Thursday, February 13, 2014

ভালবাসা দিবসের উৎপত্তি...Valentine's Day

একদম সঠিক ইতিহাস জানতে পড়ুন- প্রাচীন রোমানদের ধর্ম ছিল
প্যাগান (Pagan) ধর্ম এবং তারা বিভিন্ন দেবতাদের পুজা করতো। Lupercus ছিল তাদের বন্য পশু ও মেষ দেবতা। এই দেবতার প্রতি ভালবাসা জানিয়ে তারা ‘লুপ ’ (Lupercalia) নামক পুজা উৎসব
করতো। এই ‘লুপারক্যালিয়া’ উৎসব আগে ফেব্রুয়া (Februa) নামে পরিচিত ছিল, এবং যেখান থেকে February মাসের উৎপত্তি।

খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারিতে রোমানরা এই ‘লুপারক্যালিয়া’ পুজার। উৎব পালন করতো যার মূল দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারী। এই পুজার প্রধান আকর্ষণ ছিল লটারি। বিনোদন ও
আনন্দের জন্য যুবকদের মাঝে যুবতীদের বণ্টন করে দেয়াই ছিল এ লটারির লক্ষ্য।

পরবর্তী বছর আবার লটারি না হওয়া পর্যন্ত যুবকেরা এ ‘সুযোগ’ পেত। এই ‘লুপারক্যালিয়া’র দিনে আরেকটি প্রথা ছিল। উৎসর্গিত ছাগল ও কুকুরের রক্তে রঞ্জিত ও সামান্য ছাগলের চামড়া পরিহিত দুই যুবক একই চামড়ার তৈরি বেত দিয়ে যুবতীদের প্রহার করতো।
এতে যুবতীরা আরো ভালোভাবে গর্ভধ করতে পারবে বলে বিশ্বাস
করা হতো। রোমান শাসকেরা একসময় তাদের প্যাগান ধর্ম পরিবর্তন
করে খ্রিষ্টানধর্ম গ্রহন করে। কিন্তু তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য
জনগনের প্যাগান সংস্কৃতি ঠিক রেখে তা খ্রিস্টধর্মের ব্যানারে নিয়ে যায়।

যেমন Sunday তে রোমান প্যাগানরা তাদের Sun God এর পুজা করতো। খ্রিষ্টান হওয়ার পর তারা Sunday কেই তাদের খ্রিষ্টান ধর্মের উপসনার দিন বানিয়ে নেয়। যাই হোক, জনগনের মাঝ থেকে প্যাগান ধর্মের চিহ্ন মুছে ফেলতে গেলাসিয়াস নামের খ্রিষ্টান পোপ এবার রোমান গড Lupercus এর বদলে খ্রিষ্টান ধর্মীয় সন্ন্যাসী সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন এর নামে ১৪ ফেব্রুয়ারীকে ভ্যালেন্টাইন
ডে ঘোষণা করে। তখন প্যাগান রোমানদের ‘লুপারক্যালিয়া’ (Lupercalia) খ্রিস্টানদের ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ তে রূপান্তর হয়। কিন্তু লটারি পদ্ধতি সেসময়েও চালু ছিল। কিন্তু লটারি নিয়ে ঝামেলা ও
গণ্ডগোল তৈরি হওয়ায় ফরাসি সরকার মধ্যযুগে ভ্যালেন্টাইন দিবস
উদযাপন নিষিদ্ধ করে দেয়।

পরে ইতালি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতেও এটা নিষিদ্ধ হয়। এমনকি ইংল্যান্ডেও ভালোবাসা দিবস নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে রাজা দ্বিতীয় চার্লস আবার এটি পালনের প্রথা চালু করেন। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক স্বার্থে বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মুলত এই ভালবাসা দিবস হল একটি পুজার দিন যেদিন যুবকদের মাঝে লটারি করে ভোগের জন্য যুবতীদের দেওয়া হত। সকল ইসলামিক স্কলার একমত এই দিনটা মুসলমানদের জন্য উদযাপন করা সম্পূর্ণ হারাম ও কবীরা গুনা।

এমনকি খ্রিষ্টান ধর্মেও এটা পালন করা নিষেধ।



Wednesday, February 12, 2014

এই লেখা যারা পড়বেন তাদের সকলকে আমি সতর্ক করছি...

