যারা মনুষত্ব হারিয়ে ফেলেছে অবশ্য আল্লাহতায়ালা তাদেরকে পশুর সঙ্গেও তুলনা করতে রাজি হননি, কুরআনে-‘বালহুম আদল’ বলা হয়েছে। বরং পশু তথা চতুষ্পদ জন্তু থেকে আরও নিম্নপর্যায়ের বলে উল্লেখ করেছেন। ছাত্র-যুবসমাজ একটি জাতির অহংকার। সমাজ-সভ্যতার কাণ্ডারী। দেশকে এগিয়ে নেবার দিকপাল। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার শক্তি। কিন্তু সেই শক্তিকে নষ্ট করে দিচ্ছে নোংরা ছাত্ররাজনীতি। নষ্ট ও ভ্রষ্ট ছাত্ররাজনীতির নামে ছাত্রসমাজকে সবচেয়ে কলঙ্কিত, কলুুষিত ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে ছাত্রলীগ। ছাত্রদের হাতে খাতা-কলমের পরিবর্তে অস্ত্র, মেধার চর্চার পরিবর্তে মদ-গাঁজা, হিরোইন ফেনসিডিল, ইয়াবা, ক্লাস-পরীক্ষার বদলে নারী, অবৈধ টাকা দিয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে জাতীয় নেতৃত্ব তৈরির এই খনিগুলোকে। জাতিবিনাশী এর থেকে ভয়ঙ্কর কাজ আর কি হতে পারে? ছাত্রলীগের নখরে আজ ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানগুলো। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের সামনে শিবির নেতার পা কেটে বিচ্ছিন্ন করেছে ছাত্রলীগের নেতারা। পা কাটার পর ছাত্রলীগ নেতারা বুকে গুলি করে ফেলে যায়। এমন নারকীয়, পৈশাচিক ও ঘৃণ্য হামলা কোনো সভ্য সমাজে কল্পনা করা
যায়?
Wednesday, June 11, 2014
Monday, June 2, 2014
‘না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম’ : শেখ হাসিনা
“মরে গিয়ে বেঁচে গেছে, নইলে ওরেও আসামি করতাম। আসামি করতাম, এটাই পরিষ্কার কথা।”
‘না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম’ : শেখ হাসিনা
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য জিয়াউর রহমানকে আবার দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মারা না গেলে তাকেও আসামি করা হত।
সোমবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভায় ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরে একথা বলেন তিনি।
হাসিনা বলেন, “ বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাক, জিয়াকে সে সেনাপ্রধান করে। মোশতাক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, তার মানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার সম্পৃক্ততা আছে। ....
‘না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম’ : শেখ হাসিনা
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য জিয়াউর রহমানকে আবার দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মারা না গেলে তাকেও আসামি করা হত।
সোমবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভায় ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরে একথা বলেন তিনি।
হাসিনা বলেন, “ বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাক, জিয়াকে সে সেনাপ্রধান করে। মোশতাক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, তার মানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার সম্পৃক্ততা আছে। ....
Sunday, June 1, 2014
’আই ডোন্ট কেয়ার’ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হাইকোর্টের নজরে
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় র্যাব কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার সম্পর্কিত হাইকোর্টের আদেশর বিষয়ে গত শনিবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্য আদালতের নজরে আনা হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তামজিদা মিলা বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়াদার ও বিচারপতি মো: খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ইংরেজি দৈনিক দি ডেইলী স্টারে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন নজরে আনেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী তামজিদা মিলা সাংবাদিকদের বলেন, সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অংশবিশেষ আদালতকে পড়ে শোনানো হয়েছে। কনটেমপ্ট অব কোর্ট হলে আই ডোন্ট কেয়ার বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ওই প্রতিবেদনে এসেছে। এটা হলে সাধারণ জনগণ আদালত অবমাননাকে কীভাবে দেখবে? তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে। আমি বিষয়টি আদালতের নজরে এনেছি। এখন আদালত এখন যা করার করবেন। আমার দায়বদ্ধতা থেকে আমি আদালতকে দেখিয়েছি।
প্রতিবেদনটি তিনি আদালতে জমা দিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, আদালত প্রতিবেদনটি পড়ে দেখবেন বলে বলেছেন।
গত শনিবার বিকেলে গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাপান সফরের অর্জন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, আসন্ন চীন সফর, বিদেশি বন্ধুদের দেওয়া ক্রেস্টে সোনা কম থাকা, র্যাব বিলুপ্তির প্রসঙ্গ, নারায়ণগঞ্জ ও ফেনীর নৃশংস ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী তামজিদা মিলা সাংবাদিকদের বলেন, সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের অংশবিশেষ আদালতকে পড়ে শোনানো হয়েছে। কনটেমপ্ট অব কোর্ট হলে আই ডোন্ট কেয়ার বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ওই প্রতিবেদনে এসেছে। এটা হলে সাধারণ জনগণ আদালত অবমাননাকে কীভাবে দেখবে? তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে। আমি বিষয়টি আদালতের নজরে এনেছি। এখন আদালত এখন যা করার করবেন। আমার দায়বদ্ধতা থেকে আমি আদালতকে দেখিয়েছি।
প্রতিবেদনটি তিনি আদালতে জমা দিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, আদালত প্রতিবেদনটি পড়ে দেখবেন বলে বলেছেন।
গত শনিবার বিকেলে গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাপান সফরের অর্জন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, আসন্ন চীন সফর, বিদেশি বন্ধুদের দেওয়া ক্রেস্টে সোনা কম থাকা, র্যাব বিলুপ্তির প্রসঙ্গ, নারায়ণগঞ্জ ও ফেনীর নৃশংস ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
Thursday, May 29, 2014
শামীম ওসমানকে পুলিশ কি ভয় পায় : মান্না
নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সঙ্গে ঘটনার ১০ মিনিট পরে নূর হোসেনের কি কথা হয়েছিল সে বিষয়ে কেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না পুলিশ। শামীম ওসমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ কি ভয় পায়। আমার অবাক লাগছে ৭ খুনের ঘটনায় শামীম ওসমানকে কেন তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করছে না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মান্না তার সংগঠন নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি এস এম আকরামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসে যান এবং মনোনয়নপত্র জমা দেন এস এম আকরাম। পরে দু’জন যোগ দেন আইনজীবি সমিতির কর্মসূচিতে।
মানববন্ধনে মান্না বলেন, মানুষ যখন শয়তানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় আল্লাহ তখন তার নজীর দেখান। পেট কেটে ফুটো করে দিয়ে বস্তাভর্তি ইট রশি দিয়ে বেধেও খুনীরা লাশ ডুবিয়ে রাখতে পারেনি। এই নারায়ণগঞ্জে এর আগেও অনেক হত্যা হয়েছে। অনেক লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে পাওয়া গেছে। আবার অনেক লাশের কোন হদিস মেলেনি। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে খুন গুমের ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রথম জ্বলে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ।
শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। যত বড় নেতা হোক তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। হাত যার যতই লম্বা হোক না কেন জনতার হাত তার চেয়েও লম্বা।
সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আকরাম বলেন, এক মাসেও খুনীদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২ মাসের মধ্যে খুনীদের গ্রেফতারের কথা বলেছেন কিন্তু আমার প্রশ্ন ২ মাস লাগবে কেন। যারা অপরাধী তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, ৭ খুনের মূল রহস্য একটি জায়গায় থমকে গেছে। শামীম ওসমানের বিষয়টি যখন এসেছে তখন প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে। শামীম ওসমান যদি জড়িত থাকে তাহলে আমরা কেন তার গ্রেফতার দাবি করবো না। মন্ত্রীর পুত্র জড়িত থাকলে তার গ্রেফতার ও বিচার কেন চাইবো না। শামীম ওসমানকে বাচাঁতেই আইনজীবীদের আন্দোলনকে স্তিমিত করতে আইনজীবীদের একটি গ্রুপ দালাল হিসেবে আন্দোলন করছে। তারা একদিকে ৭ খুনের বিচার দাবি করছে অপরদিকে নূর হোসেনের স্ত্রী কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলার মামলা পরিচালনা করছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেছেন, একটি পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে চেষ্টা চালাচ্ছে। এ হত্যার বিচার নিয়ে কাঁদা ছুড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তারা শামীম ওসমানকে ৭ খুনের মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়। যা কোন দিন সফল হতে দিব না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মান্না তার সংগঠন নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি এস এম আকরামের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসে যান এবং মনোনয়নপত্র জমা দেন এস এম আকরাম। পরে দু’জন যোগ দেন আইনজীবি সমিতির কর্মসূচিতে।
মানববন্ধনে মান্না বলেন, মানুষ যখন শয়তানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় আল্লাহ তখন তার নজীর দেখান। পেট কেটে ফুটো করে দিয়ে বস্তাভর্তি ইট রশি দিয়ে বেধেও খুনীরা লাশ ডুবিয়ে রাখতে পারেনি। এই নারায়ণগঞ্জে এর আগেও অনেক হত্যা হয়েছে। অনেক লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে পাওয়া গেছে। আবার অনেক লাশের কোন হদিস মেলেনি। শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে খুন গুমের ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রথম জ্বলে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ।
শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। যত বড় নেতা হোক তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। হাত যার যতই লম্বা হোক না কেন জনতার হাত তার চেয়েও লম্বা।
সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আকরাম বলেন, এক মাসেও খুনীদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২ মাসের মধ্যে খুনীদের গ্রেফতারের কথা বলেছেন কিন্তু আমার প্রশ্ন ২ মাস লাগবে কেন। যারা অপরাধী তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, ৭ খুনের মূল রহস্য একটি জায়গায় থমকে গেছে। শামীম ওসমানের বিষয়টি যখন এসেছে তখন প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে। শামীম ওসমান যদি জড়িত থাকে তাহলে আমরা কেন তার গ্রেফতার দাবি করবো না। মন্ত্রীর পুত্র জড়িত থাকলে তার গ্রেফতার ও বিচার কেন চাইবো না। শামীম ওসমানকে বাচাঁতেই আইনজীবীদের আন্দোলনকে স্তিমিত করতে আইনজীবীদের একটি গ্রুপ দালাল হিসেবে আন্দোলন করছে। তারা একদিকে ৭ খুনের বিচার দাবি করছে অপরদিকে নূর হোসেনের স্ত্রী কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলার মামলা পরিচালনা করছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেছেন, একটি পক্ষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে চেষ্টা চালাচ্ছে। এ হত্যার বিচার নিয়ে কাঁদা ছুড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তারা শামীম ওসমানকে ৭ খুনের মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়। যা কোন দিন সফল হতে দিব না।

Wednesday, May 28, 2014
বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা
বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে সুপরিচিত ফোর্বস ম্যাগাজিন। এ তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে শীর্ষ অর্থাৎ এক নম্বর আসন দখল করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন রয়েছেন ৬ নম্বরে। তার থেকে আরও একধাপ নিচে স্থান পেয়েছেন ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রয়েছেন ৪৭ নম্বর অবস্থানে। গতকাল এ তালিকা প্রকাশ করে ফোর্বস ম্যাগাজিন। এতে শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলা হয়, জানুয়ারির নিম্নমাত্রার ভোট ও সহিংস নির্বাচনের পর টানা দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। তার বিজয়কে ‘নির্বাচনী প্রতারণা’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে কমপক্ষে ৫০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের আপত্তি সত্ত্বেও গত বছর ডিসেম্বরে তার সরকার ফাঁসি কার্যকর করে আবদুল কাদের মোল্লার। পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় যে নৃশংসতা ঘটেছিল তার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় তাকে। ১৯৮১ সাল থেকে শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন। তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট। তাকে হত্যা করা হয ১৯৭৫ সালে। ১৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষের এ দেশটি জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের নবম সর্ববৃহৎ দেশ। এখানে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমান। ওই তালিকায় মিয়ানমারের বিরোধী দলীয় নেত্রী অং সান সু চির অবস্থান শেখ হাসিনারও নিচে, ৬১ নম্বরে। তবে তালিকায় নাম নেই ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর। তালিকায় পর্যায়ক্রমে প্রথম শীর্ষ ১০ নারী হলেন অ্যাঙ্গেলা মারকেল, জ্যানেট ইলেন, মেলিন্ডা গেটস, দিলমা রুশেফ, ক্রিস্টাইন লগার্ড, হিলারি ক্লিনটন, মেরি বারা, মিশেল ওবামা, শেরিল স্যান্ডবার্গ ও ভার্জিনিয়া রোমেত্তি।
Wednesday, May 21, 2014
ওবায়দুল কাদের কেন নোয়াখালীর এমপি হয়ে ফেনীতে এতো সময় দিচ্ছেন ?
