Thursday, June 12, 2014

মহিলাদের জুম’আয় শরীক হওয়া কি যায়েজ আছে?

প্রশ্নঃ মহিলাদের জুম’আয় শরীক হওয়া কি যায়েজ আছে?

উত্তর- জুম’আয় অংশ গ্রহন মেয়েদের জন্য ফরজ নয়। তবে কোন নিষেধ ও নেই। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জামানায় মুহাজির মহিলাগণ নবীজি (সাঃ) এর পেছনে জুম’আর সালাত আদায় করতেন।

জুম’আয় শরীক হওয়ার মধ্যে মেয়েদের জন্য কল্যানের ভাগই বেশী। কারণ দ্বীন শিক্ষার সুযোগ সুবিধা মেয়েদের জন্য ততটুকু নেই যতটুকু পুরুষদের আছে।

কলেজ ইউনিভার্সিটি শিক্ষায় তারা অগ্রসর হলেও কুরআন ও হাদীসের শিক্ষায় তারা অনেক পেছনে। কমপক্ষে সাপ্তাহিক একটি খুৎবায় তারা ধর্মীও নিরক্ষরতা অনেকটা কাটিয়ে উঠতে পারে। দ্বীনী ইলমের আলো তারা পেলে পারিবারিক জীবন আরও সুন্দর এবং ছেলে মেয়েদেরকে দ্বীনী পথে মানুষ করার কাজ সহজ হবে।

সে লক্ষ্যে নারীদের মসজিদে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া ও মসজিদে তাদের আলাদা জায়গা রাখা কর্তৃপক্ষের জন্য একটি মহৎ কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এ হিসাবে তারা সওয়াবও পাবেন, ইনশাআল্লাহ।

শুধু একটা শর্ত যে, মহিলারা পূর্ণ পর্দার সাথে ও সর্বাঙ্গীণ শালীনতা বজায় রেখে, সুগন্ধি ব্যবহার না করে মসজিদে গমনাগমন করবেন।

লেখকঃ অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম
সূত্রঃ বই-প্রশ্নোত্তরে জুমু’আ ও খুৎবা
পরিমার্জনেঃ ডঃ মোহাম্মদ মনজুরে ইলাহী, ডঃ আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার, ডঃ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।


Wednesday, June 11, 2014

আসসালামুয়ালাইকুম বন্ধুরা.....
রসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন আমার জীবনে ৩ টি বড় ভয়
১) ভ্রান্ত হুজুর
২) আমার উম্মত হিন্দুদের সাথে মিশে জাবে
৩) আমার উম্মত মূর্তি পুজা করবে


কি খাচ্ছেন না খাচ্ছেন , একটু দেখে শুনে খাবেন

( কি খাচ্ছেন না খাচ্ছেন , একটু দেখে শুনে খাবেন )
খাসির মাংসের নামে কুকুরের মাংস বিক্রি করে ধরা খেলেন বিক্রেতা !
নরসিংদী জেলা শহরে খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রির দায়ে কালাম মাসুদ (৪২) নামে এক মাংস বিক্রেতাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তার কাছ থেকে ১০ কেজি কুকুরের মাংস, লেজ, মাথা ও চামড়া উদ্ধার করা হয়।


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মানত করতে নিষেধ করেছেন। অতএব মানত করা ঠিক নয়। আমরা অনেকে বিপদ-আপদে পড়ে মানত করি, আর মনে করি এটা সওয়াবের কাজ। আল্লাহ খুশী হবেন। কিন্তু আসলে তা সওয়াবের কাজ নয়। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) যা করতে নিষেধ করেছেন তাতে আল্লাহ খুশী হবেন না। এবং এতে কোনো সওয়াবও হয় না। তাই আমাদের উচিত হবে কোনো অবস্থায় মানত না করা। অবশ্য মানত করে ফেললে তা পালন করতেই হবে কারণ মানত করলে তা পূর্ণ করা ওয়াজিব হয়ে যায়।

১. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সাঃ) আমাদের মানত করতে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেন, মানত কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না। এটা শুধু কৃপণ ব্যক্তি থেকে মাল খসায়।
সহিহ মুসলিমঃ ৪৩২৭, মুসনাদে আহমাদ।

২. আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা মানত করবে না। কেননা মানত তাকদীরের কোনো কিছুকে ফেরাতে পারে না। এটা শুধু কৃপণ ব্যক্তি থেকে সম্পদ খসায়।
সহিহ বুখারি, মুসলিমঃ ৪৩২৯, সহিহ সুনানে আত-তিরমিজি, সহিহ সুনানে নাসায়ি।

৩. সাহাবী আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সাঃ) বলেছেন, যেই বস্তু মহান আল্লাহ আদম সন্তানের জন্য নির্ধারণ করেননি মানত সেটি তার নিকটবর্তী করে না। বরং তাকদীরে যা আছে মানত সেটাই নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে কৃপণ ব্যক্তির সম্পদ বের করা হয় যা সে খরচ করতে চায়নি।
সহিহ মুসলিমঃ ৪৩৩১।

● দুই.
মানত করার মাধ্যমে কৃপণ ব্যক্তির সম্পদ বের করা হয়। এ কথা বলে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বুঝিয়েছেন, মানত করা একটি অনর্থক কাজ। সাধারণত কৃপণ স্বভাবের লোকেরা মানত করে থাকে। তারা সুস্থ ও নিরাপদ থাকা কালে দানসদকা করে না। কিন্তু বিপদে পড়লে আল্লাহর পথে খরচ বা দান সদকা করার বড় বড় মানত করে।

● তিন.
তাকদীরে যা লেখা আছে তা হবেই। মানত করার মাধ্যমে তাকদীরের লেখা পরিবর্তন করা যায় না। তাকদীরের প্রতি যাদের যথাযথ ঈমান নেই সাধারণত তারাই মানত করে থাকে।

● চার.
মানত করা হোক বা না হোক। ফলাফল একই হবে। তাকদীরে যা লেখা আছে সেটাই আসবে অবধারিতভাবে।

● পাঁচ.
আলোচিত সবগুলো হাদীসই মানত না করার জন্য মুসলিমদেরকে নিরোৎসাহিত ও নিষেধ করেছে। বলেছে, এটি কোনো ফল বয়ে আনে না বরং শুধু কৃপণের সম্পদ খরচ করায়।
এ সকল বিষয় জানার পর কোনো মুসলিমের পক্ষে কোনো প্রকার মানত করা উচিত নয় ।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, যে কাজটি করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন, আমরা সেটাকে সুন্নাত মনে করি।

বিঃদ্রঃ - অনেক হুজুর মাওলানা সাহেব বলে থাকেন অমুক জায়গায় মানত করলে অমুক কাজটা হয়ে যাবে।
কূরআন এ সহীহ হাদিস এর জ্ঞানের দারুণ স্বল্পতা এ মাওলানা সাহেবদের।
এনাদের কথা শুনেই বিশ্বাস না করে আগে যাচাই করতে হবে – এর কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।
আর মাজার বা পীরের নামে কোনো কিছু মানত করা শিরক। কারণ, এখানে আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে অলী আওলিয়াদের সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়ত থাকে । আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের
জন্য কোনো ইবাদত করলে সেটা শিরক। মহান আল্লাহ্‌ আমাদের একমাত্র তার ইবাদত করার,
একমাত্র তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সকল কাজ করার তাওফিক আমাদের প্রত্যেককে দান করুন। আমিন।


রাসূল সাঃ নূরের তৈরী না মাটির তৈরী?