যারা গান-বাজনার প্রোগ্রামে অংশগ্রহ করেন......

এই লেখা যারা পড়বেন তাদের সকলকে আমি সতর্ক করছি...

বিয়ে/হলুদ/ওয়ালীমা/পার্টি/কনসার্ট/র‍্যাগ ডে/ভালোবাসা দিবস/পহেলা বৈশাখ/বসন্ত বরণ/থার্টি-ফার্স্ট...

এমন যেকোনো প্রোগ্রামে যেখানে...

“গান-বাজনা...গায়িকা...বেপর্দা নারীদের বেহায়াপনা শরীর প্রদর্শন......মাদক ও নেশা-জাতীয় দ্রব্য...সর্বোপরি, অশ্লীলতা ও জঘন্য পাপাচারগুলো থাকবে”

আপনার ভুলেও এইগুলো তে শরীক হবেন না, এইগুলোকে সমর্থন করবেন না, সামর্থ্য থাকলে বাঁধা দেবেন। এমনকি নিকটাত্মীয় কেউ দাওয়াত দিলেও যাবেন না। আপনি কি চান, এদের পাপাচারের দাওয়াত কবুল করে তাদেরকে উতসাহিত করার শাস্তি হিসেবে আল্লাহ আপনাকে মাটিতে মিশিয়ে দিক? অথবা নিকৃষ্ট বানর শুকরে পরিণত করে দিক? (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)

পাপ কাজকে বান্দাদের জন্য আকর্ষণীয় ও লোভনীয় করে দেওয়া হয়েছে, কারণ এই পাপ কাজের আড়ালেই রয়েছে “জাহান্নাম”।

পাপ কাজ করে যদি সাময়িক আনন্দ না থাকতো তাহলে হয়তো দুনিয়ার কেউই পাপ কাজে লিপ্ত হতো না। কিন্তু এই সাময়িক আনন্দের পেছনে রয়েছে অনেক দুঃখ...আর জাহান্নামতো হচ্ছে উত্তপ্ত অগ্নি...

তবে অনেক পাপ আছে যেইগুলোর শাস্তি দুনিয়াতেই দেওয়া হয়...
এইরকম একটা উদাহরণ হচ্ছে জেনা-ব্যভিচারের শাস্তি এইডস...এইডস যে কি ভয়ংকর একটা আযাব তা জানার জন্য আপনার কোনো এইডস রোগী দেখে আসতে পারেন। তার রোগের কষ্ট না, শুধু তার মানসিক কষ্টটাই যে কি মারাত্মক...লা হা’উলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ...

এইরকম গান-বাজনা, নৃত্য এইগুলোর কি কোনো শাস্তি দুনিয়াতে দেওয়া হবে??

উত্তর হচ্ছে, হ্যা হবে...এইরকম অনেকের নিকৃষ্ট শাস্তি দুনিয়াতেই হবে। আর পরকালের শাস্তিতো আরো মারত্মক। এইজন্য আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
“ইন্না বাতসা রাব্বিকা লাশাদিদ”।
নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তার শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।
সুরা আল-বুরুজ

কি শাস্তি হবে বলার আগেই বলে নেই প্রচলিত গান-বাজনা/হলুদ/পার্টি ইত্যাদি প্রোগ্রামগুলোতে যা থাকে...
১. উদ্দাম-উশৃংখলার গান-বাজনা, যা মানুষকে উন্মত্ত করে দেয়। এগুলো মানুষকে এতোটাই উন্মত্ত করে দেয় যে, নারীরা লাজ-শরম ভুলে নিজেদেরকে পুরুষদের কাছে বিলিয়ে দিতে দ্বিধা করেনা। 
২. নর্তকী...পুরুষদের জন্য প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে ফাহেশা নারী। টাকার গোলাম কিছু প্রফেশনাল নারী, যারা আসলে একজন পতিতার চেয়ে বেশি কিছুনা, এদেরকে নিয়ে আসা হয় লম্পট-বেদ্বীন পুরুষদেরকে আকর্ষণ করার জন্য। আর পরিবেশ এমন হয়, অনেকে সাধারণ মেয়েরাও এই সমস্ত নর্তকীদের সাথে পুরুষদের মনোরঞ্জনে নেমে পড়ে।
৩. গায়িকা...কেয়ামতের একটা লক্ষণ, গায়িকার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া। কারণ নারীদের কন্ঠ লক্ষ লক্ষ যুবকের চরিত্রের শুদ্ধতা নষ্ট করে দিতে পারে।
৪. বিভিন্ন মাদক ও নেশা জাতীয় দ্রব্য...
এই পার্টিগুলো অনেক তরুণের নেশা ধরার স্থান। ফ্রীতে দামী নেশাদ্রব্য খেয়ে বাকি জীবন নেশার পেছনেই ধ্বংস করে।