জনাব ওবায়দুল কাদের, কখনও অধীনস্তদের চর থাপ্পর মারেন, কখনও ফাঁপা বুলি ঝাড়েন, এইতো পদ্মা সেতু হোল। কোনও কাজ না করলেও এক দঙ্গল সাংবাদিক নিয়ে সবসময় লাইমলাইটে থাকেন। শেখ হাসিনার চাইতেও বেশী এয়ারটাইম উপভোগ করেন। অত্যন্ত বিশ্রী রকমের ইংরেজি উচ্চারণে কথায় কথায় ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি বলার চেষ্টা করেন, যা তাকে সকলের হাসির পাত্র করে। দামী দামী স্যুইট, দামী ঘড়ি, চশমা ব্যবহার করেন, দামী কোলোন ব্যবহার করেন। রাত কাটান হাইক্লাস কলগার্লদের সাথে। একটা ইমেজ মেইন্টেইন করেন। কিন্তু এসবের পিছে যে এক জঘন্য গডফাডার হিসেবেই তিনি যে কাজ করেন তা কি জানেন ? সদ্য ফেনীর ফুলগাজীর একরাম হত্যার মূল গ্রীন সিগন্যাল যে তিনিই দিয়েছেন, সেটা কি জানেন ? না জানলে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনেক অজানা তথ্য জানবেন ইনশাল্লাহ।
ফেনীর ফুলগাজি একদম সীমান্তবর্তী এলাকা। ভারতের ত্রিপুরা থেকে চট্টগ্রাম বাইপাস করে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে চোরাচালানের একটি হটস্পট সেটি। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে ফেণীর ঐ বিশেষ এলাকাটার উপর নজড় ছিলো অনেকেরই । মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংসদ সবাই ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে ছিলেন মরিয়া । একরামুল হক (যে কিনা ফেণীর কুখ্যাত গডফাদার জয়নাল হাজারির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলো ) ছিলো ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রক ।মূলতো নিজাম হাজারীর প্রতিনিধি হিসেবের স্থানীয় চোরাচালানী নিয়ন্ত্রণ করতেন । যাই হোক ।খুব সম্প্রতি একরামুল হক নিজাম হাজারীর বশ্যতা স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উপজেলা নির্বাচনে ফেণী সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।এই সিদ্ধান্ত কে নিজাম হাজারী তাঁর স্থানীয় আধিপত্যের প্রতি হুমকি স্বরূপ দেখে ।বিষয়টি মধ্যস্থতা করার জন্য শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে ওবায়দুল কাদের কে নির্দেশনা দেয় । একরামুল হক ওবায়দুল কাদেরের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করলেও পরে চাপে পরে সদর থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে । কিন্তু স্থানীয় চাঁদাবাজি এবং চোরাচালানীর হিস্যা নিজাম হাজারী কে দেওয়া বন্ধ করে দেয় ।এক্ষেত্রে তাকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয় স্থানীয় আরেক গড ফাদার সেলিম চৌধুরী। ওবায়দুল কাদের সেই অপমান ভুলে যাননি। উচিত শিক্ষা দেবার প্রত্যয় নেন তিনি।
মূলতঃ নিজাম হাজারীর একছত্র অবস্থান এর জন্যে হুমকি হয়ে গিয়েছিলো একরামুল। আর গত কিছু দিন আগে একরামুল ফেনীর পতিত গডফাদার জয়নাল হাজারীকে হেলিকাপ্টার করে ফেনী পাইলট ইস্কুল মাঠে নিয়ে আসে! আর এটাই কাল হয়ে যায় একরামুলের জন্যে। কারন এই জয়নাল হাজারী ফেনী এবং নেয়াখালি থেকে বিতাড়িত করেছিলো বর্তমান আওয়ামী প্রভাবশালী নেতা ওবায়দুল কাদেরকে। দীর্ঘ ৬ বছর ফেনীতে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন নাসিমকে। এদের মিলিত চেষ্টা থেকেই নিজাম হাজারীকে সামনে রেখে ফেনীর রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হয় জায়নাল হাজারীকে। বিলোনিয়া বর্ডারের চোরাচালানির হিস্যা, নদী শাসনের বিশাল প্রজেক্ট ও মাদকদ্রব্য ব্যাবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অন্ত কন্দল চলছিলো অনেকদিন যাবত।
কিন্তু শেষ কয়েক দিনের একরামুলের অবস্থান আর পুনরায় জয়নাল হাজারীর ফেনীর রাজনিতীতে সক্রিয় হয়ে উঠায় আঁতে ঘা লাগে ঐ সিন্ডিকেটের। এখানে উল্লেখ্য,ওবায়দুল কাদের তার নিজের নির্বাচনী আসন বসুর হাটে অবস্থান না করে সব সময় ফেনীতেই অবস্থান করেন। কারন ফেনী থেকে প্রতি মাসে তার কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মতন চাঁদা যায়।
একরামুল বুঝে যায় যে নিজাম হাজারী ও ওবায়দুল কাদেরের সাথে একসাথে লাগতে যেয়ে কি ভুল করে সে। বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে একরামুল হক সাংবাদিক দের মাধ্যমে কিছু গোপন তথ্য গণ মাধ্যমে প্রকাশ করে দেয় ।এর মাঝে ছিলো নিজাম হাজারীর কারাবাসের থেকে কম সময় জেল খেটেবের হয়ে আসা সহ নানাদিক ।আরো চমকপ্রদ কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেয় ।কিন্তু সেই সাংবাদিক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজাম হাজারীকে বিস্তারিত জানিয়ে দেয় ।যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজাম হাজারী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে একরামুল কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।
বিষয়টি আঁচ করতে পেরে একরামুল শরণাপন্ন হন তার আগের বস কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর । এসময় ত্রাণকর্তা হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে সাবেক গডফাদার জয়নাল হাজারীর । নিজাম হাজারীর পরবর্তী চাল জানতে পেরে একরামুল কে রক্ষা করার জন্য সম্ভাব্য গুম-খুনের খবর সে তাঁর দৈনিক হাজারিকা পত্রিকায় প্রকাশ করে দেয় । যার উদ্দেশ্য ছিলো নিজাম হাজারী যাতে ভয় পেয়ে একরামুল কে হত্যা করা থেকে দূরে থাকে।
১৯ই মে এটি প্রকাশ হওয়ায় ক্রুদ্ধ হয় ওবায়দুল কাদেরে ও নিজাম হাজারী। সিদ্ধান্ত হয় পরের দিনই শেষ করে দেবার একরামুলকে।
কমিশনার শিবলুর নেতৃতে নিজাম হাজারীর ক্যাডাররা একরামুল হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহন করে। এই ব্যাপারে তারা সাপ্তাহ খানেক আগে থেকেই সকল পরিকল্পনা সম্পন্ন করে আসছিলো। কিলিং মিশনে মোট অংশ গ্রহন করে ৩৫ জন কিলার। আর এদের মধ্যে ১০ জন কে আনা হয় ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে। তারা হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে ফেনীতে এসে অবস্থান নিয়ে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে এলাকায় বারবার রেকি করে। অবশেষে ১৯ তারিখ গ্রীন সিগন্যাল পেলেই ২০ তারিখ তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডির পর এরকম একটি ঘটনার মাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে ফায়দা লুটার জন্যেও হাসিনার সিগন্যাল পায় ওবাইদুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের স্কুল শিক্ষিকা নামেমাত্র স্ত্রীর নামে বাসুর হাট ও এর আশেপাশের এলাকায় কয়'শ বিঘা জমি আছে। বিশাল চাঁদা ও চোরাকারবারীর ভাগ নিরঙ্কুশ করতে এবং সকলের নজর নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরাতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়। আর নারায়ণগঞ্জে যেমন নজরুলের শ্বশুর শহীদ চ্যায়ারমান গনমাধ্যমের সাথে কথা বলে বলে আওয়ামী লীগের বারোটা বাজিয়েছে, এবার আর তা যাতে না হয়, তাই আগেই একরামুলের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
টিভি এর সামনে এই ভন্ড, লম্পট, দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসের গডফাডার বলেছে যে ফেনীর এই ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সত্য কথাটাই সে বলেছে। শুধু বলেনি যে পরিকল্পনাটা সেই করেছে।
সবাইকে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর এইসব ভয়ংকর লোকদের মুখোশ উন্মোচন করুন।
* মদ্যপ ওবায়দুল কাদেরের নিশিগমন ও তার নিশিকন্যাদের সম্পর্কে জানতে ওয়েস্টিন হোটেলে পরিচিত হাই কোনও অফিসিয়ালকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন।
ওবায়দুল কাদের কেন নোয়াখালীর এমপি হয়ে ফেনীতে এতো সময় দিচ্ছেন ? জনাব ওবায়দুল কাদের, কখনও অধীনস্তদের চর থাপ্পর মারেন, কখনও ফাঁপা বুলি ঝাড়েন, এইতো পদ্মা সেতু হোল। কোনও কাজ না করলেও এক দঙ্গল সাংবাদিক নিয়ে সবসময় লাইমলাইটে থাকেন। শেখ হাসিনার চাইতেও বেশী এয়ারটাইম উপভোগ করেন। অত্যন্ত বিশ্রী রকমের ইংরেজি উচ্চারণে কথায় কথায় ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি বলার চেষ্টা করেন, যা তাকে সকলের হাসির পাত্র করে। দামী দামী স্যুইট, দামী ঘড়ি, চশমা ব্যবহার করেন, দামী কোলোন ব্যবহার করেন। রাত কাটান হাইক্লাস কলগার্লদের সাথে। একটা ইমেজ মেইন্টেইন করেন। কিন্তু এসবের পিছে যে এক জঘন্য গডফাডার হিসেবেই তিনি যে কাজ করেন তা কি জানেন ? সদ্য ফেনীর ফুলগাজীর একরাম হত্যার মূল গ্রীন সিগন্যাল যে তিনিই দিয়েছেন, সেটা কি জানেন ? না জানলে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনেক অজানা তথ্য জানবেন ইনশাল্লাহ। ফেনীর ফুলগাজি একদম সীমান্তবর্তী এলাকা। ভারতের ত্রিপুরা থেকে চট্টগ্রাম বাইপাস করে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে চোরাচালানের একটি হটস্পট সেটি। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে ফেণীর ঐ বিশেষ এলাকাটার উপর নজড় ছিলো অনেকেরই । মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংসদ সবাই ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে ছিলেন মরিয়া । একরামুল হক (যে কিনা ফেণীর কুখ্যাত গডফাদার জয়নাল হাজারির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলো ) ছিলো ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রক ।মূলতো নিজাম হাজারীর প্রতিনিধি হিসেবের স্থানীয় চোরাচালানী নিয়ন্ত্রণ করতেন । যাই হোক ।খুব সম্প্রতি একরামুল হক নিজাম হাজারীর বশ্যতা স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উপজেলা নির্বাচনে ফেণী সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।এই সিদ্ধান্ত কে নিজাম হাজারী তাঁর স্থানীয় আধিপত্যের প্রতি হুমকি স্বরূপ দেখে ।বিষয়টি মধ্যস্থতা করার জন্য শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে ওবায়দুল কাদের কে নির্দেশনা দেয় । একরামুল হক ওবায়দুল কাদেরের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করলেও পরে চাপে পরে সদর থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে । কিন্তু স্থানীয় চাঁদাবাজি এবং চোরাচালানীর হিস্যা নিজাম হাজারী কে দেওয়া বন্ধ করে দেয় ।এক্ষেত্রে তাকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয় স্থানীয় আরেক গড ফাদার সেলিম চৌধুরী। ওবায়দুল কাদের সেই অপমান ভুলে যাননি। উচিত শিক্ষা দেবার প্রত্যয় নেন তিনি। মূলতঃ নিজাম হাজারীর একছত্র অবস্থান এর জন্যে হুমকি হয়ে গিয়েছিলো একরামুল। আর গত কিছু দিন আগে একরামুল ফেনীর পতিত গডফাদার জয়নাল হাজারীকে হেলিকাপ্টার করে ফেনী পাইলট ইস্কুল মাঠে নিয়ে আসে! আর এটাই কাল হয়ে যায় একরামুলের জন্যে। কারন এই জয়নাল হাজারী ফেনী এবং নেয়াখালি থেকে বিতাড়িত করেছিলো বর্তমান আওয়ামী প্রভাবশালী নেতা ওবায়দুল কাদেরকে। দীর্ঘ ৬ বছর ফেনীতে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন নাসিমকে। এদের মিলিত চেষ্টা থেকেই নিজাম হাজারীকে সামনে রেখে ফেনীর রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হয় জায়নাল হাজারীকে। বিলোনিয়া বর্ডারের চোরাচালানির হিস্যা, নদী শাসনের বিশাল প্রজেক্ট ও মাদকদ্রব্য ব্যাবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অন্ত কন্দল চলছিলো অনেকদিন যাবত। কিন্তু শেষ কয়েক দিনের একরামুলের অবস্থান আর পুনরায় জয়নাল হাজারীর ফেনীর রাজনিতীতে সক্রিয় হয়ে উঠায় আঁতে ঘা লাগে ঐ সিন্ডিকেটের। এখানে উল্লেখ্য,ওবায়দুল কাদের তার নিজের নির্বাচনী আসন বসুর হাটে অবস্থান না করে সব সময় ফেনীতেই অবস্থান করেন। কারন ফেনী থেকে প্রতি মাসে তার কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মতন চাঁদা যায়। একরামুল বুঝে যায় যে নিজাম হাজারী ও ওবায়দুল কাদেরের সাথে একসাথে লাগতে যেয়ে কি ভুল করে সে। বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে একরামুল হক সাংবাদিক দের মাধ্যমে কিছু গোপন তথ্য গণ মাধ্যমে প্রকাশ করে দেয় ।এর মাঝে ছিলো নিজাম হাজারীর কারাবাসের থেকে কম সময় জেল খেটেবের হয়ে আসা সহ নানাদিক ।আরো চমকপ্রদ কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেয় ।কিন্তু সেই সাংবাদিক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজাম হাজারীকে বিস্তারিত জানিয়ে দেয় ।যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজাম হাজারী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে একরামুল কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় । বিষয়টি আঁচ করতে পেরে একরামুল শরণাপন্ন হন তার আগের বস কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর । এসময় ত্রাণকর্তা হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে সাবেক গডফাদার জয়নাল হাজারীর । নিজাম হাজারীর পরবর্তী চাল জানতে পেরে একরামুল কে রক্ষা করার জন্য সম্ভাব্য গুম-খুনের খবর সে তাঁর দৈনিক হাজারিকা পত্রিকায় প্রকাশ করে দেয় । যার উদ্দেশ্য ছিলো নিজাম হাজারী যাতে ভয় পেয়ে একরামুল কে হত্যা করা থেকে দূরে থাকে। ১৯ই মে এটি প্রকাশ হওয়ায় ক্রুদ্ধ হয় ওবায়দুল কাদেরে ও নিজাম হাজারী। সিদ্ধান্ত হয় পরের দিনই শেষ করে দেবার একরামুলকে। কমিশনার শিবলুর নেতৃতে নিজাম হাজারীর ক্যাডাররা একরামুল হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহন করে। এই ব্যাপারে তারা সাপ্তাহ খানেক আগে থেকেই সকল পরিকল্পনা সম্পন্ন করে আসছিলো। কিলিং মিশনে মোট অংশ গ্রহন করে ৩৫ জন কিলার। আর এদের মধ্যে ১০ জন কে আনা হয় ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে। তারা হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে ফেনীতে এসে অবস্থান নিয়ে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে এলাকায় বারবার রেকি করে। অবশেষে ১৯ তারিখ গ্রীন সিগন্যাল পেলেই ২০ তারিখ তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডির পর এরকম একটি ঘটনার মাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে ফায়দা লুটার জন্যেও হাসিনার সিগন্যাল পায় ওবাইদুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের স্কুল শিক্ষিকা নামেমাত্র স্ত্রীর নামে বাসুর হাট ও এর আশেপাশের এলাকায় কয়'শ বিঘা জমি আছে। বিশাল চাঁদা ও চোরাকারবারীর ভাগ নিরঙ্কুশ করতে এবং সকলের নজর নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরাতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়। আর নারায়ণগঞ্জে যেমন নজরুলের শ্বশুর শহীদ চ্যায়ারমান গনমাধ্যমের সাথে কথা বলে বলে আওয়ামী লীগের বারোটা বাজিয়েছে, এবার আর তা যাতে না হয়, তাই আগেই একরামুলের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। টিভি এর সামনে এই ভন্ড, লম্পট, দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসের গডফাডার বলেছে যে ফেনীর এই ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সত্য কথাটাই সে বলেছে। শুধু বলেনি যে পরিকল্পনাটা সেই করেছে। সবাইকে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর এইসব ভয়ংকর লোকদের মুখোশ উন্মোচন করুন। * মদ্যপ ওবায়দুল কাদেরের নিশিগমন ও তার নিশিকন্যাদের সম্পর্কে জানতে ওয়েস্টিন হোটেলে পরিচিত হাই কোনও অফিসিয়ালকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন।
