Sunday, July 6, 2014

এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফাউল করেছে ব্রাজিল, সবচেয়ে কম আর্জেন্টিনা

এখন পর্যন্ত পাঁচটি করে ম্যাচ খেলা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফাউল করেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। সবচেয়ে কম ফাউল করেছে আর্জেন্টিনা। ফিফার অফিসিয়াল ওয়েব সাইটেই মিলেছে এমন তথ্য।


এ থেকে বোঝা যায় ষষ্টবার বিশ্বকাপ জয়ের চাপ কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলেছে নেইমারদের খেলায়। সে কারণেই মাঠের খেলায় একটু হলেও বেশি ঝুঁকি নিয়ে ফেলছেন তারা। সবচেয়ে বেশিবার ফাউল করার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশিবার ফাউলের শিকারও হয়েছে তারাই।

শুধু ফাউল করাই নয়, সবচেয়ে বেশি হলুদ কার্ডও দেখেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। এখানে তাদের সঙ্গে অবশ্য কোস্টারিকাও আছে।

ব্রাজিলের ফাউল সংখ্যা ৯৬টি, তারা হলুদ কার্ড দেখেছে ১০টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কোস্টারিকার ফাউল ৯৪টি, হলুদ কার্ড ১০টি। তৃতীয় স্থানে আছে নেদারল্যান্ডস। ডাচরা প্রতিপক্ষকে ফাউল করেছে ৯১বার আর হলুদ কার্ড দেখেছে ৭বার।

ফিফার রেকর্ড অনুযায়ী ফাউল আর কার্ডের সংখ্যা

ফাউল করা ও হলুদ কার্ড দেখার তালিকায় চতুর্থ স্থানে কলম্বিয়া। তারা ৯১বার ফাউল করেছে আর হলুদ কার্ড দেখেছে পাঁচবার। পঞ্চম স্থানে বেলজিয়াম। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বাদ পড়া দলটি ফাউল করেছে ৮৬বার। তাদের হলুদ কার্ডের শাস্তি পেতে হয়েছে ৭ বার। ষষ্ট স্থানে ফ্রান্স। ৬২টি ফাউলের বিপরীতে তারা হলুদ কার্ড দেখেছে পাঁচবার। সপ্তম স্থানে জার্মানি। তারা ফাউল করেছে ৫৭বার, হলুদ কার্ড দেখেছে পাঁচবার।

অন্তত পাঁচটি ম্যাচ খেলা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ফাউল করেছে আর্জেন্টিনা। মেসির দল প্রতিপক্ষকে অবৈধ আক্রমণ করেছে ৫৪বার। হলুদ কার্ড দেখেছে পাঁচবার।

খৃষ্টান মিশনারীদের দালালী ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে ষোযন্ত্রের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে জুতাবৃষ্টির পর রাঙ্গামাটিতে বাঙালী ছাত্রদের হামলার শিকার হলো বাংলাদেশের কুখ্যাত নাস্তিক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের (সিএইচটি) কো-চেয়ারপার্সন সুলতানা কামাল চক্রবর্তী সহ তার সহযোগীরা।