আপনারা জানেন কিনা জানিনা, কেয়ামতের ছোট যে লক্ষণগুলো হাদীসে বলা হয়েছে তার বেশিরভাগই ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।

এইরকম দুইটা আশ্চর্য নিদর্শন আমি আপনাদেরকে আবার স্মরণ করিয়ে দেই।

১. রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা একে-অপরকে হত্যা করবে। এমনকি মানুষ তার প্রতিবেশি, তার ভাইয়ের ছেলে এবং আত্মীয়দেরকে হত্যা করবে।”
ইবনে মাজাহঃ ২/৩২৯৮।

২-১ দিন আগে পত্রিকাতে দেখলাম নিকটাত্মীয় কেনো, এক নরপশু তার নিজের বাবাকে হত্যা করেছে। এর আগেও বহু খবর এসেছে ছেলে-মেয়ে বাবা বা মাকে হত্যা করেছে। আর এক মেয়েতো তার নিজের বাবা-মা উভয়কে হত্যা করে সবার কাছেই পরিচিত হয়ে গেছে। ব্যপারটা ২-১টা না, এমন অনেকই ঘটছে বর্তমান অধঃপতিত মুসলিম সমাজে।

২. রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এক হাদীসে বলেছেন, “তোমরা ইয়াহুদী ও খ্রীস্টানদের পদে পদে অনুসরণ করবে। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ যদি প্রকাশ্যে তার মায়ের সাথে জেনা করে তাহলে তোমরাও তা করবে (নাউযুবিল্লাহ)।”
বাযযারঃ ১২১০৫। 

***এই হাদীসের বাস্তবায়ন ইতিমধ্যেই হয়েছে। মায়ের সাথে না হলেও নিজের পরিবারের সাথে জেনা/ধর্ষণে লিপ্ত হয়েছে এমন কিছু নরপশুর কথা আমাদের জানা আছে। এছাড়া বিভিন্ন ফতোয়া ও ইসলামী জিজ্ঞাসার সাইটে এই সম্পর্কে বাস্তব ঘটনা নিয়ে ফতোয়াও জানতে চাওয়া হচ্ছে আজকালকার যুগে...ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

কেয়ামত কবে হবে কেউ জানেনা, কিন্তু এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় খুব বেশি দেরী নেই...

যাইহোক এইবার আসি মূল আলোচনায়...গান বাজনার পার্টির শাস্তি...

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
“কেয়ামতের আলামত হচ্ছে (দ্বীনি) জ্ঞান উঠে যাওয়া, অজ্ঞতার সয়লাব হওয়া, মদ পান করা, ব্যভিচার ব্যপকতা লাভ করা।”
মুসলিম, কিতাবুল ইলম।

শেষ জামানার লক্ষণ হচ্ছেঃ
“গান-বাদ্য, গায়িকা ও মদপানকে হালাল মনে করা হবে।”
ত্বাবারানি। 

এই সবগুলোই এখন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এইগুলোর শাস্তিঃ
“...ভূমিধ্বসে ধ্বংস করে দেওয়া হবে...মানুষের আকৃতি পরিবর্তন করা হবে...”
ত্বাবারানি।

কি আকৃতি পরিবর্তন করা হবে? 
মানুষকে শূকর ও বানরে পরিণত করে দেওয়া হবে পূর্বে যেমন ইয়াহুদীদেরকে করা হয়েছিলোঃ