ফেনীর ফুলগাজি একদম সীমান্তবর্তী এলাকা। ভারতের ত্রিপুরা থেকে চট্টগ্রাম বাইপাস করে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে চোরাচালানের একটি হটস্পট সেটি। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে ফেণীর ঐ বিশেষ এলাকাটার উপর নজড় ছিলো অনেকেরই । মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংসদ সবাই ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে ছিলেন মরিয়া । একরামুল হক (যে কিনা ফেণীর কুখ্যাত গডফাদার জয়নাল হাজারির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলো ) ছিলো ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রক ।মূলতো নিজাম হাজারীর প্রতিনিধি হিসেবের স্থানীয় চোরাচালানী নিয়ন্ত্রণ করতেন । যাই হোক ।খুব সম্প্রতি একরামুল হক নিজাম হাজারীর বশ্যতা স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উপজেলা নির্বাচনে ফেণী সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।এই সিদ্ধান্ত কে নিজাম হাজারী তাঁর স্থানীয় আধিপত্যের প্রতি হুমকি স্বরূপ দেখে ।বিষয়টি মধ্যস্থতা করার জন্য শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে ওবায়দুল কাদের কে নির্দেশনা দেয় । একরামুল হক ওবায়দুল কাদেরের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করলেও পরে চাপে পরে সদর থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে । কিন্তু স্থানীয় চাঁদাবাজি এবং চোরাচালানীর হিস্যা নিজাম হাজারী কে দেওয়া বন্ধ করে দেয় ।এক্ষেত্রে তাকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয় স্থানীয় আরেক গড ফাদার সেলিম চৌধুরী। ওবায়দুল কাদের সেই অপমান ভুলে যাননি। উচিত শিক্ষা দেবার প্রত্যয় নেন তিনি।
মূলতঃ নিজাম হাজারীর একছত্র অবস্থান এর জন্যে হুমকি হয়ে গিয়েছিলো একরামুল। আর গত কিছু দিন আগে একরামুল ফেনীর পতিত গডফাদার জয়নাল হাজারীকে হেলিকাপ্টার করে ফেনী পাইলট ইস্কুল মাঠে নিয়ে আসে! আর এটাই কাল হয়ে যায় একরামুলের জন্যে। কারন এই জয়নাল হাজারী ফেনী এবং নেয়াখালি থেকে বিতাড়িত করেছিলো বর্তমান আওয়ামী প্রভাবশালী নেতা ওবায়দুল কাদেরকে। দীর্ঘ ৬ বছর ফেনীতে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন নাসিমকে। এদের মিলিত চেষ্টা থেকেই নিজাম হাজারীকে সামনে রেখে ফেনীর রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হয় জায়নাল হাজারীকে। বিলোনিয়া বর্ডারের চোরাচালানির হিস্যা, নদী শাসনের বিশাল প্রজেক্ট ও মাদকদ্রব্য ব্যাবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অন্ত কন্দল চলছিলো অনেকদিন যাবত।
কিন্তু শেষ কয়েক দিনের একরামুলের অবস্থান আর পুনরায় জয়নাল হাজারীর ফেনীর রাজনিতীতে সক্রিয় হয়ে উঠায় আঁতে ঘা লাগে ঐ সিন্ডিকেটের। এখানে উল্লেখ্য,ওবায়দুল কাদের তার নিজের নির্বাচনী আসন বসুর হাটে অবস্থান না করে সব সময় ফেনীতেই অবস্থান করেন। কারন ফেনী থেকে প্রতি মাসে তার কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মতন চাঁদা যায়।
একরামুল বুঝে যায় যে নিজাম হাজারী ও ওবায়দুল কাদেরের সাথে একসাথে লাগতে যেয়ে কি ভুল করে সে। বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে একরামুল হক সাংবাদিক দের মাধ্যমে কিছু গোপন তথ্য গণ মাধ্যমে প্রকাশ করে দেয় ।এর মাঝে ছিলো নিজাম হাজারীর কারাবাসের থেকে কম সময় জেল খেটেবের হয়ে আসা সহ নানাদিক ।আরো চমকপ্রদ কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেয় ।কিন্তু সেই সাংবাদিক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজাম হাজারীকে বিস্তারিত জানিয়ে দেয় ।যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজাম হাজারী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে একরামুল কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।
বিষয়টি আঁচ করতে পেরে একরামুল শরণাপন্ন হন তার আগের বস কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর । এসময় ত্রাণকর্তা হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে সাবেক গডফাদার জয়নাল হাজারীর । নিজাম হাজারীর পরবর্তী চাল জানতে পেরে একরামুল কে রক্ষা করার জন্য সম্ভাব্য গুম-খুনের খবর সে তাঁর দৈনিক হাজারিকা পত্রিকায় প্রকাশ করে দেয় । যার উদ্দেশ্য ছিলো নিজাম হাজারী যাতে ভয় পেয়ে একরামুল কে হত্যা করা থেকে দূরে থাকে।
১৯ই মে এটি প্রকাশ হওয়ায় ক্রুদ্ধ হয় ওবায়দুল কাদেরে ও নিজাম হাজারী। সিদ্ধান্ত হয় পরের দিনই শেষ করে দেবার একরামুলকে।
কমিশনার শিবলুর নেতৃতে নিজাম হাজারীর ক্যাডাররা একরামুল হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহন করে। এই ব্যাপারে তারা সাপ্তাহ খানেক আগে থেকেই সকল পরিকল্পনা সম্পন্ন করে আসছিলো। কিলিং মিশনে মোট অংশ গ্রহন করে ৩৫ জন কিলার। আর এদের মধ্যে ১০ জন কে আনা হয় ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে। তারা হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে ফেনীতে এসে অবস্থান নিয়ে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে এলাকায় বারবার রেকি করে। অবশেষে ১৯ তারিখ গ্রীন সিগন্যাল পেলেই ২০ তারিখ তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডির পর এরকম একটি ঘটনার মাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে ফায়দা লুটার জন্যেও হাসিনার সিগন্যাল পায় ওবাইদুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের স্কুল শিক্ষিকা নামেমাত্র স্ত্রীর নামে বাসুর হাট ও এর আশেপাশের এলাকায় কয়'শ বিঘা জমি আছে। বিশাল চাঁদা ও চোরাকারবারীর ভাগ নিরঙ্কুশ করতে এবং সকলের নজর নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরাতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়। আর নারায়ণগঞ্জে যেমন নজরুলের শ্বশুর শহীদ চ্যায়ারমান গনমাধ্যমের সাথে কথা বলে বলে আওয়ামী লীগের বারোটা বাজিয়েছে, এবার আর তা যাতে না হয়, তাই আগেই একরামুলের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
টিভি এর সামনে এই ভন্ড, লম্পট, দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসের গডফাডার বলেছে যে ফেনীর এই ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সত্য কথাটাই সে বলেছে। শুধু বলেনি যে পরিকল্পনাটা সেই করেছে।
সবাইকে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর এইসব ভয়ংকর লোকদের মুখোশ উন্মোচন করুন।
* মদ্যপ ওবায়দুল কাদেরের নিশিগমন ও তার নিশিকন্যাদের সম্পর্কে জানতে ওয়েস্টিন হোটেলে পরিচিত হাই কোনও অফিসিয়ালকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন।
ওবায়দুল কাদের কেন নোয়াখালীর এমপি হয়ে ফেনীতে এতো সময় দিচ্ছেন ? জনাব ওবায়দুল কাদের, কখনও অধীনস্তদের চর থাপ্পর মারেন, কখনও ফাঁপা বুলি ঝাড়েন, এইতো পদ্মা সেতু হোল। কোনও কাজ না করলেও এক দঙ্গল সাংবাদিক নিয়ে সবসময় লাইমলাইটে থাকেন। শেখ হাসিনার চাইতেও বেশী এয়ারটাইম উপভোগ করেন। অত্যন্ত বিশ্রী রকমের ইংরেজি উচ্চারণে কথায় কথায় ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি বলার চেষ্টা করেন, যা তাকে সকলের হাসির পাত্র করে। দামী দামী স্যুইট, দামী ঘড়ি, চশমা ব্যবহার করেন, দামী কোলোন ব্যবহার করেন। রাত কাটান হাইক্লাস কলগার্লদের সাথে। একটা ইমেজ মেইন্টেইন করেন। কিন্তু এসবের পিছে যে এক জঘন্য গডফাডার হিসেবেই তিনি যে কাজ করেন তা কি জানেন ? সদ্য ফেনীর ফুলগাজীর একরাম হত্যার মূল গ্রীন সিগন্যাল যে তিনিই দিয়েছেন, সেটা কি জানেন ? না জানলে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। অনেক অজানা তথ্য জানবেন ইনশাল্লাহ। ফেনীর ফুলগাজি একদম সীমান্তবর্তী এলাকা। ভারতের ত্রিপুরা থেকে চট্টগ্রাম বাইপাস করে সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে চোরাচালানের একটি হটস্পট সেটি। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়াতে ফেণীর ঐ বিশেষ এলাকাটার উপর নজড় ছিলো অনেকেরই । মন্ত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংসদ সবাই ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে ছিলেন মরিয়া । একরামুল হক (যে কিনা ফেণীর কুখ্যাত গডফাদার জয়নাল হাজারির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ছিলো ) ছিলো ঐ এলাকার নিয়ন্ত্রক ।মূলতো নিজাম হাজারীর প্রতিনিধি হিসেবের স্থানীয় চোরাচালানী নিয়ন্ত্রণ করতেন । যাই হোক ।খুব সম্প্রতি একরামুল হক নিজাম হাজারীর বশ্যতা স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উপজেলা নির্বাচনে ফেণী সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।এই সিদ্ধান্ত কে নিজাম হাজারী তাঁর স্থানীয় আধিপত্যের প্রতি হুমকি স্বরূপ দেখে ।বিষয়টি মধ্যস্থতা করার জন্য শেখ হাসিনা ব্যাক্তিগত ভাবে ওবায়দুল কাদের কে নির্দেশনা দেয় । একরামুল হক ওবায়দুল কাদেরের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করলেও পরে চাপে পরে সদর থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে । কিন্তু স্থানীয় চাঁদাবাজি এবং চোরাচালানীর হিস্যা নিজাম হাজারী কে দেওয়া বন্ধ করে দেয় ।এক্ষেত্রে তাকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয় স্থানীয় আরেক গড ফাদার সেলিম চৌধুরী। ওবায়দুল কাদের সেই অপমান ভুলে যাননি। উচিত শিক্ষা দেবার প্রত্যয় নেন তিনি। মূলতঃ নিজাম হাজারীর একছত্র অবস্থান এর জন্যে হুমকি হয়ে গিয়েছিলো একরামুল। আর গত কিছু দিন আগে একরামুল ফেনীর পতিত গডফাদার জয়নাল হাজারীকে হেলিকাপ্টার করে ফেনী পাইলট ইস্কুল মাঠে নিয়ে আসে! আর এটাই কাল হয়ে যায় একরামুলের জন্যে। কারন এই জয়নাল হাজারী ফেনী এবং নেয়াখালি থেকে বিতাড়িত করেছিলো বর্তমান আওয়ামী প্রভাবশালী নেতা ওবায়দুল কাদেরকে। দীর্ঘ ৬ বছর ফেনীতে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন নাসিমকে। এদের মিলিত চেষ্টা থেকেই নিজাম হাজারীকে সামনে রেখে ফেনীর রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হয় জায়নাল হাজারীকে। বিলোনিয়া বর্ডারের চোরাচালানির হিস্যা, নদী শাসনের বিশাল প্রজেক্ট ও মাদকদ্রব্য ব্যাবসার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অন্ত কন্দল চলছিলো অনেকদিন যাবত। কিন্তু শেষ কয়েক দিনের একরামুলের অবস্থান আর পুনরায় জয়নাল হাজারীর ফেনীর রাজনিতীতে সক্রিয় হয়ে উঠায় আঁতে ঘা লাগে ঐ সিন্ডিকেটের। এখানে উল্লেখ্য,ওবায়দুল কাদের তার নিজের নির্বাচনী আসন বসুর হাটে অবস্থান না করে সব সময় ফেনীতেই অবস্থান করেন। কারন ফেনী থেকে প্রতি মাসে তার কাছে প্রায় ৫০ কোটি টাকার মতন চাঁদা যায়। একরামুল বুঝে যায় যে নিজাম হাজারী ও ওবায়দুল কাদেরের সাথে একসাথে লাগতে যেয়ে কি ভুল করে সে। বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে একরামুল হক সাংবাদিক দের মাধ্যমে কিছু গোপন তথ্য গণ মাধ্যমে প্রকাশ করে দেয় ।এর মাঝে ছিলো নিজাম হাজারীর কারাবাসের থেকে কম সময় জেল খেটেবের হয়ে আসা সহ নানাদিক ।আরো চমকপ্রদ কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করে দেবার সিদ্ধান্ত নেয় ।কিন্তু সেই সাংবাদিক মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিজাম হাজারীকে বিস্তারিত জানিয়ে দেয় ।যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজাম হাজারী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে একরামুল কে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় । বিষয়টি আঁচ করতে পেরে একরামুল শরণাপন্ন হন তার আগের বস কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর । এসময় ত্রাণকর্তা হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে সাবেক গডফাদার জয়নাল হাজারীর । নিজাম হাজারীর পরবর্তী চাল জানতে পেরে একরামুল কে রক্ষা করার জন্য সম্ভাব্য গুম-খুনের খবর সে তাঁর দৈনিক হাজারিকা পত্রিকায় প্রকাশ করে দেয় । যার উদ্দেশ্য ছিলো নিজাম হাজারী যাতে ভয় পেয়ে একরামুল কে হত্যা করা থেকে দূরে থাকে। ১৯ই মে এটি প্রকাশ হওয়ায় ক্রুদ্ধ হয় ওবায়দুল কাদেরে ও নিজাম হাজারী। সিদ্ধান্ত হয় পরের দিনই শেষ করে দেবার একরামুলকে। কমিশনার শিবলুর নেতৃতে নিজাম হাজারীর ক্যাডাররা একরামুল হত্যাকাণ্ডে অংশ গ্রহন করে। এই ব্যাপারে তারা সাপ্তাহ খানেক আগে থেকেই সকল পরিকল্পনা সম্পন্ন করে আসছিলো। কিলিং মিশনে মোট অংশ গ্রহন করে ৩৫ জন কিলার। আর এদের মধ্যে ১০ জন কে আনা হয় ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে। তারা হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে ফেনীতে এসে অবস্থান নিয়ে সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যে এলাকায় বারবার রেকি করে। অবশেষে ১৯ তারিখ গ্রীন সিগন্যাল পেলেই ২০ তারিখ তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। নারায়ণগঞ্জ ট্র্যাজেডির পর এরকম একটি ঘটনার মাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে ফায়দা লুটার জন্যেও হাসিনার সিগন্যাল পায় ওবাইদুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের স্কুল শিক্ষিকা নামেমাত্র স্ত্রীর নামে বাসুর হাট ও এর আশেপাশের এলাকায় কয়'শ বিঘা জমি আছে। বিশাল চাঁদা ও চোরাকারবারীর ভাগ নিরঙ্কুশ করতে এবং সকলের নজর নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরাতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়। আর নারায়ণগঞ্জে যেমন নজরুলের শ্বশুর শহীদ চ্যায়ারমান গনমাধ্যমের সাথে কথা বলে বলে আওয়ামী লীগের বারোটা বাজিয়েছে, এবার আর তা যাতে না হয়, তাই আগেই একরামুলের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। টিভি এর সামনে এই ভন্ড, লম্পট, দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসের গডফাডার বলেছে যে ফেনীর এই ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সত্য কথাটাই সে বলেছে। শুধু বলেনি যে পরিকল্পনাটা সেই করেছে। সবাইকে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর এইসব ভয়ংকর লোকদের মুখোশ উন্মোচন করুন। * মদ্যপ ওবায়দুল কাদেরের নিশিগমন ও তার নিশিকন্যাদের সম্পর্কে জানতে ওয়েস্টিন হোটেলে পরিচিত হাই কোনও অফিসিয়ালকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন।