রাসূল সাঃ নূরের তৈরী না মাটির তৈরী?
بسم الله الرحمن الرحيم
মানুষ কিসের তৈরী?
প্রথমেই বুঝতে হবে মানুষ কিসের তৈরী? কুরআনে কারীমের বিভিন্ন আয়াত এবং সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে একথা সুষ্পষ্ট প্রমাণিত যে, মানুষ মাটির তৈরী। নূর বা অগ্নির তৈরী নয়। কয়েকটি আয়াতের দিকে লক্ষ্য করুন-
إِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِن طِينٍ (71)
অনুবাদ-যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেস্তাদের বললেন-আমি মাটির তৈরী মানুষ সৃষ্টি করব। {সূরা সোয়াদ-৭১}
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ (26)
অনুবাদ-নিশ্চয় আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি পঁচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুস্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা। {সূরা হিজর-২৮}
অন্যত্র আরো ইরশাদ হয়েছে-
خَلَقَ الإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ (14) وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ
(15)
অনুবাদ-তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুস্ক মৃত্তিকা থেকে এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে। {সূরা আর রাহমান-১৪,১৫}
আরো ইরশাদ হয়েছে-
هُوَ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ
অনুবাদ-তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা। {সূরা মুমিন-৬৭}
আরো ইরশাদ হয়েছে-
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الإِنسَانَ مِن سُلالَةٍ مِّن طِينٍ (12)
অনুবাদ-আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি। {সূরা মুমিনুন-১২}
উপরোক্ত বক্তব্য থেকে মানব সৃষ্টির পদ্ধতি ও মূল উপাদান সম্পর্কে আশা করি সুষ্পষ্ট ধারণা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার বাণী দ্বারা একথা সুষ্পষ্ট প্রমাণিত যে, মানুষ নূর বা আগুনের তৈরী নয়। বরং মাটির তৈরী।
এবার বুঝতে হবে নবীজী সাঃ কি ছিলেন? মানুষ? না জিন? না ফেরেস্তা?
রাসূল সাঃ জিন নন, এ ব্যাপারে সকলে একমত। তাই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার কোন প্রয়োজন নেই। কথা হচ্ছে নবীজী সাঃ নূরের তৈরী ফেরেস্তা কি না? নাকি মাটির তৈরী মানুষ?
রাসূল সাঃ মানুষ ছিলেন? নাকি ফেরেস্তা?
যদি বলেন ফেরেস্তা তাহলে আরবের মুশরিকদের অভিযোগ করার কি কারণ? পবিত্র কুরআনে যা বিধৃত হয়েছে এরকম শব্দে-
قُلْ سُبْحَانَ رَبِّي هَلْ كُنتُ إَلاَّ بَشَرًا رَّسُولاً (93) وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَن يُؤْمِنُواْ إِذْ جَاءهُمُ الْهُدَى إِلاَّ أَن قَالُواْ أَبَعَثَ اللَّهُ بَشَرًا رَّسُولاً (94) قُل لَّوْ كَانَ فِي الأَرْضِ مَلآئِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاء مَلَكًا رَّسُولاً (95)
অনুবাদ-বলুন, পবিত্র মহান আমার পালনকর্তা, আমি একজন মানব রাসূল ছাড়া কে? লোকদের নিকট হেদায়াত আসার পর তাদেরকে এ উক্তি ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে যে, “আল্লাহ কি মানুষকে রাসূলস্বরূপ প্রেরণ করেছেন?” বলুন যদি পৃথিবীতে ফেরেস্তারা বিচরণ করত, তবে আমি তাদের নিকট আকাশ থেকে ‘ফেরেস্তা রাসূল’ প্রেরণ করতাম। {সূরা বনী ইসরাঈল-৯৩, ৯৪, ৯৫}
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে-
وَقَالُواْ لَوْلا أُنزِلَ عَلَيْهِ مَلَكٌ وَلَوْ أَنزَلْنَا مَلَكًا لَّقُضِيَ الأمْرُ ثُمَّ لاَ يُنظَرُونَ
(8) وَلَوْ جَعَلْنَاهُ مَلَكًا لَّجَعَلْنَاهُ رَجُلاً وَلَلَبَسْنَا عَلَيْهِم مَّا يَلْبِسُونَ (9)
অনুবাদ-তারা আরো বলে যে, তাঁর কাছে কোন ফেরেস্তা কেন প্রেরণ করা হল না? যদি আমি কোন ফেরেস্তা প্রেরণ করতাম, তবে গোটা ব্যাপারটি খতম হয়ে যেত। এরপর তাদেররকে সামান্য অবকাশও দেয়া হত না। যদি আমি কোন ফেরেস্তাকে রাসূল করে পাঠাতাম, তবে সে মানুষের রূপেই হত। এতেও সে সন্দেহই করত, যা এখন করছে। {সূরা আনআম-৮,৯}
রাসূল সাঃ মানুষ ছিলেন এ ব্যাপারে কোন কাফেরেরও সন্দেহ ছিল না। মক্কার কাফেরদের আশ্চর্যের এটাইতো কারণ ছিল যে, আল্লাহ তাআলা কেন ফেরেস্তা ছাড়া মানুষকে রাসূল বানিয়ে পাঠালেন?
এর জবাব আল্লাহ তাআলা কি সুন্দর শব্দে বলে দিলেন। যদি দুনিয়াতে মানুষের বদলে ফেরেস্তারা থাকতো তাহলে আল্লাহ তাআলা ফেরেস্তাই পাঠাতেন রাসূলরূপে। কিন্তু যেহেতু দুনিয়াতে মানুষ বাস করে তাই মানুষকেই পাঠানো হয়েছে রাসূল হিসেবে।
এ সহজ কথাটি মক্কার কাফেররা বুঝতো না বলেই আল্লাহ তাআলা আয়াত নাজিল করে বুঝালেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল মুসলমান নামধারী কিছু বেদআতীরাও মক্কার কাফেরদের মতই অভিযোগ করে নবীজী সাঃ মানুষ নন। ফেরেস্তাদের মত নূরের তৈরী। যদি নবীজী সাঃ কে মানুষ বিশ্বাস করতে হয়, তাহলে পূর্বোক্ত আয়াতের কারীমা অনুযায়ী বিশ্বাস করতে হবে মানুষ মাটির তৈরী, তাই নবীজী সাঃ ও মানুষ তাই তিনিও মাটির তৈরী।
আর যদি বলা হয় রাসূল সাঃ মানুষ নন, ফেরেস্তা, তাহলে মক্কার কাফেররা ফেরেস্তা কেন নবীরূপে পাঠানো হলো না এ অভিযোগ কেন করল? নবীজী সাঃ মানুষ না হয়ে ফেরেস্তা হলে কাফেরদের প্রশ্ন করার কি প্রয়োজন ছিল যে, আল্লাহ তাআলা মানুষকে কেন পাঠালেন নবী করে ফেরেস্তার বদলে?
সুতরাং বুঝা গেল নবীজী সাঃ মানুষ ফেরেস্তা নয়। আর মানুষ কিসের তৈরী? তা সুষ্পষ্টই আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের উল্লেখ করেছেন।
রাসূল সাঃ মানুষ ছিলেন
قُلْ سُبْحَانَ رَبِّي هَلْ كُنتُ إَلاَّ بَشَرًا رَّسُولاً (93) وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَن يُؤْمِنُواْ إِذْ جَاءهُمُ الْهُدَى إِلاَّ أَن قَالُواْ أَبَعَثَ اللَّهُ بَشَرًا رَّسُولاً (94) قُل لَّوْ كَانَ فِي الأَرْضِ مَلآئِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاء مَلَكًا رَّسُولاً (95)