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ
“আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে। তাদের মাথার উপরে গান-বাজনা ও নারী-নৃত্য চলতে থাকবে। আল্লাহ তাদেরকে মাটিতে ধসিয়ে দেবেন। আর তাদেরকে বানর ও শূকরে পরিণত করে দেবেন।”
ইবনে মাজাহঃ ২/৩২৪৭।

!!!বর্তমানে আমরা ঠিক এটাই দেখতে পাচ্ছিঃ এনার্জি ড্রিংকস, স্পিরিচিউয়াল ড্রিংকস, ইয়াবা, আফিম ইত্যাদি নামে নেশা করা হচ্ছে...মাথার উপরে মাইকে গান বাজনা হচ্ছে...স্টেজে নারীরা অশ্লীল বেহায়া নৃত্য করছে। বেনামাযি, কাফের, মুশরেকদের সাথে অনেকে নামাযি, আধা হিজাবী, দুর্বল ঈমানদার ভাই-বোনও এতে জড়িয়ে পড়ছে।

এদের শাস্তি স্বরূপ একদল লোকদেরকে মাটিতে ধ্বসিয়ে দেওয়া হবে। আমাদের দেশে ইতিমধ্যে যে বিল্ডিং ধ্বসে মারাত্মক দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে...নিঃসন্দেহে এইগুলো আল্লাহর আজাব-গজবের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত। এমন হওয়াও অসম্ভব না যে – গান, গায়িকা, মদ, জেনার প্রাদুর্ভাব হিসেবে – এইগুলো সেই আজাবের অংশ, যা হাদীসে কেয়ামতের আলামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে!!!

হয়তো ভবিষ্যতে আরো এইরকম বিল্ডিং বা মাটি ধ্বসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখনো বাকি রয়েছে...মানুষকে শুকর ও বানরে পরিণত করা। আল্লাহ তার নবী রাসুলদের যে ওয়াদা দিয়েছেন তা অবশ্যই সত্য। একদিন হয়তো এমন হবে, এইরকম গান-বাজনা, মদ, অশ্লীল নারীদের নৃত্যের কোনো প্রোগ্রামে মানুষেরা সারা-রাত আনন্দ ফূর্তিতে লিপ্ত থাকবে। আর সকাল বেলায় তাদেরকে বানর ও শূকরে পরিণত করে দেওয়া হবে...

বিশ্ব ভালবাসা দিবস কি ??

এক নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এ ইতিহাসটির বয়স সতের শত সাঁইত্রিশ বছর হলেও ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ নামে এর চর্চা শুরু হয় সাম্প্রতিক কালেই। দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারির কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ প্রেমিকদেরকে গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করেন। তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’।
বাংলাদেশে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয় ১৯৯৩ইং সালে। কিছু ব্যবসায়ীর মদদে এটি প্রথম চালু হয়। অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায় ! লুফে নেয় বাংলার তরুণ-তরুণীরা। এরপর থেকে ঈমানের ঘরে ভালবাসার পরিবর্তে ভুলের বাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রু শয়তান এইডস নামক মরণ-পেয়ালা হাতে নিয়ে দাঁত বের করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন! অপবিত্রতা নোংরামি আর শঠতার মাঝে তো আর ভালবাসা নামক ভালো বস্তু থাকতে পারে না। তাই আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হৃদয় থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন।
বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে চেনার জন্য আরও কিছু বাস্তব নমুনা পেশ করা দরকার। দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রূপা-সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে আসে। শুধুই কি তাই ! অঙ্কন পটীয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার ধারে। তাদের সামনে তরুণীরা পিঠ, বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার জন্য। তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে-নিবৃতে প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে খোশ গল্প। এ হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবসের কর্মসূচি! বিশ্ব ভালবাসা দিবস না বলে বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস বললে অন্তত নামকরণটি যথার্থ হতো।

যারা ঈমানদারদের সমাজে এ ধরণের অশ্লীলতার বিস্তার ঘটায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য আল্লাহ তা‘আলা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

‘‘ যারা মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি..।’’(সূরা আন-নূর :১৯)

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন : 

“হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, 
যথাযথ ভয়। আর তোমরা মুসলিম হওয়া ছাড়া মারা যেও না”।.