খৃষ্টান মিশনারীদের দালালী ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে ষোযন্ত্রের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে জুতাবৃষ্টির পর রাঙ্গামাটিতে বাঙালী ছাত্রদের হামলার শিকার হলো বাংলাদেশের কুখ্যাত নাস্তিক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক
আন্তর্জাতিক কমিশনের (সিএইচটি) কো-চেয়ারপার্সন সুলতানা কামাল চক্রবর্তী সহ তার সহযোগীরা।
এতে চার জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সিএইচটি কমিশনের সদস্যরা হলেন-
অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল,
খুশী কবির, ড.স্বপন আদনান, হানা শামস আহমেদ।
এদিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার
দিকে সিএইচটির গাড়ি বহর জেলা শহরের পর্যটন মোটেল থেকে বের হয়ে একশ গজ দূরে গেলেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন- রাঙামাটি সদর কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ সোহেল (৪৭), পিআইডির ড. ইফতেখারুজ্জামান, কলামিস্ট ইলোরা দেওয়ান ও গাড়ি চালক। এতে চালকের নাম জানা যায়নি।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত
করে জানান, সিএইচটি কমিশনের ৫
সদস্যসহ আহতদের কড়া নিরাপত্তায়
প্রথমে রাঙামাটি কতোয়ালি থানায়
নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম
সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ সোহেল
বলেন, ‘অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এসময় সংঘর্ষে তিনিসহ চার জন আহত হয়েছেন।’
এর আগে সকালে ৫ সদস্যকে পর্যটন
মোটেলে অবরুদ্ধ করে রাখে বাঙালি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সকাল সোয়া ১০টা থেকে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ কর্মীরা মোটেলের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় নেতাকর্মীরা শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রাখে।
এতে যান চলচল বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে শুক্রবার বাঙালি সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা ব্যাপক
বিক্ষোভের মুখে পার্বত্য খাগড়াছড়ি থেকে বের হয়ে জুতাবৃষ্টি অতিক্রম করে চট্টগ্রাম গিয়ে রাতের অন্ধকারে রাঙামাটি শহরে এসে পৌঁছায় সিএইচটি কমিশনের সদস্যরা। শুক্রবার
রাতে অনেকটা গোপনীয়ভাবেই পাহাড়ি এই শহরে প্রবেশ করেন তারা।
পরে রাতে চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারা। কমিশন সদস্যগণ রাঙামাটি পর্যটন মোটেলে রাত যাপনের উদ্দেশ্যে চলে যান। রাঙামাটির পর্যটন কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন সূত্র কমিশন সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পর্যটন মোটেলে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা গেছে, কমিশনের সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল,
খুশী কবির, ড. স্বপন আদনান, হানা শামস আহমেদ সেখানে অবস্থান করছেন। এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম
কমিশনকে বিতর্কিত, পক্ষপাতদুষ্ট ও খৃষ্টান মিশনারীদের দালাল আখ্যা দিয়ে তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে ৪ ও ৫ জুলাই রাঙামাটি জেলায় অবরোধের ডাক দিয়েছিলো ৬টি বাঙালিভিত্তিক সংগঠন। শুক্রবার সকাল থেকে অবরোধ শুরু হলেও দুপুরে কমিশন সদস্যরা খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভেরমুখে সফর বাতিল করে চট্টগ্রাম চলে গেছে জানিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনগুলো। কিন্তু এরই মধ্যে কমিশন সদস্যরা প্রশাসনের কাছে কোনো প্রকার তথ্য না দিয়েই অনেকটা গোপনেই রাঙামাটির
শহরে আসেন।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনকে কোনো কিছু না জানিয়ে, গোপনে কমিশন সদস্যদের
রাঙামাটি আসার খবরে তোলপাড় ও
কৌতুহল সৃষ্ঠি হয়েছে সারা শহর জুড়ে।
রাতেই খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল
পর্যটন মোটেলে গেলেও সেখানে অবস্থান নেয়া কমিশন সদস্যরা ক্লান্তি ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না জানা গেছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনু সোহেল ইমতিয়াজ জানিয়েছেন, তারা আমাদের কোনো কিছুই না জানিয়ে রাঙামাটিতে এসেছে এবং আমাদের কোনো নিরাপত্তা সহযোগিতাও চায়নি। তবুও নিজেদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে আমি রাতেই পর্যটন মোটেলে গেছি, কিন্তু সেখানে তাদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলার সুযোগ হয়নি।
উল্লেখ্য শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলে সংবাদ সম্মেলন
করাকালে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদকর্মীরা মোটেলের
সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু
করে। ৩০ মিনিটের মধ্যে খাগড়াছড়ি ত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে তাদের উপর জুতা নিক্ষেপপ করে বাঙ্গালী ছাত্ররা। দ্রুত খাগড়াছড়ি ছেড়ে চট্টগ্রামের দিকে রওনা দিয়ে দিক পরিবর্তন করে কৌশলে রাঙামাটি প্রবেশ করেন তারা।


Thursday, July 3, 2014

২০ মাইল দীর্ঘ ভয়ংকর ‘সর্প দ্বীপ’ ব্রাজিলে




টিবিটি আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ এক মাইল কিংবা দুই মাইল নয়, দীর্ঘ ২০ মাইল দীর্ঘ এক দ্বীপ। পুরোটা জুড়ে কেবল সাপ আর সাপ।

একটি দুটি নয়, চার হাজার সাপের বিশাল এক দল এই দীপে নিজেদের রাজ্য গড়ে তুলেছে। সেখানে মানুষ নেই, নেই বসতি। দ্বীপের একপাশ থেকে আরেক পাশ পর্যন্ত একই প্রজাতির সাপের বিচরণ। তাই দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে সাপের দ্বীপ। যদিও এই দ্বীপের কেতাবি নামও রয়েছে। ‘লা দ্য কুইমাদা গ্রানাদে’ নামে এটি প্রায় ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ। 