অনুবাদ-বলুন, পবিত্র মহান আমার পালনকর্তা, আমি একজন মানব রাসূল ছাড়া কে? লোকদের নিকট হেদায়াত আসার পর তাদেরকে এ উক্তি ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে যে, “আল্লাহ কি মানুষকে রাসূলস্বরূপ প্রেরণ করেছেন?” বলুন যদি পৃথিবীতে ফেরেস্তারা বিচরণ করত, তবে আমি তাদের নিকট আকাশ থেকে ‘ফেরেস্তা রাসূল’ প্রেরণ করতাম। {সূরা বনী ইসরাঈল-৯৩, ৯৪, ৯৫}
আরো ইরশাদ হয়েছে-
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاء رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلاً صَالِحًا وَلا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا (
110)
অনুবাদ-বলুন, আমিও তোমাদের মতই একজন মানুষ। আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের মাবুদ হল একজন। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার ইবাদতে কাউকে শরীক না করে। {সূরা কাহাফ-১১০}
অন্যত্র আরো ইরশাদ হয়েছে-
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَاسْتَقِيمُوا إِلَيْهِ وَاسْتَغْفِرُوهُ وَوَيْلٌ لِّلْمُشْرِكِينَ
(6)
অনুবাদ-বলুন, আমিও তোমাদের মতই মানুষ। আমার প্রতি অহী আসে যে, তোমাদের মাবুদ হল একজন। অতএব তারই প্রতি একাগ্র হও, এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর মুশরেকদের জন্য রয়েছে। দুর্ভোগ। {সূরা হা-মীম সাজদা-৬}
অন্যত্র আরো ইরশাদ হয়েছে-
وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ الْخُلْدَ أَفَإِن مِّتَّ فَهُمُ الْخَالِدُونَ (34)
অনুবাদ-আপনার পূর্বেও আমি কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে? {সূরা আম্বিয়া-৩৪}
রাসূল সাঃ মানব ছিলেন এর বহু প্রমাণ হাদীসেও পাওয়া যায়। নিম্ন ৩ টি হাদীস উদ্ধৃত করা হল-
عن أمها أم سلمة قالت سمع النبي صلى الله عليه و سلم جلبة خصام عند بابه فخرج عليهم فقال ( إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضا أن يكون أبلغ من بعض أقضي له بذلك وأحسب أنه صادق فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليأخذها أو ليدعها (صحيح البخارى-كتاب الأحكام، باب القضاء في كثير المال وقليله، رقم الحديث-6762)
অনুবাদ-হযরত উম্মে সালমা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ নিজের দরজার কাছে বিবাদ-বিতর্ক শুনতে পেয়ে তাদের নিকট এসে বললেন-আমিতো একজন মানুষ মাত্র। আমার কাছে বাদী বিবাদীরা এসে থাকে। কেউ হয়ত অধিক বাকপটু হয়, ফলে আমি তাকে সত্য মনে করে তার পক্ষে রায় দিয়ে দেই। যদি আমি কারো পক্ষে অন্য কোন মুসলমানের হকের ব্যাপারে ফয়সালা দিয়ে থাকি, তাহলে তা জাহান্নামের টুকরো হিসেবে বিবেচিত হবে। সে তা গ্রহণ করতেও পারে, অথবা বর্জনও করতে পারে। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৬৭৬২, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৪৫৭২, তাহাবী শরীফ, হাদীস নং-৫৬৮০, মুসনাদুশ শামীন, হাদীস নং-৩১১৬, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১২৬, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-২০৩২১}
ولكن إنما أنا بشر مثلكم أنسى كما تنسون فإذا نسيت فذكروني (صحيح البخارى، كتاب الصلاة، باب التوجه نحو القبلة حيث كان،
رقم الحديث-392)
অনুবাদ-হযরত আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ বলেছেন-আমিতো তোমাদের মতই একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুলে যাও, আমিও তেমনি ভুলে যাই। তাই আমি ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্বরণ করিয়ে দিও। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৩৯২, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-২৬৬২, মুসনাদে আবী ইয়ালা, হাদীস নং-৫২৪২, মুসনাদে তায়ালিসী, হাদীস নং-২৭১}
جابر بن عبد الله يقول سمعت رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يقول « إنما أنا بشر وإنى اشترطت على ربى عز وجل أى عبد من المسلمين سببته أو شتمته أن يكون ذلك له زكاة وأجرا (صحيح مسلم، كتاب البر والصلة والآدب، باب من لعنه النبى -صلى الله عليه وسلم- أو سبه أو دعا عليه وليس هو أهلا لذلك كان له زكاة وأجرا ورحمة، رقم الحديث-6790)
অনুবাদ-হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ থেকে বর্ণিত। আমি রাসূল সাঃ কে বলতে শুনেছি যে, তিনি ইরশাদ করেছেন-আমি তো একজন মানুষমাত্র। আমি আপন প্রতিপালকের নিকট বলে রেখেছি যে, আমি যদি কোন মুসলমানকে মন্দ বলি, তাহলে সেটি যেন তার জন্যে পবিত্রতা ও সওয়াবের কারণ হয়। {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৬৭৯০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১২১২৬, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১৩১৬০}
উল্লেখিত আয়াত ও হাদীস একথা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছে যে, রাসূল সাঃ মানুষ ছিলেন। ফেরেস্তা বা জিন নয়। আর মানুষ মাটির তৈরী হয় একথা মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে একাধিক স্থানে স্পষ্টই বলেছেন। যা ইতোপূর্বে উদ্ধৃত হয়েছে।
রাসূল সাঃ নূরের তৈরী হলে রাসূল সাঃ এর পূর্বসূরী ও উত্তরসূরীরা কিসের তৈরী?