ভ্যলেন্টাইন ডে বা বিশ্ব ভালবাসা দিবস পালনের ক্ষতিকর কিছু দিক :

১. ভ্যলেন্টাইন শব্দটির সাথে এক চরিত্রহীন লম্পটের স্মৃতি জড়িয়ে যারা ভালবাসার জয়গান গেয়ে চলেছেন, পৃথিবীবাসীকে তারা সোনার পেয়ালায় করে নীল বিষ পান করিয়ে বেড়াচ্ছেন।
২. তরুণ-তরুণীদের সস্তা যৌন আবেগকে সুড়সুড়ি দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালবাসেন না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُفْسِدِينَ
‘‘আর তারা তো পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়। আর আল্লাহ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ভালবাসেন না।’’(সূরা আল মায়িদাহ : ৬৪)
৩. নৈতিক অবক্ষয় দাবানলের মত ছড়িয়ে যাচ্ছে।
৪. নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি লাভ করছে। যারা ঈমানদারদের সমাজে এ ধরণের অশ্লীলতার বিস্তার ঘটায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য আল্লাহ তা‘আলা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
‘‘যারা মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি..।’’ (সূরা আন-নূর :১৯)
বস্তুত যে সমাজেই চরিত্র-হীনতার কাজ ব্যাপক, তথায় আল্লাহর নিকট থেকে কঠিন আযাব সমূহ ক্রমাগত অবতীর্ণ হওয়া অবধারিত, আব্দুল্লাহ ইবন ‘উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন:
لَمْ تَظْهَرِ الْفَاحِشَةُ فِي قَوْمٍ قَطُّ حَتَّى يُعْلِنُوا بِهَا إِلَّا فَشَا فِيهِمُ الطَّاعُونُ وَالْأَوْجَاعُ الَّتِي لَمْ تَكُنْ مَضَتْ فِي أَسْلَافِهِمِ…
‘‘যে জনগোষ্ঠীর মধ্যে নির্লজ্জতা প্রকাশমান, পরে তারা তারই ব্যাপক প্রচারেরও ব্যবস্থা করে, যার অনিবার্য পরিণতি স্বরূপ মহামারি, সংক্রামক রোগ এবং ক্ষুধা-দুর্ভিক্ষ এত প্রকট হয়ে দেখা দিবে, যা তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে কখনই দেখা যায় নি।’’(ইবনু মাজাহ, কিতাবুল ফিতান, হাদিস নং-৪০০৯)
৫. তরুণ-তরুণীরা বিবাহ পূর্ব দৈহিক সম্পর্ক গড়তে কোন রকম কুণ্ঠাবোধ করছে না। অথচ তরুণ ইউসুফ আলাইহিস সালামকে যখন মিশরের এক রানী অভিসারে ডেকেছিল, তখন তিনি কারাবরণকেই এহেন অপকর্মের চেয়ে উত্তম জ্ঞান করেছিলেন। রোমান্টিক অথচ যুব-চরিত্রকে পবিত্র রাখার জন্য কী অতুলনীয় দৃষ্টান্ত! আল্লাহ জাল্লা শানুহু সূরা ইউসুফের ২৩-৩৪ নম্বর আয়াত পর্যন্ত এ ঘটনা বর্ণনা করেছেন।