জেনে নিন কেন খুন হোল একরাম - আওয়ামী এমপি নিজাম হাজারীর সাথে কেন ছিল দ্বন্দ্ব
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক একরাম নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পর আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে সদর আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য নিজাম হাজারীর সঙ্গে একরামের বিরোধের বিষয়টি। বলা হচ্ছে, নিজাম হাজারী ফেনীর রাজনীতিতে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতেন একরামকে।
১৯৮৩ সাল থেকে ফেনীর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন একরাম। জয়নাল হাজারীর অনুসারী ছিলেন তিনি। এক-এগারোর সময় জয়নাল হাজারী ফেনী থেকে বিতাড়িত হলেও জেলার রাজনীতিতে অবস্থান ধরে রাখেন তিনি। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন একরাম। তবে রাজনৈতিক কৌশলে ধরাশায়ী হয়ে মনোনয়নবঞ্চিত হতে হয় তাঁকে। তবে পিছু হটেননি তিনি। অভিযোগ আছে, মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পর নিজাম হাজারী তাঁকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য উৎসাহ দেন, যাতে এ ছুতো ধরে পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে সে প্রলোভনে পা দেননি একরাম। আবারও নির্বাচন করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে। তত দিনে ফেনীর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে যান নিজাম উদ্দিন হাজারী। এমপি হয়ে উপজেলা নির্বাচনেও একরামকে অসহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে শুধু নিজের রাজনৈতিক কৌশল দিয়ে আর ব্যাপক ভোট চুরির মাধ্যমে বিএনপি এর ঘাটিতে একরাম জিতে আসেন উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে।
নিজাম হাজারী ফেনীতে ঘাঁটি করে নেওয়ার পর এ পর্যন্ত একরামের সঙ্গে ছোট-বড় অসংখ্য বিরোধের সৃষ্টি হয়। ফেনীর কয়েকজন প্রবীণ নেতা বলেন, এত বড় একটি ঘটনা ঘটেছে ফেনীতে, কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা নেই বললেই চলে। মুখ খুলতে চান না অনেকেই।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডার বাণিজ্য, ফেনীর ডায়াবেটিক হাসপাতালের আধিপত্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কমিটি ঘোষণা নিয়ে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম হাজারীর সঙ্গে একরামের বিরোধ শুরু হয়। ফেনীর পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডিসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন একরাম চেয়ারম্যান। এ নিয়ে দু-তিন দফা নিজাম হাজারীর বাহিনীকে আটকে রাখে একরামের দলবল। ডায়াবেটিক হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ ছিল একরামের কাছে। গত বছর এর আধিপত্য নিতে যায় নিজাম হাজারীর ঘনিষ্ঠ ও তাঁর ‘বুদ্ধিদাতা’ হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর কবির আদেল ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদ। তাঁরা ডায়াবেটিক হাসপাতালে একরামের রুমে তালাও ঝুলিয়ে দেন। পরে জেলার অন্য নেতাদের মধ্যস্থতায় আধিপত্য একরামেরই থাকে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচন নিয়ে চরম বিরোধ সৃষ্টি হয় নিজাম হাজারীর সঙ্গে একরামের। একরামের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় একরাম চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হন। এটা মেনে নেননি নিজাম হাজারী। ফলে নির্বাচনে পরাজিত করতে ভেতরে ভেতরে নিজাম হাজারী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিনার চৌধুরীর সঙ্গে হাত মেলান। এতে বেকায়দায় পড়ে যান একরাম। তবে একরাম উপজেলা নির্বাচনে এমপির বিরোধিতার জবাব দেন অন্যভাবে। একসময়ের নিজাম হাজারী ও একরামের রাজনৈতিক গুরু ফেনীর গডফাদারখ্যাত জয়নাল হাজারীকে হেলিকপ্টারযোগে ফেনী পাইলট হাই স্কুল মাঠে নিয়ে আসেন একরাম। বলা হয়, এর মধ্য দিয়ে নিজাম হাজারীকে হুমকি প্রদর্শন করে একরাম। এ বিষয়টিও ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ করে নিজাম হাজারীকে। এর ফলে দুজনের বিরোধ আরো চাঙ্গা হতে শুরু করে। নিজাম হাজারী তখন থেকে মনে করে, জয়নাল হাজারীর সঙ্গে একরামের যোগাযোগ রয়েছে। এটি যেকোনো সময়ে তাঁর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। এরই সূত্র ধরে উপজেলা নির্বাচনে একরামের নির্বাচনী গণসংযোগেও প্রথম প্রথম যাননি নিজাম হাজারী। বরং অভিযোগ আছে, একরামের নির্বাচনী গণসংযোগে নিজাম বাহিনীর লোকজন কয়েক দফা হামলা চালায়। আরো অভিযোগ আছে, একরামের নির্বাচনী প্রচারণায় থাকা দুটি গাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় নিজাম বাহিনীর দলবল। অবশ্য পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যস্থতা ও কেন্দ্রীয় উদ্যোগের ফলে নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে একরামের পক্ষে সমর্থন দেন নিজাম হাজারী।
আরো জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন ফুলগাজী উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী। এলাকায় তাঁর নেতিবাচক ইমেজের কারণে একরাম তাঁকে প্রার্থী হতে দিতে চাননি। জানা গেছে, জাহিদ চৌধুরী নিজাম হাজারীর ঘনিষ্ঠ কর্মী। একরামের এ আচরণেও ক্ষুব্ধ হন নিজাম হাজারী ও জাহিদ চৌধুরী।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে সাজা কম খেটে জালিয়াতি করে জেল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে সংবাদ প্রকাশ পেয়েছে, এর সঙ্গে একরামের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সন্দেহ করে নিজাম হাজারী। এ বিষয়টি নিয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন নিজাম হাজারী। একরামকে সরাসরি দোষারোপ করেন তিনি। একরামের ঘনিষ্ঠ আরেক সহকর্মী জানান, নিজাম হাজারী একরামকে দেখে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেন। একরামের রাজনৈতিক সহকর্মী দুজন নেতা বলেন, ফেনীতে নিজাম হাজারী সব সময় তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতেন একরামকে।
১৯৮৩ সাল থেকে ফেনীর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন একরাম। জয়নাল হাজারীর অনুসারী ছিলেন তিনি। এক-এগারোর সময় জয়নাল হাজারী ফেনী থেকে বিতাড়িত হলেও জেলার রাজনীতিতে অবস্থান ধরে রাখেন তিনি। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন একরাম। তবে রাজনৈতিক কৌশলে ধরাশায়ী হয়ে মনোনয়নবঞ্চিত হতে হয় তাঁকে। তবে পিছু হটেননি তিনি। অভিযোগ আছে, মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পর নিজাম হাজারী তাঁকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য উৎসাহ দেন, যাতে এ ছুতো ধরে পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সুযোগ পাওয়া যায়। তবে সে প্রলোভনে পা দেননি একরাম। আবারও নির্বাচন করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে। তত দিনে ফেনীর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে যান নিজাম উদ্দিন হাজারী। এমপি হয়ে উপজেলা নির্বাচনেও একরামকে অসহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে শুধু নিজের রাজনৈতিক কৌশল দিয়ে আর ব্যাপক ভোট চুরির মাধ্যমে বিএনপি এর ঘাটিতে একরাম জিতে আসেন উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে।
নিজাম হাজারী ফেনীতে ঘাঁটি করে নেওয়ার পর এ পর্যন্ত একরামের সঙ্গে ছোট-বড় অসংখ্য বিরোধের সৃষ্টি হয়। ফেনীর কয়েকজন প্রবীণ নেতা বলেন, এত বড় একটি ঘটনা ঘটেছে ফেনীতে, কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা নেই বললেই চলে। মুখ খুলতে চান না অনেকেই।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডার বাণিজ্য, ফেনীর ডায়াবেটিক হাসপাতালের আধিপত্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কমিটি ঘোষণা নিয়ে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম হাজারীর সঙ্গে একরামের বিরোধ শুরু হয়। ফেনীর পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডিসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন একরাম চেয়ারম্যান। এ নিয়ে দু-তিন দফা নিজাম হাজারীর বাহিনীকে আটকে রাখে একরামের দলবল। ডায়াবেটিক হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ ছিল একরামের কাছে। গত বছর এর আধিপত্য নিতে যায় নিজাম হাজারীর ঘনিষ্ঠ ও তাঁর ‘বুদ্ধিদাতা’ হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর কবির আদেল ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদ। তাঁরা ডায়াবেটিক হাসপাতালে একরামের রুমে তালাও ঝুলিয়ে দেন। পরে জেলার অন্য নেতাদের মধ্যস্থতায় আধিপত্য একরামেরই থাকে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচন নিয়ে চরম বিরোধ সৃষ্টি হয় নিজাম হাজারীর সঙ্গে একরামের। একরামের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় একরাম চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হন। এটা মেনে নেননি নিজাম হাজারী। ফলে নির্বাচনে পরাজিত করতে ভেতরে ভেতরে নিজাম হাজারী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মিনার চৌধুরীর সঙ্গে হাত মেলান। এতে বেকায়দায় পড়ে যান একরাম। তবে একরাম উপজেলা নির্বাচনে এমপির বিরোধিতার জবাব দেন অন্যভাবে। একসময়ের নিজাম হাজারী ও একরামের রাজনৈতিক গুরু ফেনীর গডফাদারখ্যাত জয়নাল হাজারীকে হেলিকপ্টারযোগে ফেনী পাইলট হাই স্কুল মাঠে নিয়ে আসেন একরাম। বলা হয়, এর মধ্য দিয়ে নিজাম হাজারীকে হুমকি প্রদর্শন করে একরাম। এ বিষয়টিও ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ করে নিজাম হাজারীকে। এর ফলে দুজনের বিরোধ আরো চাঙ্গা হতে শুরু করে। নিজাম হাজারী তখন থেকে মনে করে, জয়নাল হাজারীর সঙ্গে একরামের যোগাযোগ রয়েছে। এটি যেকোনো সময়ে তাঁর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। এরই সূত্র ধরে উপজেলা নির্বাচনে একরামের নির্বাচনী গণসংযোগেও প্রথম প্রথম যাননি নিজাম হাজারী। বরং অভিযোগ আছে, একরামের নির্বাচনী গণসংযোগে নিজাম বাহিনীর লোকজন কয়েক দফা হামলা চালায়। আরো অভিযোগ আছে, একরামের নির্বাচনী প্রচারণায় থাকা দুটি গাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় নিজাম বাহিনীর দলবল। অবশ্য পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যস্থতা ও কেন্দ্রীয় উদ্যোগের ফলে নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে একরামের পক্ষে সমর্থন দেন নিজাম হাজারী।
আরো জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন ফুলগাজী উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী। এলাকায় তাঁর নেতিবাচক ইমেজের কারণে একরাম তাঁকে প্রার্থী হতে দিতে চাননি। জানা গেছে, জাহিদ চৌধুরী নিজাম হাজারীর ঘনিষ্ঠ কর্মী। একরামের এ আচরণেও ক্ষুব্ধ হন নিজাম হাজারী ও জাহিদ চৌধুরী।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে সাজা কম খেটে জালিয়াতি করে জেল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে সংবাদ প্রকাশ পেয়েছে, এর সঙ্গে একরামের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সন্দেহ করে নিজাম হাজারী। এ বিষয়টি নিয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন নিজাম হাজারী। একরামকে সরাসরি দোষারোপ করেন তিনি। একরামের ঘনিষ্ঠ আরেক সহকর্মী জানান, নিজাম হাজারী একরামকে দেখে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেন। একরামের রাজনৈতিক সহকর্মী দুজন নেতা বলেন, ফেনীতে নিজাম হাজারী সব সময় তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতেন একরামকে।
Thursday, March 27, 2014
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করবা?