قال العباس بلغه صلى الله عليه وسلم بعض ما يقول الناس قال فصعد المنبر فقال من أنا قالوا أنت رسول الله فقال أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب إن الله خلق الخلق فجعلني في خير خلقه وجعلهم فرقتين فجعلني في خير فرقة وخلق القبائل فجعلني في خير قبيلة وجعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا فأنا خيركم بيتا وخيركم نفسا-1/169، رقم الحديث-3532)
অনুবাদ-হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাঃ বলেন-রাসূল সাঃ [একবার কোন কারণে] মিম্বরে দাঁড়িয়ে [সমবেত লোকদেরকে] জিজ্ঞেস করলেন-আমি কে? সাহাবীগণ বললেন-আপনি আল্লাহর রাসূল, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তখন তিনি বললেন-আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে মুহাম্মদ। আল্লাহ তাআলা তামাম মাখলূক সৃষ্টি করে আমাকে সর্বোত্তম সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত করেছেন [অর্থাৎ মানুষ বানিয়েছেন]। এরপর তাদেরকে দু’ভাগে [আরব ও অনারব] বিভক্ত করে আমাকে উত্তম ভাগে [আরবে] রেখেছেন এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম গোত্রে পাঠিয়েছেন। এরপর সে গোত্রকে বিভিন্ন পরিবারে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে সর্বোত্তম পরিবারে প্রেরণ করেছেন। সুতরাং আমি ব্যক্তি ও বংশ সর্বদিক থেকে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। {সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-৩৫৩২, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৭৮৮, আল মু’জামুল কাবীর, হাদীস নং-৬৭৫, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৩২২৯৬}
এ প্রশ্ন আসাটা স্বাভাবিক যে, রাসূল সাঃ যদি মাটির তৈরী না হয়ে নূরের তৈরী হয়ে থাকেন। তাহলে রাসূল সাঃ এর সম্মানিত আম্মাজান আমিনা ও সম্মানিত আব্বাজান আব্দুল্লাহ যাদের ঔরসে তিনি জন্ম নিলেন তারা কিসের তৈরী? সেই সাথে নবীজী সাঃ এর সন্তানরা কিসের তৈরী? মাটির না নূরের? মাটির তৈরী থেকেতো মাটিই হবে। আর নূর থেকেতো নূরই হবে, তাই নয়কি? সুতরাং চিন্তা ভাবনা করে এসব উদ্ভট দাবি তোলা উচিত যে, রাসূল সাঃ নূরের তৈরী। যেখানে এ ব্যাপারে কোন সুষ্পষ্ট দলিলই নেই। সেখানে শুধুমাত্র নিজের আবেগ আর অন্ধতাকে পূজি করে রাসূল সাঃ কে মাটির থেকে নূরের তৈরী বানিয়ে ফেলাটা বোকামী ছাড়া কিছু নয়।
নূরের তৈরী হওয়াই কি শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণবাহী?
একথা সম্পূর্ণ ভুল যে, কোন কিছু নূরের তৈরী হলেই তা শ্রেষ্ঠ হয়ে যাবে। বরং শ্রেষ্ঠত্বের মূল বিষয় হল তার অভ্যান্তরীণ গুণ শ্রেষ্ঠ হওয়া।
মাটির তৈরী মানুষ নূরের তৈরী ফেরেস্তা থেকে শ্রেষ্ঠ। দলিল-
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ
অনুবাদ-নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি। {সূরা বনী ইসরাঈল-৭০}
আগুনের তৈরী জিন বা নূরের তৈরী ফেরেস্তাকে মর্যাদা দান করার কথা বলা হয়নি কুরআনের কোথাও। কিন্তু মাটির তৈরী মানুষকে মর্যাদা দান করার কথা আল্লাহ তায়ালা সুষ্পষ্টই ঘোষণা করেছেন। যা স্পষ্টই প্রমাণ করে নূরের তৈরী হওয়াই কেবল শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ নয়?
তাছাড়া আগুনের তৈরী জিন আর নূরের তৈরী ফেরেস্তাদের দিয়ে মাটির তৈরী মানুষ হযরত আদম আঃ কে আল্লাহ তায়ালা সেজদা করিয়ে বুঝিয়ে দিলেন আগুনের তৈরী বা নূরের তৈরী হওয়া কোন শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ নয়। শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণবাহী হল- ভিতরগত গুন যার শ্রেষ্ঠ সেই প্রকৃত শ্রেষ্ঠ। চাই সে মাটির তৈরী হোক, চাই নূরের তৈরী হোক চাই আগুনের তৈরী হোক।
فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُواْ لَهُ سَاجِدِينَ (29) فَسَجَدَ الْمَلآئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ (30)
অনুবাদ-যখন আমি তাকে পূর্ণতা দিলাম এবং তাতে আত্মা ফুকে দিলাম, তখন সবাই তাকে সেজদা করল। সকল ফেরেস্তারাই একসাথে তাকে সেজদা করল। {সূরা হিজর-২৯,৩০}
সুতরাং মাটির তৈরী সর্বশ্রেষ্ঠ মানব রাসূল সাঃ কে নূরের তৈরী বলে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা করাটা একটি অহেতুক চেষ্টা। তিনি মাটির তৈরী একজন মানব। তবে তিনি মহামানব। আল্লাহ তাআলার পর তিনিই শ্রেষ্ঠ। তার মত আর কেউ নেই। তিনি সকল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। মাটির তৈরী সকল মানুষ, আগুনের তৈরী সকল জিন, নূরের তৈরী সকল ফেরেস্তা থেকে শ্রেষ্ঠ মাটির তৈরী এ মহামানব রাসূল সাঃ।
যেমন সকল নূরের তৈরী ফেরেস্তার মাঝে হযরত জিবরাঈল আঃ শ্রেষ্ঠ। তেমনি মাটির তৈরী এ মহামানব রাসূল সাঃ সকল মাটির তৈরী পয়গম্বর আঃ ও সকল মানুষ ও সকল জিনও ফেরেস্তা থেকে শ্রেষ্ঠ ও উত্তম। তার মত উত্তম ও শ্রেষ্ঠ কোন সৃষ্টি আল্লাহ তাআলা কখনো সৃজন করেন নি, কখনো করবেন ও না।
এর পরও রাসূল সাঃ কে মাটির তৈরী থেকে নূরের তৈরী বানানোর অযথা চেষ্টা করাটা একটি হাস্যকর প্রচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এসব অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক থেকে বিরত থেকে আখেরাতের পূজি সংগ্রহ করার তৌফিক দান করুন।