৬. শরীরে উল্কি আঁকাতে যেয়ে নিজের ইয্যত-আব্রু পরপুরুষকে দেখানো হয়। যা প্রকাশ্য কবিরা গুনাহ। যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে এবং যার গায়ে তা আঁকা হয়, উভয়য়ের উপরই আল্লাহর লা‘নত বর্ষিত হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
لَعَنَ اللَّهُ الْوَاصِلَةَ وَالْمُسْتَوْصِلَةَ وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ *
‘‘যে ব্যক্তি পর-চুলা লাগায় এবং যাকে লাগায়; এবং যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে এবং যার গায়ে আঁকে, আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত করেন।’’(বুখারী,কিতাবুল লিবাস,হাদিস নং৫৪৭৭)
মূলত যার লজ্জা নেই, তার পক্ষে এহেন কাজ নেই যা করা সম্ভব নয়। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
إِذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْت
‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তাই করতে পার।’’(বুখারী, কিতাবু আহাদীসিল আম্বিয়া, হাদিস নং৩২২৫)
৭. ভালবাসা দিবসের নামে নির্লজ্জতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যিনা-ব্যভিচার, ধর্ষণ ও খুন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
وَلَا فَشَا الزِّنَا فِي قَوْمٍ قَطُّ إِلَّا كَثُرَ فِيهِمُ الْمَوْتُ…
‘‘যে জনগোষ্ঠীর-মধ্যেই ব্যভিচার ব্যাপক হবে, তথায় মৃত্যুর আধিক্য ব্যাপক হয়ে দেখা দেবে।’’(মুয়াত্তা মালিক, কিতাবুল জিহাদ, হাদিস নং-৮৭০



ভারতের ছত্তিসগড়ে দেখা মিলল মহাভারত যুগের উড়ন্ত সাপের

ভারতের ছত্তিসগড়ে দেখা মিলল মহাভারত যুগের উড়ন্ত সাপের। ইংরেজিতে বৈজ্ঞানিক নাম, ক্রাইসোপিলিয়া। খুবই বিষাক্ত। ছোট-খাটো দূরত্ব উড়েই অতিক্রম করতে সক্ষম। মাটি থেকে ৩০-৪০ ফুট উঁচুতে 'এস আকৃতিতে' অনায়াসে উড়ে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুর উপর আছড়ে পড়তে পারে কয়েক ফুট লম্বা তক্ষক প্রজাতির এই সাপ। এই উড়ুক্কু সাপের সন্ধান মিলেছে ছত্তিসগড়ের বস্তার জেলার বাইলাডিলার দুর্গম পাহাড়ে।
পাঁচ হাজার বছর আগে মহাভারতের যুগে নাকি অস্তিত্ব ছিল তার। এরপর আর সেইভাবে দেখা মেলেনি। ফের তার দেখা মিলেছে। স্থানীয় কিরান্দুল কলেজের অধ্যক্ষ ও বৈজ্ঞানিক এসকেএস গজেন্দ্র দাবি করেছেন, বাইলাডিলা সংলগ্ন আদিবাসীরা এবং তিনি নিজে এই উড়ুক্কু সাপ দেখেছেন। তিনিও প্রথমে বিশ্বাস করতে চাননি। কিন্তু অনেক দূর থেকে একবারই দেখেছেন হালকা হলুদ রঙের এই সাপকে। তিনি নিশ্চিত ভুল তার হওয়ার নয়। তার দাবি, অসংখ্য উড়ন্ত সাপ বাইলাডিলা পাহাড় ও গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে রয়েছে। সচরাচর এরা লোকালয়ে আসে না। তিনি যখন সাপটিকে দেখলেন তখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জঙ্গলে হাওয়া সাপটি। গত কয়েক মাসে আদিবাসীরা বেশ কয়েকবার উড়ন্ত সাপ দেখার পর ঘটনাটি জানাজানি হয়।
উত্তর ভারতের জনপ্রিয় সংবাদপত্র 'অমর উজালা' কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অধ্যক্ষ গজেন্দ্র জানিয়েছেন, মহাভারতে বর্ণনা আছে, উড়ন্ত সাপ কামড়েছিল হস্তিনাপুরের রাজা পরীক্ষিৎকে। মহাভারতের বর্ণনা অনুসারে, তখনকার ভৌগোলিক বিবরণ বলছে সেই সাপ এসেছিল বাইলাডিলা পাহাড় থেকেই। ফের হাজার হাজার বছর পরে সেই সাপের হদিশ মিলল বাইলাডিলা এলাকাতেই। অমর উজালায় প্রকাশিত খবরটি উদ্ধৃত করে বুধবার বিস্তারিত খবর প্রকাশ করেছে নিউজ এইট্টিন ডট কম।