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করবা?
কর..সমস্যা নাই...
জামায়াতের প্রতিষ্ঠান করায়ত্ব করতে চাও?
না...তাতেও সমস্যা হবেনা... (ইনশাআল্লাহ)
ভাবিয়া কর্ম কর হে মিস্টের বাকশাল!
তোমার যে জন্য কামটা হাতে নিয়েছ,তার ফল কী আদৌ পাবে?
"আমাকে পিটালে,বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিলে,জেলে ঢুকালে.শেষে গুলি করে হত্যা করলে...
ফলাফল কী পেলে?
গত উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান আমার (জামায়াতের) ছিল ৫-১২,এবার পেয়েছি ৩৩-১০৩.যদিও এখন শেষ হইনি.
এরপর নিষিদ্ধ করলে ফলাফল কেমন হতে পারে?
এইযে বাকশাল!!! আমি প্রস্তুত...আমার জন্ম এমনভাবে...আমার পথচলাও এমন:জামায়াত"
দ্রোহের আগুন
দায়িত্ব দিলে বিনা পয়সায় ১০ লাখ লোক সমাগম করতাম : শিবির নেতা
দায়িত্ব দিলে বিনা পয়সায় ১০ লাখ লোক সমাগম করতাম : শিবির নেতা
26 Mar
দশ লাখ লোকের সমাগম ঘটিয়ে জাতীয় সংগীতের বিশ্ব রেকর্ড করা যেত বলে দাবী করেছে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারী আবু সালেহ ইয়াহইয়া।তিনি আজ দুপুরে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই দাবী করেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৯০ কোটি টাকা খরচ করে যে রেকর্ড অর্জন করেছে ছাত্রশিবিরকে দায়িত্ব দিলে বিনা পয়সায় ১০ লাখ লোকের সমাগম ঘটিয়ে এ রেকর্ড গড়া সম্ভব হতো বলেও তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন। আগামী ডিসেম্বরে ছাত্রশিবিরকে একবারের জন্য এ দায়িত্ব দিয়ে দেখার জন্যও তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
নীচে তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
দুই লাখ ৫৪ হাজার ছয়শত ৮১ জন মিলে জাতীয় সঙ্গীত গেঁয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। ষোলকোটি মানুষের মধ্যে এ সংখ্যা নিতান্তই কম। যে কোন দেশ খুব সহজেই ভেঙে দিতে পারে এ রেকর্ড। ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা আর রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৯০ কোটি টাকা খরচ করে বাংলাদেশ অর্জন করলো এ কৃতিত্ব। যদি ছাত্রশিবিরকে এ আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হতো আর সময় দেয়া হতো মাত্র তিন দিন, তাহলে কমপক্ষে দশ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটিয়ে বিশাল রেকর্ড গড়া সম্ভব হতো। আর খরচ..? রাষ্ট্রের এক টাকাও খরচ না করে একমাত্র শিবিরের পক্ষেই এমন কাজ করা সম্ভব। বিশ্বাস না হলে আগামী ষোল ডিসেম্বরে দায়িত্বটা একবার দিয়েই দেখেন না, কেমনে কি হয়……?
26 Mar
দশ লাখ লোকের সমাগম ঘটিয়ে জাতীয় সংগীতের বিশ্ব রেকর্ড করা যেত বলে দাবী করেছে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারী আবু সালেহ ইয়াহইয়া।তিনি আজ দুপুরে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই দাবী করেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৯০ কোটি টাকা খরচ করে যে রেকর্ড অর্জন করেছে ছাত্রশিবিরকে দায়িত্ব দিলে বিনা পয়সায় ১০ লাখ লোকের সমাগম ঘটিয়ে এ রেকর্ড গড়া সম্ভব হতো বলেও তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন। আগামী ডিসেম্বরে ছাত্রশিবিরকে একবারের জন্য এ দায়িত্ব দিয়ে দেখার জন্যও তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
নীচে তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
দুই লাখ ৫৪ হাজার ছয়শত ৮১ জন মিলে জাতীয় সঙ্গীত গেঁয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। ষোলকোটি মানুষের মধ্যে এ সংখ্যা নিতান্তই কম। যে কোন দেশ খুব সহজেই ভেঙে দিতে পারে এ রেকর্ড। ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা আর রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৯০ কোটি টাকা খরচ করে বাংলাদেশ অর্জন করলো এ কৃতিত্ব। যদি ছাত্রশিবিরকে এ আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হতো আর সময় দেয়া হতো মাত্র তিন দিন, তাহলে কমপক্ষে দশ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটিয়ে বিশাল রেকর্ড গড়া সম্ভব হতো। আর খরচ..? রাষ্ট্রের এক টাকাও খরচ না করে একমাত্র শিবিরের পক্ষেই এমন কাজ করা সম্ভব। বিশ্বাস না হলে আগামী ষোল ডিসেম্বরে দায়িত্বটা একবার দিয়েই দেখেন না, কেমনে কি হয়……?
Monday, March 10, 2014
বিএনপি ছাড়াই মহাসমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী
বিএনপি ছাড়াই মহাসমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী
উপজেলা নির্বাচনের পর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নিজেদের অবস্থান জানান দিতে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটির একাধিক দয়িত্বশীল সূত্র। এ মহাসমাবেশে তারা বিএনপির কোনো সহায়তা নেবে না বলেও জানা গেছে।
পাশাপাশি সহিংস আন্দোলন ছেড়ে সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ফিরতে চায় দলটি। একই সঙ্গে দলকে শক্তিশালী করতে নতুন নতুন ফর্মুলাও খুঁজছেন শীর্ষ নেতারা। জামায়াতের এমন অবস্থানের কথা বাংলামেইলকে জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা।
তারা জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। এতে ১০ লাখের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থকের সমাবেশ ঘটানোর চেষ্টা থাকবে। এজন্য বেশ কিছুদিন আগ থেকেই সারাদেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দলছে দাওয়াতের কাজও।
জানা গেছে, রাজধানীতে দুর্গ গড়ার লক্ষ্যে মহাসমাবেশের এ আয়োজন করা হচ্ছে। এজন্য ঢাকা মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবিরত সাংগঠনিক বৈঠক চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলায়গুলোতেও চলছে সাংগঠিনক শক্তি বাড়ানোর মহড়া।
সমাবেশ সম্পর্কে ঢাকা মহানগর জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য এ প্রোগ্রামটি এ বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা করণে সমাবেশটি করতে দেরি হচ্ছে। তাছাড়া সরকারের কঠোর নজরদারি ও মনোভাবের কারণে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে কেন্দ্রের বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছানো যাচ্ছে না। এজন্য সমাবেশের আয়োজন করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কঠোর হিংসাত্মক মনোভাবের কারণে দেশবাসীর মনোভাব এখন জামায়াতের দিকে বেশি, যা গত দুই দফায় অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় জামায়াতকে আরো সাহস দিচ্ছে। উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে সমাবেশের পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া হবে।’
সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাচনে মোটামুটি ভালো ফল অর্জনের পর কেন্দ্রীয়ভাবে একলা চলার নীতি অবলম্বন করে নিজেদের অস্তিত্ব আরো বেশি জানান দিতে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিই সম্ভাব্য এ সমাবেশের প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে জামায়াত নিষিদ্ধ করতে আদালতে মামলা, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন বাতিল, যুদ্ধাপরাধসহ ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও ট্রাইব্যুনাল থেকে একের পর এক ফাঁসি ও যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশ আসছে কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে। তাছাড়া জামায়াতকে মিছিল মিটিং করতে না দেয়া, রাস্তায় দেখলেই গ্রেপ্তার, হামলা মামলাসহ সরকারের কঠোর অবস্থানের মধ্যেই নেয়া হয়েছে সম্ভাব্য এ মহাসমাবেশের প্রস্তুতি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদের ওই সদস্য বাংলামেইলকে বলেন, ‘সরকার যতই জুড়িশিয়াল কিলিং, হামলা-মামলা, নির্যাতন গ্রেপ্তার করুক ইসলামি আন্দোলনের কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখতে পারবে না। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যুগে যুগে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসলমান শহীদ হয়েছেন। এ আন্দোলনের সৈনিকরা সব সময় শহীদ হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাবেশের প্রস্তুতি ঠিকমতোই চলছে। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। কিন্তু সরকার চায় না আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করি। এ জন্যই তারা বার বার আমাদের ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালাচ্ছে।’
তিনি আরো জনান, উপজেলা নির্বাচন শেষে যে কোনো দিন মহাসমাবেশের জন্য স্থান চাওয়া হবে। এটা কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় আরেক নেতা বলেন, ‘সরকার সমাবেশের অনুমতি না দিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। যে কোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করা হবে।’
জামায়াতের এমন প্রস্তুতির পাশাপাশি সম্ভাব্য মহাসমাবেশকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। যে কোনো মূল্যে এটি সফল করা হবে বলেও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তারা। এজন্য রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সংগঠনটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
জামায়াত মনে করে হরতাল অবরোধে দেশব্যাপী যে তাণ্ডব হয়েছে এজন্য সরকারই দায়ী। তারা বলছেন, সরকার যদি তাদের নেতাকর্মীদের ওপর তাণ্ডব না চলাতো তাহলে যে কোনো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই পালিত হতো। বাধা আসায় তার জবাব দিতে গিয়েই সহিংসতা হয়েছে।
অপন একটি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী আবারো সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জামায়াত। এরমধ্যে তফসিল ঘোষিত এলাকাগুলোতে নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছে জামায়াত। এর মাধ্যমে দলের দাওয়াত ও আদর্শ সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে দলটির পক্ষ থেকে।
সূত্র আরো জনায়, উপজেলা নির্বাচনের পর থেকে হরতাল আহ্বানসহ সরকার পতনের যে কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুত করা হচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের। এজন্য দেশের সব জেলা, থানা, ইউনিট শাখা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। নিষ্ক্রিয় নেতাদেরও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে।
সুত্রঃ বাংলামেইল
উপজেলা নির্বাচনের পর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নিজেদের অবস্থান জানান দিতে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটির একাধিক দয়িত্বশীল সূত্র। এ মহাসমাবেশে তারা বিএনপির কোনো সহায়তা নেবে না বলেও জানা গেছে।
পাশাপাশি সহিংস আন্দোলন ছেড়ে সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ফিরতে চায় দলটি। একই সঙ্গে দলকে শক্তিশালী করতে নতুন নতুন ফর্মুলাও খুঁজছেন শীর্ষ নেতারা। জামায়াতের এমন অবস্থানের কথা বাংলামেইলকে জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা।
তারা জানিয়েছেন, সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে রাজধানীতে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। এতে ১০ লাখের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থকের সমাবেশ ঘটানোর চেষ্টা থাকবে। এজন্য বেশ কিছুদিন আগ থেকেই সারাদেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দলছে দাওয়াতের কাজও।
জানা গেছে, রাজধানীতে দুর্গ গড়ার লক্ষ্যে মহাসমাবেশের এ আয়োজন করা হচ্ছে। এজন্য ঢাকা মহানগরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অবিরত সাংগঠনিক বৈঠক চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলায়গুলোতেও চলছে সাংগঠিনক শক্তি বাড়ানোর মহড়া।
সমাবেশ সম্পর্কে ঢাকা মহানগর জামায়াতের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য এ প্রোগ্রামটি এ বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা করণে সমাবেশটি করতে দেরি হচ্ছে। তাছাড়া সরকারের কঠোর নজরদারি ও মনোভাবের কারণে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে কেন্দ্রের বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছানো যাচ্ছে না। এজন্য সমাবেশের আয়োজন করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কঠোর হিংসাত্মক মনোভাবের কারণে দেশবাসীর মনোভাব এখন জামায়াতের দিকে বেশি, যা গত দুই দফায় অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় জামায়াতকে আরো সাহস দিচ্ছে। উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে সমাবেশের পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া হবে।’
সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাচনে মোটামুটি ভালো ফল অর্জনের পর কেন্দ্রীয়ভাবে একলা চলার নীতি অবলম্বন করে নিজেদের অস্তিত্ব আরো বেশি জানান দিতে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিই সম্ভাব্য এ সমাবেশের প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে জামায়াত নিষিদ্ধ করতে আদালতে মামলা, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন বাতিল, যুদ্ধাপরাধসহ ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও ট্রাইব্যুনাল থেকে একের পর এক ফাঁসি ও যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশ আসছে কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে। তাছাড়া জামায়াতকে মিছিল মিটিং করতে না দেয়া, রাস্তায় দেখলেই গ্রেপ্তার, হামলা মামলাসহ সরকারের কঠোর অবস্থানের মধ্যেই নেয়া হয়েছে সম্ভাব্য এ মহাসমাবেশের প্রস্তুতি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদের ওই সদস্য বাংলামেইলকে বলেন, ‘সরকার যতই জুড়িশিয়াল কিলিং, হামলা-মামলা, নির্যাতন গ্রেপ্তার করুক ইসলামি আন্দোলনের কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখতে পারবে না। ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যুগে যুগে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসলমান শহীদ হয়েছেন। এ আন্দোলনের সৈনিকরা সব সময় শহীদ হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাবেশের প্রস্তুতি ঠিকমতোই চলছে। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। কিন্তু সরকার চায় না আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করি। এ জন্যই তারা বার বার আমাদের ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালাচ্ছে।’
তিনি আরো জনান, উপজেলা নির্বাচন শেষে যে কোনো দিন মহাসমাবেশের জন্য স্থান চাওয়া হবে। এটা কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় আরেক নেতা বলেন, ‘সরকার সমাবেশের অনুমতি না দিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। যে কোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করা হবে।’
জামায়াতের এমন প্রস্তুতির পাশাপাশি সম্ভাব্য মহাসমাবেশকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। যে কোনো মূল্যে এটি সফল করা হবে বলেও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তারা। এজন্য রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সংগঠনটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
জামায়াত মনে করে হরতাল অবরোধে দেশব্যাপী যে তাণ্ডব হয়েছে এজন্য সরকারই দায়ী। তারা বলছেন, সরকার যদি তাদের নেতাকর্মীদের ওপর তাণ্ডব না চলাতো তাহলে যে কোনো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই পালিত হতো। বাধা আসায় তার জবাব দিতে গিয়েই সহিংসতা হয়েছে।
অপন একটি সূত্র জানায়, দেশব্যাপী আবারো সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জামায়াত। এরমধ্যে তফসিল ঘোষিত এলাকাগুলোতে নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছে জামায়াত। এর মাধ্যমে দলের দাওয়াত ও আদর্শ সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে দলটির পক্ষ থেকে।
সূত্র আরো জনায়, উপজেলা নির্বাচনের পর থেকে হরতাল আহ্বানসহ সরকার পতনের যে কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুত করা হচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের। এজন্য দেশের সব জেলা, থানা, ইউনিট শাখা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। নিষ্ক্রিয় নেতাদেরও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে।
সুত্রঃ বাংলামেইল
বাংলাদেশ মহিলা জামায়াত কেনো এগিয়ে আছেন?