Thursday, June 5, 2014

সিমকার্ড পুনর্নিবন্ধনে আসতে পারে ১০০ টাকা কর

একাধিক সিমকার্ড ব্যবহার করছেন। অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে সে সিমকার্ড। আগামী বাজেটে সিমকার্ড পুনর্নিবন্ধনে ১০০ টাকা কর দেওয়ার নির্দেশনা আসতে পারে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এটি হবে তাঁর অষ্টমবারের মতো বাজেট পেশ।
বাজেটের প্রাক্কালে একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী বলেন, মোবাইল ফোনের সিমকার্ড হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে গেলে নতুন করে কর দিতে হবে। তাই সিম পুনর্নিবন্ধন কর ১০০ টাকা হতে পারে। এবারের ৪৩তম বাজেটের আকার হবে দুই লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।
 

জেনে নিন বাংলাদেশের সকল থানার ওসিদের মোবাইল নাম্বার

>>>।। জেনে নিন বাংলাদেশের সকল
থানার ওসিদের মোবাইল নাম্বার ।।<<<
=====================================
>>>>>>>>>পোষ্ট টি শেয়ার করতে অনুরোধ
করছি<<<<<<<<<<
===যে সকল কারনে এই সকল নম্বরে ফোন
করার প্রয়োজন হতে পারে===
১। কোন দূর্ঘটনার সংবাদ জানাতে
২। কোন অপমৃত্যু সংবাদ জানাতে
৩। অগ্নিকান্ডের সংবাদ জানাতে
৪। বড় ধরনের অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির
সংবাদ জানাতে
৫। কোন পলাতক/ফেরারী অপরাধীদের
অবস্থান জানাতে
৬। মাদকদ্রব্য সম্পর্কে তথ্য প্রদানের জন্য
৭। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কে তথ্য
প্রদানের জন্য
৮। দাংগা সংঘটনের সংবাদ জানাতে
>>>চলুন এক
নজরে দেখে আসি বাংলাদেশের সকল
ওসি সাহেবদের সরকারী মোবাইল নম্বর।
<<<
ডিএমপি, ঢাকাঃ
========
১। ওসি রমনা- ০১৭১৩৩৭৩১২৫
২। ওসি ধানমন্ডি- ০১৭১৩৩৭৩১২৬
৩। ওসি শাহাবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১২৭
৪। ওসি নিউ মার্কেট- ০১৭১৩৩৭৩১২৮
৫। ওসি লালবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৪
৬। ওসি কোতয়ালী- ০১৭১৩৩৭৩১৩৫
৭। ওসি হাজারীবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৬
৮। ওসি কামরাঙ্গীরচর- ০১৭১৩৩৭৩১৩৭
৯। ওসি সুত্রাপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৩
১০। ওসি ডেমরা- ০১৭১৩৩৭৩১৪৪
১১। ওসি শ্যামপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৫
১২। ওসি যাত্রাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩১৪৬
১৩। ওসি মতিঝিল- ০১৭১৩৩৭৩১৫২
১৪। ওসি সবুজবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৫৩
১৫। ওসি খিলগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৫৪
১৬। ওসি পল্টন- ০১৭১৩৩৭৩১৫৫
১৭। ওসি উত্তরা- ০১৭১৩৩৭৩১৬১
১৮। ওসি এয়ারপোর্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৬২
১৯। ওসি তুরাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৬৩
২০। ওসি উত্তরখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৪
২১। ওসি দক্ষিনখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৫
২২। ওসি গুলশান- ০১৭১৩৩৭৩১৭১
২৩। ওসি ক্যান্টনমেন্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৭২
২৪। ওসি বাড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩১৭৩
২৫। ওসি খিলক্ষেত- ০১৭১৩৩৭৩১৭৪
২৬। ওসি তেজগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৮০
২৭। ওসি তেজগাও শি/এ- ০১৭১৩৩৭৩১৮১
২৮। ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮২
২৯। ওসি আদাবর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৩
৩০। ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৯
৩১। ওসি পল্লবী- ০১৭১৩৩৭৩১৯০
৩২। ওসি কাফরুল- ০১৭১৩৩৭৩১৯১
৩৩। ওসি শাহ আলী- ০১৭১৩৩৭৩১৯২
সিএমপি, চট্রগ্রামঃ
=========
১। ওসি কোতয়ালী, সিএমপি-
০১৭১৩৩৭৩২৫৬
২। ওসি পাহাড়তলী (নর্থ জোন)-
০১৭১৩৩৭৩২৫৭
৩। ওসি পাচলাইশ- ০১৭১৩৩৭৩২৫৮
৪। ওসি চান্দগাও- ০১৭১৩৩৭৩২৫৯
৫। ওসি খুলসী- ০১৭১৩৩৭৩২৬০
৬। ওসি বাকুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩২৬১
৭। ওসি ওসি বায়েজিদ বোস্তামী-
০১৭১৩৩৭৩২৬২
৮। ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৭
৯। ওসি ডাবল মুরিং- ০১৭১৩৩৭৩২৬৮
১০। ওসি হালিশহর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৯
১১। ওসি পতেঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৭০
১২। ওসি কর্ণফুলি- ০১৭১৩৩৭৩২৭১
১৩। ওসি ইমিগ্রেশন (বন্দর)- ০১৭১৩৩৭৩২৭২
১৪। ওসি পাহাড়তলী (বন্দর জোন)-
০১৭১৩৩৭৩২৭৩
কেএমপি, খুলনাঃ
========
১। ওসি খুলনা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৫
২। ওসি সোনাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৬
৩। ওসি খালিশপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৭
৪। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৮
৫। ওসি খানজাহান আলী- ০১৭১৩৩৭৩২৮৯
আরএমপি, রাজশাহীঃ
==========
১। ওসি বোয়ালিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩০৯
২। ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩১০
৩। ওসি মতিহার- ০১৭১৩৩৭৩৩১১
৪। ওসি শাহ মাকদুম- ০১৭১৩৩৭৩৩১২
ঢাকা বিভাগঃ
======
১। ওসি সাভার- ০১৭১৩৩৭৩৩২৭
২। ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৩২৮
৩। ওসি কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩২৯
৪। ওসি নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩০
৫। ওসি দোহার- ০১৭১৩৩৭৩৩৩১
৬। ওসি আশুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৩২
৭। ওসি দক্ষিন কেরানীগঞ্জ-
০১৭১৩৩৭৩৩৩৩
৮। ওসি নারায়নগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৫
৯। ওসি ফতুল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৬
১০। ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৭
১১। ওসি সিদ্দিরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৮
১২। ওসি আড়াইহাজার- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৯
১৩। ওসি সোনারগাও- ০১৭১৩৩৭৩৩৫০
১৪। ওসি রুপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৫১
১৫। ওসি জয়দেবপুর ০১৭১৩৩৭৩৩৬৩
১৬। ওসি টংগী- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৪
১৭। ওসি কালিয়াকৈর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৫
১৮। ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৬
১৯। ওসি কাপাসিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৭
২০। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৮
২১। ওসি মানিকগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৭৯
২২। ওসি ঘিওর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮০
২৩। ওসি শিবালয়- ০১৭১৩৩৭৩৩৮১
২৪। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮২
২৫। ওসি হরিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৩
২৬। ওসি সাটুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৪
২৭। ওসি সিংগাইর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৫
২৮। ওসি মুন্সীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৬
২৯। ওসি টংগীবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৭
৩০। ওসি লৌহজং- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৮
৩১। ওসি শ্রীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৯
৩২। ওসি সিরাজদীখান- ০১৭১৩৩৭৩৪০০
৩৩। ওসি গজারিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪০১
৩৪। ওসি নরসিংদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১২
৩৫। ওসি রায়পুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৩
৩৬। ওসি শিবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৪
৩৭। ওসি বেলাবো- ০১৭১৩৩৭৩৪১৫
৩৮। ওসি মনোহরদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১৬
৩৯। ওসি পলাশ- ০১৭১৩৩৭৩৪১৭
৪০। ওসি কোতয়ালী মযমনসিংহ-
০১৭১৩৩৭৩৪৩০
৪১। ওসি মুক্তাগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩১
৪২। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৩২
৪৩। ওসি ত্রিশাল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৩
৪৪। ওসি গৌরীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৪
৪৫। ওসি ঈশ্বরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৫
৪৬। ওসি নান্দাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৬
৪৭। ওসি ফুলপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৭
৪৮। ওসি হালুয়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৮
৪৯। ওসি ধোবাউরা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৯
৫০। ওসি গফরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৪৪০
৫১। ওসি ভালুকা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪১
৫২। ওসি তারাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪২
৫৩। ওসি টাঙ্গাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৪
৫৪। ওসি মির্জাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৫
৫৫। ওসি নাগরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৬
৫৬। ওসি সখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৭
৫৭। ওসি বাসাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৮
৫৮। ওসি দেলদুয়ার- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৯
৫৯। ওসি মধুপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬০
৬০। ওসি ঘাটাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৬১
৬১। ওসি কালিহাতি- ০১৭১৩৩৭৩৪৬২
৬২। ওসি ভুয়াপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৩
৬৩। ওসি ওসি যমুনা ব্রীজ পূর্ব-
০১৭১৩৩৭৩৪৬৪
৬৪। ওসি ধনবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৫
৬৫। ওসি গোপালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৬