দ্বীপটি অবস্থিত আমাজন সংলগ্ন ল্যাটিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশে ব্রাজিলের সাও পাওলো সমুদ্র উপকূলে। সাও পাওলো উপকূলে সোনালী তীক্ষ্ম আকৃতির মাথা সদৃশ এই সাপের বসবাস। বোথরোপস ইনসুলারিস নামের এই সাপ কেবল এ অঞ্চলেই বাস করে। সাধারণ বিষধর সাপের চেয়ে প্রায় ৫ গুণ বিষধর এই সাপ পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপ হিসেবেও স্বীকৃত। এরা আকাশে উড়ন্ত পাখিকে ছো মেরে মুহূর্তে বিষের সাহায্যে নিস্তেজ করে উদরপূর্তি করে। এদের বিষ এতোই ভয়ানক যে মানুষের মাংসকে মুহূর্তে গলিয়ে ফেলতে পারে। রূপকথার মতো শোনালেও বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও বিষধর এই সাপের অস্তিত্ত্ব রক্ষায় ব্রাজিল সরকার তাই লা দ্য কুইমাদা গ্রানাদে দ্বীপে মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 




যদিও অনেকেই এর আগেই বোকামি করে ওই এলাকায় গিয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন ফর নেচার কর্তৃক ভয়ানক বিপদজনক প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এই রাজ্যের বাসিন্দাদের। বোথরোপস ইনসুলারিস দেখতে উজ্জ্বল হলুদাভ ও বাদামী বর্ণের। এরা গড়ে ২৮ ইঞ্চি এবং সর্বোচ্চ ৪৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। মাথা তীক্ষ্ম আকৃতির বিধায় একে লানচিহেড ভাইপার নামেও ডাকা হয়। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যুর কারণ এই সাপ। জনমানবহীন নিজ রাজ্যে এরা সাধারণত পাখি খায়। তবে টিকিটিকিও এদের অন্যতম খাবার। এমনকি এরা অন্য সাপও ভক্ষণ করে। সাও পাওলোর সমুদ্র ঘেষা অপরূপ নৈসর্গিক এই দ্বীপের আকৃতি ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন বর্গফুট। এটা পৃথিবীর একমাত্র জায়গা যেখানে এই প্রজাতির সাপ বাস করে।




সাপের এই রাজ্যে জনমানবের বাস না থাকলেও প্রতিবছর সাপের ওপর গবেষণা করতে কিছু বিজ্ঞানীকে সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে ব্রাজিলের নৌবাহিনী উপলক্ষ্য অনুযায়ী এ এলাকায় আসে। এ সময় তারা ১৯০৯ সালের আগে তৈরি  বাতিঘরের কাছে তাবু গাড়ে। তবে মনে করা হয় সাপের বিষময় রাজ্যেও নিয়মিত বণ্যপ্রাণী শিকারীদের আগমন ঘটে। তারা জানিয়েছে, লিচেনহেডের বিষ মহামূল্যবান। কালো বাজারে এর দাম প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার পাউন্ড। এদের অবলুপ্তির পেছনে এটাও একটা বড় কারণ।

তবে এরা মূল ভূমিতে থাকা স্বগোত্রীয়দের চেয়ে খুব বেশি ভিন্নতর নয়। প্রচলিত রয়েছে, প্রায় ১১ হাজার বছর আগে সমুদ্র উচ্চতার কারণে ব্রাজিল থেকে এই দ্বীপ বিচ্ছন্ন হয়ে যায়। তখন এই সাপ এই দ্বীপে চলে আসে। এর বিষ অন্যান্য সাপের বিষের চেয়ে ৫ গুণ শক্তিশালী। এর কামড়ে একজন মানুশের সাত শতাংশ মৃত্যু সম্ভাবনা থাকে। এই দ্বীপের ভয়বাহবতা নিয়েও গল্প-কথার কমতি নেই।  এর একটি হলো এক জেলের গল্প। সেই জেলে যার  নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দ্বীপে নৌকা ভিড়িয়েছিলেন। কিন্তু জেলেকে অভ্যর্থনা জানাতে ওৎ পেতে ছিল লিচেনহেডরা। পরে সর্প দংশনে নৌকায় তার লাশ পাওয়া যায়। শেষ গল্পটা বাতিঘরের রক্ষীর। যিনি এই দ্বীপে পরিবার নিয়ে বাস করতেন।

একদিন তারা বাসার জানালায় সাপ দেখে ভয়ে দৌড়াতে শুরু করেন তারা। পরে দ্বীপের পাশে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া যায়। একচ্ছত্র আধিপত্য থাকলেও ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছন্ন সমুদ্র অন্তরীণ সাপের দ্বীপে গাছপালা ও তৃণ কমে যাওয়ায় এবং রোগের কারণে গত ১৫ বছরে এই দ্বীপের বাসিন্দাদের সংখ্যা অন্তত ১৫ ভাগ কমে গেছে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন ফর নেচার এই প্রাণীকে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে তালিকাবদ্ধ করে রক্ষায় আগ্রহী।