Tuesday, February 11, 2014

বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড আতঙ্ক ছড়াচ্ছে : আলজাজিরা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবল জানুয়ারি মাসেই কয়েক ডজন রাজনৈতিক কর্মী খুন হয়েছেন। ফলে দেশটির ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যাকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিতর্কিত সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দেশজুড়ে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে খুনের শিকার হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিরোধী দলের নেতারা তাদের কর্মীদের গ্রেফতার করে ‘বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের’ জন্য সরকারকে দায়ী করেছে। তবে গত দুই মাসে মতাসীন দলেও অনেক কর্মীও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
মানবাধিকার গ্র“পগুলো আশঙ্কা করছে, সরকার হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে কঠোর পদপে গ্রহণ না করলে আগামী মাসগুলোতে অবস্থার আরো অবনতি ঘটবে।
প্রতিবেদনটিতে বিরোধী দলের কয়েকজনের গ্রেফতার এবং তারপর নিহত হওয়ার খবরও প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, ঢাকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অধিকার তার জানুয়ারি মাসের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, র‌্যাব, পুলিশ, ও যৌথবাহিনী এক মাসেই ৩০টির বেশি বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এতে আরো বলা হয়, এদের ২৬ জন বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর নেতা বা কর্মী।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রণকৌশলে ভারত এখন আর ‘শত্রু’ রাষ্ট্র নয়

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রথমবারের মত তার প্রশিক্ষণে পরিবর্তন এনেছে। এখন ভারত আর কোনো হুমকি নয়। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা যে যুদ্ধ খেলায় (ওয়ারগেম) অংশ নিয়েছেন তাতে ভারত সীমান্তকে হুমকি (ওয়ারফ্রন্ট) বলে বিবেচনা করা হয়নি।
সোমবার দা নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন দিক থেকে ঘিরে রাখা ভারতকে হুমকি বলে মনে করত বাংলাদেশ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে বাংলাদেশের সামরিক প্রশিক্ষণে তাই ভারতের (হুমকির বিষয়টি) মাথায় থাকা অস্বাভাবিক নয়।
যুদ্ধখেলা সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এতে তাদের যুদ্ধের মতবাদ এবং কৌশল শেখানো হয়। যুদ্ধ খেলায় শত্রুর নাম প্রকাশ করা হয় না। তবে আন্তর্জাতিক সীমান্তের অবস্থান এবং সামরিক বাহিনীর সংখ্যার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় প্রতিপক্ষ কে।
ভারত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে। তাই এই যুদ্ধ খেলায় ভারতকে নিশানা করার নীতিতে সংশোধন ভারতের একটি অন্যতম লক্ষ্য।
একজন সিনিয়র কর্মকর্তা (ভারতের) বলেন, ‘আপনার সব মতবাদ (ডকট্রিন) এবং যুদ্ধের হালচাল যদি ভারতকে লক্ষ্য করে হয়, তবে তা প্রতিবেশীকে কিভাবে দেখা হয় তার ওপরে একটি মনসতাত্ত্বিক বাধা তৈরি করে।’
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন আত্মরক্ষামূলক কৌশল নিচ্ছে যেখানে সৈন্যদের আগ্রাসী সেনাবাহিনীকে মোকাবিলার জন্য তৈরি করা হচ্ছে। এটা স্বভাবতই একটি স্পর্শকাতর ইস্যু যেটার জন্য দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন দরকার।
২০১২ সালে বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সফরকালে ভারতের সেনাপ্রধান তার বাংলাদেশের কাউন্টারপার্টকে (প্রতিপক্ষকে) এই অনুরোধ করেন।
তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা তাদের (বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে) যুদ্ধ খেলায় আন্তর্জাতিক সীমান্তের পরিবর্তে তাদের নিজেদের সীমান্তকে নির্ধারণ করতে বলেছি এবং সৈন্য সংখ্যায় পরিবর্তন আনতে বলেছি যাতে ভারতের সঙ্গে তা কাকতালীয়ভাবে না হয়ে যায়।’
এই আহ্বানের দু’বছর পর প্রতিরক্ষা বিভাগের নেতৃত্ব এবং স্টাফ কলেজ, যারা ঊর্ধ্বতন নেতাদের বাছাই করে প্রশিক্ষণ দেয়, এই পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠনের পর এই প্রথম এ ঘটনা ঘটলো।