৬৬। ওসি কিশোরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮০
৬৭। ওসি করিমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮১
৬৮। ওসি তারাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৮২
৬৯। ওসি হোসেনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৩
৭০। ওসি কটিয়াদী- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৪
৭১। ওসি বাজিতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৫
৭২। ওসি কুলিয়ারচর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৬
৭৩। ওসি ভৈরব- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৭
৭৪। ওসি ইটনা- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৮
৭৫। ওসি মিঠামইন- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৯
৭৬। ওসি নিকলী- ০১৭১৩৩৭৩৪৯০
৭৭। ওসি পাকুন্দিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪৯১
৭৮। ওসি অষ্টগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৪৯২
৭৯। ওসি নেত্রকোনা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৫
৮০। ওসি বারহাট্টা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৬
৮১। ওসি কলমাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৭
৮২। ওসি আটপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫০৮
৮৩। ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫০৯
৮৪। ওসি পূর্বধলা- ০১৭১৩৩৭৩৫১০
৮৫। ওসি কেন্দুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৫১১
৮৬। ওসি মদন- ০১৭১৩৩৭৩৫১২
৮৭। ওসি মোহনগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫১৩
৮৮। ওসি খালিজুরি- ০১৭১৩৩৭৩৫১৪
৮৯। ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫২৩
৯০। ওসি নকলা- ০১৭১৩৩৭৩৫২৪
৯১। ওসি নলিতাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৫
৯২। ওসি শ্রীবর্দী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৬
৯৩। ওসি ঝিনাইগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৫২৭
৯৪। ওসি জামালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৮
৯৫। ওসি মেলান্দহ- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৯
৯৬। ওসি সরিষাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৪০
৯৭। ওসি দেওয়ানগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪১
৯৮। ওসি ইসলামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৪২
৯৯। ওসি মাদারগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৩
১০০। ওসি বকশীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৪
১০১। ওসি বাহাদুরাবাদ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৫
১০২। ওসি কোতয়ালী ফরিদপুর-
০১৭১৩৩৭৩৫৫৬
১০৩। ওসি মধুখালী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৭
১০৪। ওসি বোয়ালমারী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৮
১০৫। ওসি আলফাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৯
১০৬। ওসি চরভদ্রাসন- ০১৭১৩৩৭৩৫৬০
১০৭। ওসি নগরকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬১
১০৮। ওসি সদরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৬২
১০৯। ওসি সালতা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৩
১১০। ওসি ভাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৪
১১১। ওসি গোপালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৭২
১১২। ওসি মকসুদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৩
১১৩। ওসি কাশিয়ানী- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৪
১১৪। ওসি কোটালীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৫
১১৫। ওসি টুঙ্গিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৬
১১৬। ওসি মাদারীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৫
১১৭। ওসি রাজৈর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৬
১১৮। ওসি কালকিনি- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৭
১১৯। ওসি শিবচর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৮
১২০। ওসি রাজবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৮
১২১। ওসি বালিয়াকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৯
১২২। ওসি পাংশা- ০১৭১৩৩৭৩৬০০
১২৩। ওসি গোয়ালন্দ- ০১৭১৩৩৭৩৬০১
১২৪। ওসি গোসাইরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৬১২
১২৫। ওসি ভেদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬১৩
১২৬। ওসি ডামুড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৪
১২৭। ওসি জাজিরা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৫
১২৮। ওসি নড়িয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬১৬
১২৯। ওসি পালং- ০১৭১৩৩৭৩৬১৭
১৩০। ওসি শখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৬১৮
চট্রগ্রাম বিভাগঃ
========
১। ওসি রাউজান- ০১৭১৩৩৭৩৬৩৯
২। ওসি হাটহাজারী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪০
৩। ওসি ফটিকছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৬৪১
৪। ওসি রাংগুনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪২
৫। ওসি পটিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৩
৬। ওসি মীরসরাই- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৪
৭। ওসি সীতাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৫
৮। ওসি আনোয়ারা- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৬
৯। ওসি বোয়ালখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৭
১০। ওসি বাশখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৮
১১। ওসি সাতকানিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৯
১২। ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৫০
১৩। ওসি চান্দনাইশ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫১
১৪। ওসি সন্দীপ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫২
১৫। ওসি কক্সবাজার- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৩
১৬। ওসি রামু- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৪
১৭। ওসি উখিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৫
১৮। ওসি টেকনাফ- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৬
১৯। ওসি চকোরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৭
২০। ওসি কুতুবদিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৮
২১। ওসি মহেষখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৯
২২। ওসি পেকুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৭০
২৩। ওসি কোতয়ালী কুমিল্লা-
০১৭১৩৩৭৩৬৮৫
২৪। ওসি চৌদ্দগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৬
২৫। ওসি দেবীদ্দার- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৭
২৬। ওসি হোমনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৮
২৭। ওসি লাকসাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৯
২৮। ওসি দাউদকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৬৯০
২৯। ওসি বুড়িচং- ০১৭১৩৩৭৩৬৯১
৩০। ওসি চান্দিনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯২
৩২। ওসি বরুরা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৩
৩৩। ওসি লাঙ্গলকোট- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৪
৩৪। ওসি মুরাদনগর- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৫
৩৫। ওসি ব্রাক্ষ্মনপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৬
৩৬। ওসি মেঘনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৭
৩৭। ওসি মনোহরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৮
৩৮। ওসি তিতাস- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৯
৩৯। ওসি সদর দক্ষিন কুমিল্লা-
০১৭১৩৩৭৩৭০০
৪০। ওসি চাদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭১২
৪১। ওসি হাজীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৩
৪২। ওসি মতলব- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৩। ওসি মতলব উত্তর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৪। ওসি মতলব দক্ষিন- ০১৭১৩৩৭৩৭১৫
৪৫। ওসি শাহারাস্তি- ০১৭১৩৩৭৩৭১৬
৪৬। ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭১৭
৪৭। ওসি ফরিদগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৮
৪৮। ওসি হাইমচর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৯
৪৯। ওসি ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া সদর-
০১৭১৩৩৭৩৭৩০
৫০। ওসি সরাইল- ০১৭১৩৩৭৩৭৩১
৫১। ওসি আশুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৩২
৫২। ওসি নাসিরনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৩
৫৩। ওসি নবীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৪
৫৪। ওসি বাঞ্ছারামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৫
৫৫। ওসি কসবা- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৬
৫৬। ওসি আখাউড়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৭
৫৭। ওসি সুধারাম, নোয়াখালী-
০১৭১৩৩৭৩৭৪৮
৫৮। ওসি বেগমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৪৯
৫৯। ওসি সেনবাগ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫০
৬০। ওসি সোনাইমুরি- ০১৭১৩৩৭৩৭৫১
৬১। ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫২
৬২। ওসি চাটখিল- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৩
৬৩। ওসি হাতিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৪
৬৪। ওসি চরজব্বার- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৫
৬৫। ওসি লক্ষীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৫