Wednesday, July 2, 2014

কুটনৈতিকদের সাথে নিয়ে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে জামায়াতের ইফতার।এসময় ইফতার পার্টিতে উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত, মার্কিন রাষ্ট্রদূত,সৌদি রাষ্ট্রদূত,তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ,মিশরের রাষ্ট্রদূত, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্টের ডেপুটি চিপ অব মিশন প্রধান,ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত,অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত,কাতারের রাষ্ট্রদূত ,কানাডার রাষ্ট্রদূত, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত,ভারতের রাষ্ট্রদূত,জাপানের রাষ্ট্রদূত, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত, ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত,দক্ষিন কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত,ইরানের রাষ্ট্রদূত,ওমানের রাষ্ট্রদূত, ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত সহ আরো অনেক দেশের রাষ্ট্রদূত এবং মিশন প্রধানরা উপস্তিত ছিলেন। 02/07/14

Tuesday, July 1, 2014

পাকস্থলীতে আড়াই কেজি চুল!

ভারতের কলকাতায় ১২ বছরের এক মেয়ের পাকস্থলীতে আড়াই কেজি চুল পাওয়া গেছে! ঘটনাটি ঘটেছে শিয়ালদহের ইএসআই হাসপাতালে।
হঠাৎ করেই মেয়েটির শরীর খারাপ হয়েছিল। খেলেই বমি হয়ে যেত। পেটে শুরু হত অসহ্য যন্ত্রণা। প্রথমদিকে মনে করা হয়েছিল গ্যাসের সমস্যার কারণে এমনটা হচ্ছে। কিন্তু কাঁড়ি কাঁড়ি অ্যাণ্টাসিডেও উপশম না হওয়ায় মেয়েটির এক্স-রে, অ্যান্ডোস্কোপি, সিটি-স্ক্যান করা হয়। তখন দেখা যায়, পাকস্থলীর মধ্যে বাসা বেঁধেছে বেশ বড় আকারের একটি টিউমার। কিন্তু অপারেশনের পর ডাক্তারদের চোখ কপালে। হায়, এ-তো টিউমার নয় আড়াই কেজি ওজনের চুল!
শিশুটির নাম নেহা সাউ। বাড়ি বালিগঞ্জের বন্ডেল গেট লাগোয়া লালকুঠি এলাকায়। নেহার বাবা আউধ সাউ ‘হিন্দুস্হান ইঞ্জিনিয়ারিং’- এর কর্মকর্তা।
তিনি জানান, বছরখানেক আগে মেয়ের শরীর হঠাৎ খারাপ হয়। পেট ব্যথা শুরু হয়। নারীঘটিত কোনো সমস্যা ভেবে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাই৷ তিনি গ্যাসের ওষুধ দেন। কিন্তু তাতে ব্যথা কমেনি। পরে এক্স-রে করে ধরা পড়ে পেটের মধ্যে একটি টিউমারের মতো হয়েছে। আর দেরি না করে মেয়েকে নিয়ে শিয়ালদহ ইএসআইতে চলে আসি। গত সোমবার ডাঃ সোমনাথ ঘোষ, ডাঃ সুপ্রিয় রায় ও ডাঃ বিজয় বিশ্বাসরা অপারেশন করেন।
কিন্তু নেহার পেটে অত চুল এরো কী করে?
আউধ সাউ জানান, ছোট থেকেই নেহার চুল ছেঁড়ার বাতিক ছিল। বদ অভ্যাস ফেরাতে মা শীলা সাউ কয়েকবার মারধরও করেছেন নেহাকে। মায়ের মারে কয়েকদিন আগে মাথা ফেটেছে নেহার। তবু নিজেকে শোধরাতে পারেনি ষষ্ঠ শ্রেণির এই ছাত্রী। এই পর্যন্ত ঠিক ছিল। এমন বদ অভ্যাস খুব একটা বিরল নয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায়, এই রোগের একটা নামও আছে, ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া। কিন্তু নেহার সমস্যা ছিল আরো গভীর। সে শুধু চুল ছিঁড়েই ক্ষান্ত হতো না তা মুখে পুরে নিতো। বছরের পর বছর সবার অলক্ষে এভাবেই চুল খেয়েছে সে। সেই চুলই পাকস্থলীতে গিয়ে হজমরসের সঙ্গে মিশে টিউমারের আকার নিয়েছে। তাই খেলে পেট ব্যথা, বমি হত নেহার। জানালেন শিয়ালদহ ইএসআই হাসপাতালের সুপার ডাঃ প্রদীপ ভট্টাচায।
জানা গেছে, নেহার অপারেশন সফল হয়েছে। সে যাতে চুল খাওয়ার বদ অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারে তার জন্য বিশিষ্ট সাইকিয়াট্রিস্ট ডাঃ পৃথ্বীশ ভৌমিকের তত্ত্ববধানে কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে।
পৃথ্বীশ ভৌমিক জানান, শিশুদের মধ্যে ‘অখাদ্য’ খাওয়ার প্রবণতা বিরল নয়। কেউ মাটি খায়, কেউ সাবান। কেউ মাটির ভাড় তো কেউ দেওয়ালের চুন। নেহা খেত চুল। এটা এক ধরণের মানসিক রোগ। এ রোগটি সাধারণত ‘পিকা’ নামে পরিচিত ৷ উদ্বেগ থেকেই এই রোগের জন্ম হয়। পড়াশোনা বা অন্য কোনো বিষয়ে নেহার মনের উপর সম্ভবত চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। সেখান থেকেই এই রোগের উৎস।