বাংলাদেশ মহিলা জামায়াত কেনো এগিয়ে আছেন?
আজ জামায়াত
অফিসে সাংগাঠনীক কাজের জন্য গিয়ে দেখি ৬৮ জন মহিলাদের রুকন শপথ নিচ্ছে। তার মাঝে একজন মহিলা কে দেখলাম যার কিনা ভোর ৪ টায় একটি সন্তান হয়েছে। সেই শিশু সন্তান সাথে নিয়ে বিকাল ৪ টায় শপথ নিলেন ।
দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না ।মা ও শিশুর জন্য অনেক দোয়া করলাম।
ইসলামী আন্দোলোনের কর্মীদের কোন কিছুই বাধা হতে পারে না তারা সব সময় , সব অবস্থায় কাজ করে যায়।
লিখাটি মাহমুদা সুলতানা মিনু আপুর পোফাইল থেকে নিলাম। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই আদর্শের কাছে কোনো শক্তি কাজ হয়?
সংগৃহীত...
আজ জামায়াত
অফিসে সাংগাঠনীক কাজের জন্য গিয়ে দেখি ৬৮ জন মহিলাদের রুকন শপথ নিচ্ছে। তার মাঝে একজন মহিলা কে দেখলাম যার কিনা ভোর ৪ টায় একটি সন্তান হয়েছে। সেই শিশু সন্তান সাথে নিয়ে বিকাল ৪ টায় শপথ নিলেন ।
দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না ।মা ও শিশুর জন্য অনেক দোয়া করলাম।
ইসলামী আন্দোলোনের কর্মীদের কোন কিছুই বাধা হতে পারে না তারা সব সময় , সব অবস্থায় কাজ করে যায়।
লিখাটি মাহমুদা সুলতানা মিনু আপুর পোফাইল থেকে নিলাম। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই আদর্শের কাছে কোনো শক্তি কাজ হয়?
সংগৃহীত...
Friday, February 28, 2014
দীপু মনির নির্বাচনী এলাকায় জামায়াতের উত্থান!
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনির নির্বাচনী এলাকায় শোচনীয়ভাবে হেরেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এখানে উত্থান ঘটেছে জামায়াতের।
চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হলেও পরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীকে হারিয়ে বিশাল ভোটে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চাঁদপুর সদর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত একক চেয়ারম্যান, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। একইভাবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত একক চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিলেও জয় পায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী।
২১ হাজার ৩শ ৭৮ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ইউসুফ গাজী হেরে যান বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান সফিকুজ্জামানের কাছে। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত মুনীরা বেগমের কাছে আওয়ামীলীগ সমর্থিত শিপ্রা দাস হারেন ৪৪ হাজার ৬শ ভোটের ব্যবধানে।
আর পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল পাটওয়ারী ও বিদ্রোহী প্রার্থী বেলায়েত হোসেন বিল্লাল ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শহর জামায়াতের আমীর এড. শাহজাহান মিয়া। তিনি পান ৫৪ হাজার ১শ ৭২ ভোট।
আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাত্র ২৫৬৬৭ ভোট পেয়ে হন তৃতীয়। বিশাল ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীর বিজয় নিয়ে চাঁদপুরে খোদ বিএনপির মধ্যেই চলছে নানা হিসাব নিকাশ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনির নির্বাচনী এলাকায় শোচনীয়ভাবে হেরেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। এখানে উত্থান ঘটেছে জামায়াতের।
চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হলেও পরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীকে হারিয়ে বিশাল ভোটে জয়ী হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী।
২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চাঁদপুর সদর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত একক চেয়ারম্যান, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেয়। একইভাবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত একক চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিলেও জয় পায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী।
২১ হাজার ৩শ ৭৮ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ইউসুফ গাজী হেরে যান বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান সফিকুজ্জামানের কাছে। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত মুনীরা বেগমের কাছে আওয়ামীলীগ সমর্থিত শিপ্রা দাস হারেন ৪৪ হাজার ৬শ ভোটের ব্যবধানে।
আর পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল পাটওয়ারী ও বিদ্রোহী প্রার্থী বেলায়েত হোসেন বিল্লাল ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শহর জামায়াতের আমীর এড. শাহজাহান মিয়া। তিনি পান ৫৪ হাজার ১শ ৭২ ভোট।
আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাত্র ২৫৬৬৭ ভোট পেয়ে হন তৃতীয়। বিশাল ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীর বিজয় নিয়ে চাঁদপুরে খোদ বিএনপির মধ্যেই চলছে নানা হিসাব নিকাশ।
Sunday, February 16, 2014
আবার সেই নোংরা পথেই হাটছে আওয়ামীলীগ
আবার সেই নোংরা পথেই হাটছে আওয়ামীলীগ। হেফাজতকে,বাংলার ইসলাম মুসলমানকে জঙ্গি প্রমান করতে,এবং বিএনপিকে হঠাতে গিয়ে তারা র-য়ের সাহায্যে ব্যবহার করলো ইজরাইলের মোসাদকে!
মার্কিন এবং পশ্চিমা বিশ্ব যেহেতু এখন বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্রকে সহায়তা করছে, আর সেটা বিএনপির পক্ষে যাচ্ছে, তাই পশ্চিমা বিশ্বকে বাংলাদেশ সম্পর্ক তাদেরকে ভুল মেসেজ দেয়ার জন্য এই তথাকথিত “আল কায়েদা” বড়ি ছেড়েছে মোসাদ!
হাসিনার মূল লক্ষ ক্ষমতায় থাকা; আর সে কারনেই বাংলাদেশের মুসলমানদেকে নিয়ে এইসব অপপ্রচার। মনে পড়ে, ২০০৭ সালে “ওয়ান ইলেভেনের ঠিক আগে আগে ভারতীয়দের আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে Another Afghanistan.....Hub of Terrorism....নানা বিধ নিউজ ও কলাম লেখানো হয়েছিল, যা পুরোটাই ছিল বানোয়াট, মূলত: মইনের সামরিক শাসনের জন্য পশ্চিমাদেরকে ব্যবহার করার অপচেষ্টা ছিল।
একটা কথা পরিস্কার। বাংলাদেশে ধর্মযুদ্ধ বা জিহাদের কোনো পরিবেশ বা সুযোগ নাই। দেশে এখন যা চলছে তা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও ক্ষমতা দখলের লড়াই। এটাকে ভুল ব্যাখা করার কেনো সুযোগ নাই।
মার্কিন এবং পশ্চিমা বিশ্ব যেহেতু এখন বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্রকে সহায়তা করছে, আর সেটা বিএনপির পক্ষে যাচ্ছে, তাই পশ্চিমা বিশ্বকে বাংলাদেশ সম্পর্ক তাদেরকে ভুল মেসেজ দেয়ার জন্য এই তথাকথিত “আল কায়েদা” বড়ি ছেড়েছে মোসাদ!
হাসিনার মূল লক্ষ ক্ষমতায় থাকা; আর সে কারনেই বাংলাদেশের মুসলমানদেকে নিয়ে এইসব অপপ্রচার। মনে পড়ে, ২০০৭ সালে “ওয়ান ইলেভেনের ঠিক আগে আগে ভারতীয়দের আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে Another Afghanistan.....Hub of Terrorism....নানা বিধ নিউজ ও কলাম লেখানো হয়েছিল, যা পুরোটাই ছিল বানোয়াট, মূলত: মইনের সামরিক শাসনের জন্য পশ্চিমাদেরকে ব্যবহার করার অপচেষ্টা ছিল।
একটা কথা পরিস্কার। বাংলাদেশে ধর্মযুদ্ধ বা জিহাদের কোনো পরিবেশ বা সুযোগ নাই। দেশে এখন যা চলছে তা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও ক্ষমতা দখলের লড়াই। এটাকে ভুল ব্যাখা করার কেনো সুযোগ নাই।
‘ছিয়ানব্বইয়ের নির্বাচনের চেয়ে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন কয়েক শ গুণ বেশি খারাপ’ : রনি
‘ছিয়ানব্বইয়ের নির্বাচনের চেয়ে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন কয়েক শ গুণ বেশি খারাপ’
গোলাম মাওলা রনি। রাজনীতিবিদ। সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সাংবাদিক হিসেবেও পরিচয় দিতে তিনি ভালোবাসেন। বর্তমান সরকারের বিগত টার্ম শুরুর সময় থেকেই সংসদ ও সংসদের বাইরে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। বিশেষ করে, টেলিভিশন ‘টক শো’তে সরকারের সমালোচনা তাকে ব্যাপক আলোচিত করে। জনগণের সমর্থন পান, জনপ্রিয় হন। আবার সাংবাদিক নির্যাতন করে নিন্দিতও হন তিনি। ২০১৩ সালের ২০ জুলাই, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ইনডিপেনডেন্টের সাংবাদিককে প্রহার করলে দেশ-বিদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ঘটনার জের ধরেই তাকে কারাগারে যেতে হয়। আলোচিত, বিতর্কিত এই তরুণ রাজনীতিক সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছিলেন সাপ্তাহিক কাগজের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আশিক রহমান।
প্রশ্নঃ আপনার একাধিক পরিচয় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে। কোন পরিচয়ে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?
গোলাম মাওলা রনিঃ নিজেকে আমি মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমরা সবাই মানুষ। মানুষ যে কারণে মানুষ, সেটা মানবিক গুণাবলির কারণেই মানুষ। আমরা সমাজে অনেকেই নিজেকে অনেক বড় মানুষ হিসেবে পরিচয় দিই, কিন্তু মানবিক গুণাবলি সংরক্ষণ করা বা মানবিক গুণাবলির প্রচার-প্রসার করার ক্ষেত্রে আমরা প্রচণ্ড স্বার্থপর। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই কিছু মানবিক গুণাবলি সঞ্চিত থাকে, আবার অমানবিক গুণাবলিও সঞ্চয় থাকে। কিন্তু আমরা কী করি- মানবিক গুণাবলি লুকিয়ে রেখে, অমানবিক গুণাবলিই প্রকাশ করি। আর সেই সব মানুষই সমাজে সবচেয়ে বড় মানুষ হিসেবে পরিচিত হন। অমানবিক গুণাবলিকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে সাহস পান। যা বেশির ভাগ মানুষই করেন না, তা-ই তারা করেন। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব। আমাদের মানুষ হওয়ার চেষ্টা থাকা দরকার। মানুষের বিবেক, মানুষের ভদ্রতা, মানুষের ধর্মবোধ, মানুষের জ্ঞান যা কিছু আলস্নাহ তাআলা দিয়েছেন, তার সঠিক ব্যবহার করার চেষ্টা করছি আমি। তার পরও যদি জানতে চান, কোন কাজটি করতে আমি পছন্দ করি কিংবা কোন পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, তাহল বলব, সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কারণ সাংবাদিকতা হলো যোগ্যতা, মেধাবী ও সৃষ্টিশীল মানুষের কাজ। সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি আমার আগ্রহ সব সময়ের।
প্রশ্নঃ দশম সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন নিতে চাননি কেন? আগে থেকেই কি বুঝতে পেরেছিলেন, দল আপনাকে মনোনয়ন দেবে না ?