৬৬। ওসি রায়পুরা- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৬
৬৭। ওসি রামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৭
৬৮। ওসি রামগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৮
৬৯। ওসি ফেনী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৮
৭০। ওসি সোনাগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৯
৭১। ওসি ফুলগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৮০
৭২। ওসি পরশুরাম- ০১৭১৩৩৭৩৭৮১
৭৩। ওসি ছাগলনাইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮২
৭৪। ওসি দাগনভুইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮৩
রাজশাহী বিভাগঃ
=========
১। ওসি পবা- ০১৭১৩৩৭৩৮০০
২। ওসি গুদাগাড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮০১
৩। ওসি তানর- ০১৭১৩৩৭৩৮০২
৪। ওসি মোহনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৩
৫। ওসি পুঠিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮০৪
৬। ওসি বাগমারা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৫
৭। ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৬
৮। ওসি চারঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৮০৭
৯। ওসি বাঘা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৮
১০। ওসি চাপাই নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮১৯
১১। ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮২০
১২। ওসি গোমস্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮২১
১৩। ওসি নাচোল- ০১৭১৩৩৭৩৮২২
১৪। ওসি ভোলাহাট- ০১৭১৩৩৭৩৮২৩
১৫। ওসি নওগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৬
১৬। ওসি রায়নগর- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৭
১৭। ওসি আত্রাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৮
১৮। ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৯
১৯। ওসি বুদলগাছি- ০১৭১৩৩৭৩৮৪০
২০। ওসি মহাদেবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪১
২১। ওসি পাটনীতলা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪২
২২। ওসি নিয়ামতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৩
২৩। ওসি মান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৪
২৪। ওসি সাপাহার- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৫
২৫। ওসি পর্শা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৬
২৬। ওসি নাটোর- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৭
২৭। ওসি সিংড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৮
২৮। ওসি বাঘাতিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৯
২৯। ওসি গুরুদাসপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬০
৩০। ওসি লালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬১
৩১। ওসি বরইগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৮৬২
৩২। ওসি নলডাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৬৩
৩৩। ওসি কোতয়ালী, রংপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৪
৩৪। ওসি গঙ্গাচুড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৫
৩৫। ওসি ভোদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৬
৩৬। ওসি তারাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৭
৩৭। ওসি মিঠাপুকুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৮
৩৮। ওসি পীরগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৯
৩৯। ওসি কাউনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৮০
৪০। ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৮১
৪১। ওসি গাইবান্ধা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯২
৪২। ওসি সাদুল্লাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৩
৪৩। ওসি সুন্দরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৪
৪৫। ওসি পলাশবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৫
৪৬। ওসি গোবিন্দগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৬
৪৭। ওসি সাতঘাটা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৭
৪৮। ওসি ফুলছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৮
৪৯। ওসি নিলফামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯০৯
৫০। ওসি সৈয়দপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯১০
৫১। ওসি জলঢাকা- ০১৭১৩৩৭৩৯১১
৫২। ওসি কিশোরগঞ্জ (নিলফামারী)-
০১৭১৩৩৭৩৯১২
৫৩। ওসি ডোমার- ০১৭১৩৩৭৩৯১৩
৫৪। ওসি ডিমলা- ০১৭১৩৩৭৩৯১৪
৫৪। ওসি সৈয়দপুর পুলিশ ফাড়ী-
০১৭১৩৩৭৩৯১৫
৫৫। ওসি কুড়িগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯২৬
৫৬। ওসি রাজারহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯২৭
৫৭। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯২৮
৫৮। ওসি নাগেশ্বর- ০১৭১৩৩৭৩৯২৯
৫৯। ওসি বুরুঙ্গামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩০
৬০। ওসি উলিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩১
৬১। ওসি চিলমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩২
৬২। ওসি রৌমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৩
৬৩। ওসি রাজীবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৪
৬৪। ওসি দুসমারা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৫
৬৫। ওসি কোচাকাটা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৬
৬৬। ওসি লালমনিরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৬
৬৭। ওসি আদিতমারি- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৭
৬৮। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৮
৬৯। ওসি হাতিবান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৯
৭০। ওসি পাটগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯৫০
৭১। ওসি কোতয়ালী দিনাজপুর-
০১৭১৩৩৭৩৯৬৩
৭২। ওসি চিরির বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৪
৭৩। ওসি রিরল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৫
৭৪। ওসি পার্বতীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৬
৭৫। ওসি বীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৭
৭৬। ওসি বোছাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৮
৭৭। ওসি কাহারোল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৯
৭৮। ওসি খানসামা- ০১৭১৩৩৭৩৯৭০
৭৯। ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯৭১
৮০। ওসি বিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭২
৮২। ওসি নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)-০১৭১
৩৩৭৩৯৭৩
৮৩। ওসি ঘোড়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৪
৮৪। ওসি হাকিমপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৫
৮৫। ওসি ঠাকুরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৫
৮৬। ওসি বালিয়াডাঙ্গী- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৬
৮৭। ওসি রানীসঙ্কৌল- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৭
৮৮। ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৮
৮৯। ওসি হরিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৯
৯০। ওসি পঞ্চগড়- ০১৭১৩৩৭৩৯৯৯
৯১। ওসি বোদা- ০১৭১৩৩৭৪০০০
৯২। ওসি আটোয়ারী- ০১৭১৩৩৭৪০০১
৯৩। ওসি তেতুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০০২
৯৪। ওসি দেবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০০৩
৯৫। ওসি পাবনা- ০১৭১৩৩৭৪০১৬
৯৬। ওসি ঈশ্বরদী- ০১৭১৩৩৭৪০১৭
৯৭। ওসি আটঘরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০১৮
৯৮। ওসি চাটমোহর- ০১৭১৩৩৭৪০১৯
৯৯। ওসি ভঙ্গোরা- ০১৭১৩৩৭৪০২০
১০০। ওসি ফরিদপুর (পাবনা)- ০১৭১৩৩৭৪০২১
১০১। ওসি সূর্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪০২২
১০২। ওসি বেড়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৩
১০৩। ওসি সাথিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৪
১০৪। ওসি আতাইকুলা- ০১৭১৩৩৭৪০২৫
১০৫। ওসি সিরাজগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৩৮
১০৬। ওসি শাহাজাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৩৯
১০৭। ওসি উল্লাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৪০
১০৮। ওসি চৌহালী- ০১৭১৩৩৭৪০৪১
১০৯। ওসি তারাস- ০১৭১৩৩৭৪০৪২
১১০। ওসি কাজিপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৩
১১১। ওসি কামারকান্দা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৪
১১২। ওসি রায়গঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৪৫
১১৩। ওসি বেলকুচি- ০১৭১৩৩৭৪০৪৬
১১৪। ওসি যমুনা ব্রীজ পশ্চিম-
০১৭১৩৩৭৪০৪৭
১১৫। ওসি সালাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৮
১১৬। ওসি এনায়েতপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৯
১১৭। ওসি বগুড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬১
১১৮। ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৬২
১১৯। ওসি সোনাতলা- ০১৭১৩৩৭৪০৬৩
১২০। ওসি গাবতলী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৪
১২১। ওসি সারিয়াকান্দি- ০১৭১৩৩৭৪০৬৫
১২২। ওসি আদমদিঘী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৬
১২৩। ওসি ধুপচাচিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬৭
১২৪। ওসি কাহালু- ০১৭১৩৩৭৪০৬৮
১২৫। ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৬৯
১২৬। ওসি ধুনট- ০১৭১৩৩৭৪০৭০
১২৭। ওসি নন্দিগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৪০৭১
১২৮। ওসি শাহজাহানপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৭২
১২৯। ওসি জয়পুরহাট- ০১৭১৩৩৭৪০৮২