রাজপথে মৃত্যুফাঁদ

রাজধানীর প্রায় সর্বত্র রাস্তাঘাটের বেহাল। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় যানবাহন আটকে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট। নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা মালিবাগ থেকে মৌচাক মোড় পর্যন্ত সামান্য দূরত্বেই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বৃষ্টির পানি জমে সেগুলো হয়ে উঠেছে মৃত্যুকূপ। মালিবাগ মোড়ে গতকাল এমনই এক মৃত্যুকূপে পড়ে কোনোক্রমে প্রাণে বেঁচে যান এই মা ও মেয়ে।

রোজা রেখেই খেলেছে আলজেরিয়ানরা, পরাজয়ে রোজার কোনো প্রভাব নেই বললেন গোলকিপার

গতকাল জার্মানির সাথে রাউন্ড অফ সিক্সটিনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রোজা রেখেই খেলেছেন আলজেরিয়ান খেলোয়াড়রা।

আলজেরিয়াশক্ত প্রতিপক্ষ জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই মুসলমানদের সিয়ামসাধনার মাস রমজান শুরু হয়ে যায়। ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে রোজা রেখেই মাঠেখেলতে নামেন আলজেরিয়ার অধিকাংশ খেলোয়াড়।

তারকা খেলোয়াড়ে পূর্ণ জার্মানির সঙ্গে ম্যাচের শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডিলড়াই করে। আলজেরিয়ার খেলোয়াড়দের আক্রমণ রুখতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছেজার্মানির রক্ষণভাগকে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে প্রথমার্ধে গোলবঞ্চিত রাখেজার্মানিকে। দ্বিতীয়ার্ধেও গোল পেতে দেয় না। ফলে ম্যাচ গড়ায় ইনজুরি টাইমে।সেখানে অবশ্য আর পেরে ওঠেনি জার্মানির সঙ্গে।

রোজা রাখার প্রশ্নে আলজেরিয়ান গোলোকিপার বলেন, “আমার মনে হয়না রোজা কোনো সমস্যা করেছে আমাদের, আমাদের যতক্ষণ খেলার প্রয়োজন আমরা ততক্ষণ খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি আমরা রোজা রেখে এতোটা ভাল খেলেছিলাম।”

“শারীরিক কোনো সমস্যাও হয়নি আমাদের, আমরা সবাই শারীরিক ভাবে ফিট ছিলাম। আমাদের ভাগ্য খারাপ, শেষ মুহূর্তে আমরা দুটো গোল হজম করেছি।

“আর রোজা রাখা বা না রাখা এটা সম্পূর্ণই ব্যক্তিগত ব্যাপার, এটা কেবল রোজাদার এবং আল্লাহর মধ্যকার ব্যাপার”

রোজারেখে ১২০ মিনিট খেললেও আলজেরিয়ার কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে দুর্বলতা কিংবাউদ্যমের কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। রোজা রেখেও জার্মানির খেলোয়াড়দের সঙ্গেপাল্লা দিয়ে খেলেছে আলজেরিয়ার খেলোয়াড়রা। শেষ পর্যন্ত তারা হেরে গেলেও জয়করেছে কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়।
এবং ২-১ গোলের পরাজয়ের উপর রোজা রাখার কোনো প্রভাব নেই বলে বললেন আলজেরিয়ান গোলকিপার।