গোলাম মাওলা রনিঃ দলের মনোনয়ন নেওয়াটা ব্যাপার ছিল না। মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমার বিশ্বাস ছিল। মনোনয়ন না চাওয়ার কয়েকটি কারণ রয়েছে। তার মধ্যে দলের হাইকমাণ্ডের সঙ্গে আমার যে সুসম্পর্ক ছিল, বিশ্বাস ও আস্থা ছিল, কারাগারে যাওয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে আমার প্রতি তাদের আস্থাটা কমে গেছে। ফলে ওই অবস্থাতে দলের মনোনয়ন চাওয়াটা আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছে। আর, সব দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত, তাহলে হয়তো আমি মনোনয়ন চাইতাম। সার্বিক পরিস্থিতিতে আমি হয়তো স্বতন্ত্র প্রার্থীও হতাম। সব দল অংশগ্রহণ না করার কারণে আমার কাছে মনে হলো যে এবারের নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করবেন, তারা কখনো জাতির কাছে, দেশের মানুষের কাছে সম্মানিত মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত হবেন না, বরং ভবিষ্যতে যখন তারা বলবেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আমি একজন এমপি ছিলাম, তখন মানুষ এমপিকে ঠাট্টা-মশকরা করবেন। সমালোচনা করবেন। যেমন অতীতের ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা করতে শুনি, এটা ’৯৬ সালের নির্বাচনের চেয়েও অধিকতর খারাপ। ’৯৬ সালের নির্বাচনকে যেভাবে মানুষ খারাপ মনে করছে, খারাপের দিক থেকে ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালের নির্বাচন কয়েক শ গুণ বেশি খারাপ।
প্রশ্নঃ দল কিংবা প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান কি তাহলে ভুল ছিল? প্রধানমন্ত্রী ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন···
গোলাম মাওলা রনিঃ আমি মনে করছি, এই রকম একটি দলের কর্তাব্যক্তিরা যারা সব সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দীপনা জুগিয়েছেন, দলের কোটি কর্মী-সমর্থক যারা দলের মালিক, তারা কেউ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করতে চায়নি। ফলে দলকে দায়ী করা যায় না। দলের কিছু কর্তাব্যক্তি, কর্মকর্তা- যারা বুঝেছিলেন যে তাদের জনপ্রিয়তা নেই। ওই ব্যক্তিরাই প্রধানমন্ত্রীকে প্রভাবিত করেছেন, উদ্বুদ্ধ করেছেন, উৎসাহিত করেছেন নির্বাচনে যাওয়ার জন্য। আমাদের দলে আড়াই শর মতো সংসদ সদস্য ছিলেন, এর মধ্যে শ দুয়েক এমপি ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আস্থাশীল ছিলেন না। সরাসরি ভোট যুদ্ধে জয়লাভ করার ব্যাপারে নিজেরাই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেই লোকগুলোই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল নীতিনির্ধারক পর্যায়ে। ওই লোকগুলোই একটি ভোটারবিহীন নির্বাচনে দলকে ঠেলে দিয়ে, এত বড় ঐতিহ্যবাহী একটি দলকে কলঙ্কিত করেছে, অসম্মানের মুখে ফেলেছে। দেশের লাখ লাখ আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক আছেন, যারা এই কথাগুলো ভাবছেন, কিন্তু বলতে পারছেন না। বলার জায়গা পাচ্ছেন না। আমি তাদের পক্ষে হয়ে কথা বলেছি, দল থেকে মনোনয়ন পেপার না নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি।
প্রশ্নঃ বর্তমানে আওয়ামী লীগে আপনার অবস্থান কী ?
গোলাম মাওলা রনিঃ আমি একজন সংসদ সদস্য ছিলাম। এর আগে আমি আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলাম, কিন্তু আমার কোনো পদ-পদবি ছিল না। আমি এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী আছি। তাই মনে করি আমি। আর, আমার যে চরিত্র, আমি যদি কখনো কর্মী-সমর্থকদের থেকে বিছিন্ন হয়ে যাই, তাহলে আমি দেশবাসীকে জানিয়ে প্রকাশ্য বলব, আমি আর টিকতে পারছি না। আমি দল ছেড়ে দিলাম। আমি যতক্ষণ না তা বুঝছি, ততক্ষণ আমি দলের চিন্তা-চেতনায়, আদর্শের প্রতি আস্থাশীল আছি। দলের সঙ্গেও আছি। দলের সবার সঙ্গেও আমার যোগাযোগ রয়েছে।
প্রশ্নঃ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কি যোগাযোগ আছে?
গোলাম মাওলা রনিঃ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ কিংবা কথা- কোনোটাই হয় না আমার। কেন কথা হয় না, আমার মনে হয়েছে তার নির্দেশেই আমাকে কারাগারে যেতে হয়েছে। উনি আমাকে স্নেহ করতেন। আমিও তাকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আমি কোনো কারণ খুঁজে পাইনি, কেন তিনি আমাকে কারাগারে পাঠালেন? আমি অপেক্ষায় আছি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার, কথা বলার জন্য। আমার অভিমানের জায়গাটা পরিষ্ড়্গার করার জন্য। আর, প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর অভিমান করেননি, রাগ করেছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর ওপর অভিমান করেছি। কারণ, তিনি আমাকে জোর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমার ওপর জুলুম করেছেন। আমি জুলুমের শিকার হয়েছি। তিনি আমাকে শাস্তি দিয়েছেন। তিনি তো আমার ওপর রাগ কিংবা অভিমান করতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রী তার কর্মীদের ওপর অভিমান করেন না, ক্ষুব্ধ হন। তিনি আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ক্ষুব্ধ হয়ে শাস্তি দিয়েছেন। শাস্তি দেওয়ার ফলে আমার মনে হয়েছে, উনার ওপর আমার একটা অধিকার তৈরি হয়েছে। উনি আমার মান ভাঙাবেন। এটা আমার পাওনা। এখন আমি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। তিনি যদি মনে করেন, রনিকে আওয়ামী লীগে দরকার রয়েছে, তাহলে আমি থাকব। যদি তিনি মনে করেন, রনির দরকার নেই, আমি থাকব না। তিনি যদি চুপচাপ থাকেন, আমিও চুপচাপ থেকে কাজ করে যাব দলের জন্য।
প্রশ্নঃ শোনা যাচ্ছে, বিএনপি থেকে তো আপনাকে প্রস্তাব দিয়েছে···। নতুন দল গঠন কিংবা দল বদল করছেন?
গোলাম মাওলা রনিঃ হঁ্যা, আমার কাছে প্রতিনিয়ত প্রস্তাব আসছে। নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে। বিএনপি থেকে এসেছে, জাতীয় পার্টি থেকে এসেছে, ছোট ছোট দলগুলো থেকেও এসেছে। আমি চিন্তা করছি, দেশে যদি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাহলে ভারতের আম আদমীর মতো নতুন কোনো দল গঠন করা যায় কি না, যেখানে থাকবেন তরুণেরা। আমার যে পরিচিতি গড়ে উঠেছে, আমি ডাকলে অনেকেই আসবেন। দেশ-বিদেশে থাকা অনেক তরুণেরা আসবেন। কিন্তু তাদেরকে জায়গা দেওয়ার মতো যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ দরকার, সে পরিবেশটা যদি সৃষ্টি না হয়, তাহলে তো তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন। আর গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় না, পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে যায়। ঊনসত্তরের কথাই ধরুন- ঊনসত্তরের গণ-অভুøত্থান বঙ্গবন্ধু সৃষ্টি করেননি, বঙ্গবন্ধুই ঊনসত্তরের সৃষ্টি। এ দেশের গণতন্ত্র কেউ সৃষ্টি করেননি, নব্বইয়ের গণ-অভুøত্থান সৃষ্টি হয়েছে। তারপর এ দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আম আদমীর দলটির সৃষ্টির জন্য ভারতকে ৬০-৭০ বছর ধরে গণতন্ত্রচর্চা করতে হয়েছে। তা সম্্ভব হয়েছে তাদের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক চর্চায়। আজ যদি আমি ঢাকা শহরে এক লাখ কর্মী নিয়ে সমাবেশ করি, বর্তমান দেশে যে রাজনৈতিক সংস্ড়্গৃতি আছে, যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা কখনোই এ ধরনের একটি সমাবেশ করতে দেবে না। আর যদি কোনো কারণে সরকার সমাবেশ করতে দেয়, তাহলে সরকারি দল ও বিরোধী দল এক হয়ে, সমাবেশের বিরুদ্ধাচরণ করবে। এর ফলে যে তরুণেরা আছেন, তারা আরও অনুৎসাহিত হবেন। এমনিতেই তারা রাজনীতিতে আসতে চান না, এ রকম ঘটনা হলে তারা আরও রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়বেন। তারা একটি সুন্দর গণতান্ত্রিক পরিবেশ চান। আমিও অপেক্ষা করছি, অপেক্ষা করব, জীবনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করব এমন একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশের। আর, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার রক্তের সম্পর্ক। আমার রাজনৈতিক বোধ এবং বুদ্ধি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি এই দলের রাজনীতি করছি। আমার পরিবারের এই দলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এই দলের প্রতি ভালো লাগা-মন্দে পাশে থাকা, ভালোবাসা-স্নেহ, প্রেম-প্রীতি সবই রয়েছে। আমি এক গোলাম মাওলা রনি না থাকলেও আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ, এই দলের সঙ্গে হাজার হাজার, লাখ লাখ কর্মী-সমর্থক রয়েছে। তারা এই সংগঠনটিকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। আর আমি এখন যে অবস্থানে আছি, দেশের গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারায় এক পদ-পদবি ধরে রাখার জন্য বড় দলগুলোতে মর্যাদার হানি করে, মাথা নিচু করে, আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে থাকতে হয়। এই অবস্থাটা শিক্ষার কারণে, অবস্থার কারণে হয়ে থাকে। অন্যরা তা পারে, কিন্তু আমি সেটা পারছি না। এখন যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সক্রিয় কর্মী হিসেবে আমাকে নির্বাচন করতে হয়, আমি দলের জন্য কাজ করব। দলও একই অবস্থার সৃষ্টি করবে যে, হঁ্যা, রনিকে আওয়ামী লীগের দরকার আছে। কিন্তু দেখা গেল- আমি সকালে একটা লাথি খাচ্ছি, বিকেলে অপমানিত হচ্ছে। এরপর বছরের পর বছর বয়োবৃদ্ধ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মতো পড়ে থাকা, সেই মানসিক অবস্থায় আমি নেই। সেই ক্ষেত্রে আমি যেটা করব, স্বতন্ত্র কিছু একটা করার চেষ্টা করব। নিজের ও দেশের জন্য। আর সেটা নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। সেটাও যদি না হয়, শুধু এমপি হওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কের দরকার নেই। জনপ্রিয়তা থাকলে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেও এমপি হওয়া যায়। স্বতন্ত্র এমপি হয়ে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক মতাদর্শ চিন্তা-চেতনা আমার মতো করে প্রচার করতে পারব। এতে করেও অনেক লোককে উজ্জীবিত করা যাবে। তবে হুট করে দল পরিবর্তন কাউকে স্বাচ্ছন্দ্য দেয় না, বরং সময় প্রতিকূলে চলে যায়।
প্রশ্নঃ আপনার সমসাময়িক অনেকেই রাজনীতি করছেন। মন্ত্রীও হয়েছেন। শাহরিয়ার আলম, জুনাইদ আহমেদ পলকের কথা আমরা বলতে পারি। তাদেরকে মন্ত্রী হিসেবে দেখে আপনার কেমন লাগে? কোনো রকম হতাশা কিংবা ঈর্ষা কাজ করে?
গোলাম মাওলা রনিঃ না, আমার সে রকম কোনো হতাশা কিংবা ঈর্ষা হয় না। আমার মধ্যে এই সব ক্ষুদ্রতা কাজ করে না। তারা সবাই আমার সহকর্মী ছিলেন। ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন। আলস্নাহই তাদের ওই পদে বসিয়েছেন। আমি তাদেরকে অভিনন্দন জানাই। স্বাগত জানাই। দোয়া করি, তারা যেন অনেক ভালো করতে পারেন। তবে যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারা এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন, সেই মানসিকতাটা আমি এখন পর্যন্ত অর্জন করতে পারিনি। সে জন্য আমার কোনো আফসোস নেই। আজকের এই পর্যায়ের আসার জন্য শাহরিয়ার ও পলককে যে শ্রম দিতে হয়েছে, মেধা খরচ করতে হয়েছে, ওই শ্রম ও মেধা দুটোর একটাও আমার নেই। এটা কোনো অভিমানের কথা নয়, সত্য কথা। কারণ, তারা রাজনীতির জন্য যে শ্রম দিয়েছেন, দিয়ে যাচ্ছেন- মন্ত্রিত্ব পাওয়ার জন্য যে সাধনা করেছেন, এর একটা কাজও আমি করিনি, কখনো করতেও পারব না। আমাকে মন্ত্রী বানাতে চাইলেও আমি মন্ত্রী হতে পারতাম না! কারণ- এত স্পষ্ট কথা বলে, মাথা উঁচু করে সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলে দলীয়ভাবে কোনো পদ-পদবি ধরে রাখা আমাদের সমাজে এখনো অসম্্ভব ব্যাপার।
প্রশ্নঃ সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী ?
গোলাম মাওলা রনিঃ নির্বাচন নিয়ে আমার দল আওয়ামী লীগ খুব তাড়াতাড়ি করে ফেলেছে। আমাদের ৪০% ওপরে ভোটার আছে। এই ৪০% ভোটারকে কিন্তু আমরা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত করতে পারতাম। কারণ, আওয়ামী লীগের এই ৪০% ভোট একরকম নিশ্চিত ছিল, তারা ভোটকেন্দ্রে গেলে নৌকায়ই পড়ত সেসব ভোট। আমাদের প্রস্তুতি ও কৌশলগত ভুলের কারণে তা করতে ব্যর্থ হয়েছি। কেন্দ্রীয় অফিস থেকে প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা ছিল না, এর ফলেই ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেলেন, এটাও ছিল একটা ভুল সিদ্ধান্ত। দলের উচিত ছিল নির্বাচনটাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করা। করার ব্যবস্থা করা। নির্বাচনের তারিখ যদি একটু পরিবর্তন করে পিছিয়ে দিত, তাহলে সরকারকে একতরফা নির্বাচনের অভিযোগের দায় নিতে হতো না। বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার কারণে দ্রুত নির্বাচন করা জরুরি ছিল সরকারের এই যুক্তি ঠিক হলেও তা খুব দুর্বল যুক্তি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জন নির্বাচিত হওয়ার ফলে মানুষ সব সহিংসতা ভুলে যাবে। মনে রাখবে একতরফাভাবে ১৫৩ জনের জয়ী হওয়ার বিরল ঘটনাকেই। এই দায় আওয়ামী লীগকে নিতে হবে। দলের কর্মী-সমর্থক ও দেশের মানুষকে আস্থায় নিয়ে নির্বাচন করলে আমরা জয়লাভ করতে পারতাম। এতে, এত বড় কেলেঙ্কারির বোঝা দলকে বইতে হতো না। আমরা এখন যে জয়ের ওপর বসে আছি, তার জন্য অসংখ্য বদনাম মাথায় নিতে হচ্ছে কেবল পরিকল্পনার অভাবে। আমাদের লোক ছিল, সহযোগী ছিল। কর্মী-সমর্থকেরও কোনো অভাব ছিল না। মহাজোটের সবাইকে আমরা বাইরে ঠেলে দিতে পারতাম। আলাদা নির্বাচন করতে পারতাম। সবটা কাজ একটা সমঝোতার মাধ্যমে হতে পারত। আমাদের সঙ্গে সতেরো-আঠারোটা দল আছে, এর সঙ্গে আরও ২০-২৫টা দলকে আমরা নির্বাচনে নিয়ে আসতে পারতাম। ৪০-৪৫টা দলকে যদি আমরা নির্বাচনে নিয়ে আসতে পারতাম, ৪০-৪৫ পার্সেন্ট ভোটও নিশ্চিত করতে পারতাম। তাহলে বিএনপিকে এক ঘরে করতে পারতাম। আওয়ামী লীগের বড় ব্যর্থতা হলো, বিএনপিকে এক ঘরে করতে না পারা। বিরোধী দল যেসব অভিযোগ উত্থাপন করেছে- আমরা সরকারি দল, আমাদের টেলিভিশন আছে, পত্রিকা আছে, আমরা সবই বলছি। বিরোধী দলের অভিযোগের জবাব দিচ্ছি, কিন্তু মানুষ সেসব বিশ্বাস করছে না।
প্রশ্নঃ নির্বাচনের আগে ও পরে মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে আপনার ভাবনা কী? যদি নির্বাচন হয়, তা কত সময়ের মধ্যে হলে ভালো হয়?
গোলাম মাওলা রনিঃ আমি মনে করি, নির্বাচনটা যদি কাল হয়, বেশ ভালো হয়। মধ্যবর্তী নির্বাচন দিলে আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে, নিঃসন্দেহে আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে। দ্বিতীয়বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের কোনো সম্্ভাবনা নেই। কারণ, দেশের মানুষ একটা পরিবর্তনের মানসিকতার মধ্যে আছে। একমাত্র যারা আওয়ামী লীগ করে, আওয়ামী লীগই করে। বিএনপি করলে, বিএনপির মধ্যেই তারা থাকে। আর, যারা সুইং ভোটার, তারা একটা দল বা লোককে বেশি দিন ভোট দেন না। দিতে চান না। কিছু কিছু এলাকা ছাড়া বেশির ভাগ মানুষই পরিবর্তন চায়। মানুষের এই মানসিকতা আরও পরে পরিবর্তন হবে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আপাতত পরাজিত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তার সুফল পাবে। সংকটের স্থায়ী সমাধানে না গেলে, ব্যথা-বেদনার ট্যাবলেট খেয়ে খেয়ে দেহকে দীর্ঘ মেয়াদে মারাত্মক অসুখের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া নিশ্চয়ই কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
প্রশ্নঃ আপনার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তো একটা বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই বিপর্যয়ের কারণ কি আপনি আবিষ্ড়্গার করতে পেরেছেন?
গোলাম মাওলা রনিঃ আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার কোনো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েনি। আমি বিপর্যয়েও নেই, বরং আমি ও আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আগের চেয়ে ভালো রয়েছে। ভালোভাবেই চলছে সবকিছু। আর মানুষের আবেগও আমি শ্রদ্ধা করি। যারা মনে করেন ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি, ক্ষমতার সঙ্গে থাকতে হবে, এসবকেই যদি মনে করেন রাজনীতি, তাহলে আমি বিপর্যয়ের মধ্যে আছি। এ ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে আমার দ্বিমত নেই। আর যারা মনে করেন, রাজনীতি বলতে গণমানুষের কথা বলা, রাজনীতি বলতে মানুষের উন্নয়ন করার মনমানসিকতা, রাজনীতি করতে হলে প্রজ্ঞা, মেধা ও অভিজ্ঞতা থাকা দরকার- এই রকম একটা মানুষ যে কিনা সমাজে তার কর্মকাণ্ড বন্ধ করেনি। এসব জিনিস আমার মধ্যে থাকায় আমি কোনো রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে নেই। এসব বিবেচনায় আমি অতীতের চেয়েও অনেক ভালো অবস্থায় আছি। কেন ভালো অবস্থায় আছি, তার আরও কারণ হলো, আমার কাছে মনে হয় এখন আমি আগের চেয়ে অনেক মুক্তভাবে কথা বলতে পারছি। পদ-পদবি হারানোর ফলে আমার একটি আত্ম-উপলব্ধি এসেছে। আমি যেসব মানুষের চেহারা-সুরত এত দিন দেখে এসেছি, এখন বাস্তব অবস্থা দেখতে পাচ্ছি। যা আমি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বুঝতে পারিনি।
প্রশ্নঃ ‘টক শো’ দিয়ে যে গোলাম মাওলা রনির উত্থান, সেই ‘টক শো’তে মিডিয়া ক্রেজ রনিকে আগের চেয়ে কম দেখা যায়, কেন?
গোলাম মাওলা রনিঃ ‘টক শো’তে কম দেখার মূল কারণ হলো, যারা বিটিভির মতো কট্টর সরকারের সমর্থক, তাদের টেলিভিশনে আমি যাই না। তারা আমাকে দাওয়াত করছে, কিন্তু আমি যাচ্ছি না। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে আমি কারাগারে যাওয়ার আগে- যেমন একাত্তর, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে কখনো আমি যাইনি। এটিএননিউজে তিন-চারটি অনুষ্ঠানে গিয়েছি। তবে সর্বশেষ তিন বছর এটিএননিউজ, ইনডিপেনডেন্ট, একাত্তর টেলিভিশনে যাইনি। ‘সময় টিভিতে’ মাঝেমধ্যে যেতাম, আমি কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ‘সময়’ আমাকে সস্ত্রীক দাওয়াত করেছিল, আমি যাইনি। যাইনি কারণ আমি কারাগারে যাওয়ার আগে আমার একটি রেকর্ডটি ছিল···। মোহনাতে যাই না, ওদের যে টিআরপি তাতে আমার পোষায় না। আমি মাছরাঙায় যাই না, কারণ তাদের ‘টক শো’ জনপ্রিয় নয়। সবকিছুকে মাথায় রেখে, চিন্তা করে আমাকে পথ চলতে হয়। যেমন আগে আমি সবার সঙ্গে ‘টক শো’তে বসতে পারতাম। পাপিয়ার সঙ্গে বসতাম, মনির সঙ্গেও বসতাম। এখন আমি সবার সঙ্গে বসি না। বসতে চাইও না। আগে ফোন করলে সঙ্গে কে আছেন জিজ্ঞাসা করতাম না, এখন জিজ্ঞেস করি। যখন বলেন, ওমুকে আছেন। যদি দেখি ওই মানুষটার সঙ্গে আমার মিলে না, তখন আমি কৌশলে তা এড়িয়ে যাই। তবে সম্পর্ক রাখি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে। ফলে আগের মতো আমার অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এখন অনুষ্ঠান করছি হাতে গোনা কয়েকটি টিভিতে। এর মধ্যেঃ এসএটিভি, আরটিভি, এনটিভি, একুশে, চ্যানেল আই, বাংলাভিশনে।
প্রশ্নঃ মিডিয়ার সহযোগিতাতেই আজকের গোলাম মাওলা রনিকে সবাই চেনে। কিন্তু সেই মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের সঙ্গেই আপনার বিরোধ। এমনটা কেন হলো?
গোলাম মাওলা রনিঃ আমার সঙ্গে পাঁচ-ছয়টা পত্রিকার মামলা চলছে। প্রথম শ্রেণীর পত্রিকা, যেমন প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর ও সমকাল- এই কয়টি পত্রিকার সঙ্গে আমার মামলা চলছে সেই ২০০৯ সাল থেকে। এর কারণ হলো- পত্রিকার ও টেলিভিশনের যারা মালিক, এই বেনিয়া গোষ্ঠী এখানে স্বার্থসংশিস্নষ্ট ব্যাপারে কাজ করে থাকে। আমার কিছু কথাবার্তা, আচার-আচরণ বেনিয়া গোষ্ঠীকে আঘাত করেছে। ফলে প্রথম থেকেই ওই বেনিয়া গোষ্ঠী মনে করেছে, এই ছেলেটাকে দূর বা স্টপ করা দরকার। ফলে আমার ওপর যে মিডিয়ার কিংবা বেনিয়া গোষ্ঠীর আক্রমণ, তা ২০০৯ সাল থেকেই ছিল। প্রথমে ছিল প্রিন্ট মিডিয়া, পরবর্তীকালে ইলেকট্রনিক মিডিয়া। এরপরে দেখা গেল, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে আমার যারা ভালোবাসার মানুষ, আমার ব্যক্তিগত শুভাকাঙ্ড়্গী যারা, তাদেরকে বোঝাতে পারলাম যে তোমাদের মালিকেরা আমাকে যা মনে করেন, আমি আসলে সে রকম মানুষ নই। ফলে ওই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা, সাংবাদিক তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশের চ্যানেল, নিউজ এডিটর, তাদের একটা অ্যাসোসিয়েশন আছে, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ওই ঘটনার পরে তারা কিন্তু প্রকাশ্যে আমাকে নিষিদ্ধ করেছিল। টেলিভিশন মালিক সমিতিও আমাকে নিষিদ্ধ করেছিল, যে গোলাম মাওলা রনিকে কোনো টেলিভিশনে আনা যাবে না। এই রকম অবস্থাতে যে আমি সব টেলিভিশনে যাচ্ছি, এটা কিন্তু সহজ ব্যাপার না। তারপর আবার বেছে বেছে অনুষ্ঠানে যাচ্ছি। আলস্নাহই ভালো জানেন, এর রহস্য কোথায়। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, এসব ‘টক শো’ কেবল ফেইস চেনায় মানুষকে। ‘টক শো’তে বলা আমার কোনো কথা, কোনো ডায়ালগ কিন্তু দেশের মানুষের মুখে মুখে ফিরেনি। আমি হয়তো এক হাজার ডায়ালগ দিয়েছি চমকিত হওয়ার মতো, কিন্তু একটা ডায়ালগও মানুষের মুখে মুখে ফিরছে না। কিন্তু আমি লেখালেখিতে যে শব্দগুলো ব্যবহার করছি, সেগুলোর অনেকগুলোই কিন্তু এখন মানুষের মুখে মুখে ফিরছে। তাই আমি এখন আমার মেধা, বুদ্ধি ও বিদ্যার পুরোটাই ব্যয় করছি শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে। সেখানেই আমি সময় বেশি দিচ্ছি। এখন আমি প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশ প্রতিদিনে লিখছি। ফেসবুকে লিখছি। নাটকও লিখছি। বইমেলার জন্যও বই লিখেছি।
প্রশ্নঃ ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিকের সঙ্গে আসলে ওই দিন কী হয়েছিল? টেলিভিশন স্ত্র্নিনে দেখা গেল আপনি আঘাত করছেন, আবার আপনি তা অস্বীকারও করেছেন।
গোলাম মাওলা রনিঃ নিঃসন্দেহে কিছু একটা হয়েছে সেদিন। তবে যা কিছু হয়েছে তা আমি আদালতে প্রমাণ করব। আদালতে এসবের প্রমাণ আছে। আর বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আমি কোনো কথা বলব না। আমি এই মামলাটাকে ছাড়বও না, চালিয়ে যাব। আমার যতক্ষণ সামর্থø থাকবে, শেষ পর্যন্ত তা আমি দেখব। আদালতে আমি প্রমাণ করে দেব, আসলে সেদিন সেখানে কী ঘটেছিল।
প্রশ্নঃ ইনডিপেনডেন্টের সঙ্গে আপনার বিরোধের কারণ কি সালমান এফ রহমান? শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি সম্পর্কে লেখালেখির কারণেই কি ওই টেলিভিশনের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব?
গোলাম মাওলা রনিঃ শেয়ারবাজার নিয়ে আমার বক্তব্য স্পষ্ট। শেয়ারবাজারের এই কেলেঙ্কারিটা আওয়ামী লীগ ও তৎকালীন মহাজোট সরকারকে মারাত্মক বিব্রত করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর কোনো সংযোগ নেই। এর সঙ্গে দল যুক্ত নয়। সরকারেরও এতে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দলের নাম ব্যবহার করে কিছু দুর্বৃত্ত শেয়ারবাজারকে ম্যানুপুলেট করেছে। দুবৃêত্তদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি সালমান এফ রহমান। অভিযুক্ত এই ব্যক্তি যখন দলের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে, নীতিনির্ধারণী জায়গায় তার উপস্থিতি দেখি, দেশের মানুষের মতো আমার শরীরও জ্বলে। জ্বালা থেকেই আমি একটা লেখা লিখেছিলাম, দরবেশ বলেছিলাম, ওটার কারণেই জনাব সালমান এফ রহমান আমার ওপর বিক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এই লেখার প্রতিক্রিয়ায় তিনি যা করেছেন, তা দেশবাসী দেখেছেন।
প্রশ্নঃ কাদের মোলস্নাকে নিয়ে আপনার লেখা চিঠি বিতর্ক তৈরি করেছে···
গোলাম মাওলা রনিঃ যারা চিঠি নিয়ে আমার সমালোচনা করেছেন, তারা না বুঝে সমালোচনা করেছেন। ওই চিঠি কিংবা লেখাটা একান্তই একজন মৃতুøপথযাত্রী মানুষের অন্তিম ইচ্ছেপূরণ। এই ইচ্ছেপূরণের মধ্যে আমি মনে করি না কোনো অন্যায় আছে। এর সঙ্গে কাদের মোলস্নার যুদ্ধাপরাধ, পাকিস্তানের সঙ্গে তার
Subscribe to:
Posts (Atom)


