১৩০। ওসি কালাই- ০১৭১৩৩৭৪০৮৩
১৩১। ওসি ক্ষেতলাল- ০১৭১৩৩৭৪০৮৪
১৩২। ওসি আক্কেলপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৮৫
১৩৩। ওসি পাচবিবি- ০১৭১৩৩৭৪০৮৬
খুলনা বিভাগঃ
=======
১। ওসি ফুলতলা- ০১৭১৩৩৭৪১০৩
২। ওসি দিঘলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৪
৩। ওসি পাইকগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১০৫
৪। ওসি বটিয়াঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১০৬
৫। ওসি ডুমুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৭
৬। ওসি তেরখাদা- ০১৭১৩৩৭৪১০৮
৭। ওসি রুপসা- ০১৭১৩৩৭৪১০৯
৮। ওসি দাকোপ- ০১৭১৩৩৭৪১১০
৯। ওসি কয়রা- ০১৭১৩৩৭৪১১১
১০। ওসি বাগেরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২২
১১। ওসি ফকিরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৩
১২। ওসি মোল্লারহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৪
১৩। ওসি চিতলমারী- ০১৭১৩৩৭৪১২৫
১৪। ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৪১২৬
১৫। ওসি মোরলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১২৭
১৬। ওসি শরনখোলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৮
১৭। ওসি মংলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৯
১৮। ওসি রামপাল- ০১৭১৩৩৭৪১৩০
১৯। ওসি সাতক্ষীরা- ০১৭১৩৩৭৪১৪১
২০। ওসি কলারোয়া- ০১৭১৩৩৭৪১৪২
২১। ওসি তালা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৩
২২। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৪৪
২৩। ওসি শ্যামনগর- ০১৭১৩৩৭৪১৪৫
২৪। ওসি দেবহাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৬
২৫। ওসি আশাশুনি- ০১৭১৩৩৭৪১৪৭
২৬। ওসি পাটকেলঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৮
২৭। ওসি কোতয়ালী যশোর- ০১৭১৩৩৭৪১৬১
২৮। ওসি ঝিকরগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬২
২৯। ওসি শার্শা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৩
৩০। ওসি চৌগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৪
৩১। ওসি মনিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৫
৩২। ওসি কেশবপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৬
৩৩। ওসি অভয়নগর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৭
৩৪। ওসি বাঘারপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪১৬৮
৩৫। ওসি বেনাপোল পোর্ট- ০১৭১৩৩৭৪১৬৯
৩৬। ওসি বেনাপোল চেক পোষ্ট-
০১৭১৩৩৭৪১৭০
৩৭। ওসি মাগুরা- ০১৭১৩৩৭৪১৭৯
৩৮। ওসি শালিখা- ০১৭১৩৩৭৪১৮০
৩৯। ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮১
৪০। ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮২
৪১। ওসি ঝিনাইদহ- ০১৭১৩৩৭৪১৯২
৪২। ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৯৩
৪৩। ওসি শৈলকুপা- ০১৭১৩৩৭৪১৯৪
৪৪। ওসি হরিনাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৪১৯৫
৪৫। ওসি কোটচাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৬
৪৬। ওসি মহেশপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৭
৪৭। ওসি নড়াইল- ০১৭১৩৩৭৪২০৬
৪৮। ওসি কালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৭
৪৯। ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৮
৫০। ওসি নড়াগাতি- ০১৭১৩৩৭৪২০৯
৫১। ওসি কুষ্টিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২২০
৫২। ওসি খোকসা- ০১৭১৩৩৭৪২২১
৫৩। ওসি কুমারখালী- ০১৭১৩৩৭৪২২২
৫৪। ওসি ভেড়ামারা- ০১৭১৩৩৭৪২২৩
৫৫। ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৪
৫৬। ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৫
৫৭। ওসি ইসলামী ইউনিভার্সিটি-
০১৭১৩৩৭৪২২৬
৫৮। ওসি চুয়াডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৬
৫৯। ওসি আলমডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৭
৬০। ওসি জীবননগর- ০১৭১৩৩৭৪২৩৮
৬১। ওসি ডামুরহুদা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৯
৬২। ওসি মেহেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৪৯
৬৩। ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪। ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১
বরিশাল বিভাগঃ
========
১। ওসি কোতয়ালী বরিশাল-
০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২। ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩। ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪। ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫। ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬। ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭। ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮। ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯। ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০। ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১। ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২। ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩। ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪। ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫। ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬। ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭। ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮। ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯। ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০। ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১। ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২। ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩। ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪। ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫। ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬। ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭। ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮। ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯। ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০। ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১। ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২। ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩। ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪। ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫। ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬। ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭। ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮। ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯। ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০। ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১। ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২। ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮
সিলেট বিভাগঃ
=======
১। ওসি কোতয়ালী (সিলেট)-
০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২। ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩। ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪। ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫। ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬। ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭। ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮। ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯। ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০। ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১। ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২। ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩। ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪। ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫। ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬। ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭। ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮। ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯। ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০। ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১। ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২। ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩। ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪। ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫। ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬। ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭। ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮। ওসি দোয়ারাবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯। ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০। ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১। ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২। ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩। ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪। ওসি মৌলভীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫। ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬। ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭। ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮। ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯। ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০। ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫।