Friday, June 20, 2014

গ্রেফতারকৃত ২৪ পর্দানশিন ছাত্রীকে জেলহাজতে প্রেরণ

গোড়ান থেকে গ্রেফতারকৃত ২৪ ছাত্রীকে দ্রুত বিচার আইনের মামলায় জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের জামিন ও রিমান্ড আবেদন নাকচ করে গতকাল আদালত এই নির্দেশ দেন। তবে জেলগেটে মহিলা পুলিশ তাদের চার কার্যদিবসের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে আদালতে নির্দেশে বলা হয়। গতকাল খিলগাঁও থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের সিএসএম আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চান। আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চান। ঢাকার মহানগর হাকিম আতাউল হক উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে ওই নির্দেশ দেন।
যাদের কারাগারে পাঠানো হলো তারা হলেনÑ তানজিলা বিনতে খায়ের, ফারজানা আজার লূনা, সামসুন্নাহার, ফাতেমা জান্নাত, আতিয়া জাহান, সুবাইতা সারা, মমতা হেনা, আয়েশা আক্তার, সালমা নাসরিন, ফাতেমা ফারহানা, ফারহানা আক্তার, ফারহানা বেগম, হাফিজা সিদ্দিকী, শামীমা আক্তার, উম্মে হাবিবা, সোমাইয়া সিদ্দিকা, সুমাইয়া আফরোজা, জাকিরা খান মুন্নী, নূরজাহান আক্তার, ফারজানা আক্তার, সুমাইয়া খাতুন, রডনফ জাহান, মাহবুবা ইসলাম ও ইসরাত জাহান।
আদালতে বেলা ৩টা ১৯ মিনিটের সময় পুলিশ ২৪ জন পর্দানশিন মহিলাকে ঢাকার সিএমএস আদালতে নিয়ে আসে। তাদের দ্রুত বিচার আইনের মামলায় হাজির করে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন চান।



Thursday, June 19, 2014

ডেনমার্কে প্রথম মসজিদের উদ্বোধন

ডেনমার্কে বৃহস্পতিবার প্রথম পূর্ণাঙ্গ মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। কাতার ১৫০ মিলিয়ন ক্রোনার (২৭.২ মিলিয়ন ডলার) দিয়ে এই মসজিদ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে। ৬,৭০০ বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট মসজিদটিতে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, একটি টেলিভিশন স্টুডিও এবং একটি ফিটনেস সেন্টার রয়েছে। রাজধানী কোপেনহেগেনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকা গ্রিটিতে মসজিদটি নির্মিত হয়েছে।
ডেনমার্কের মুসলমানেররা কয়েক বছর ধরেই একটি মসজিদ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দেশটিতে দুই লাখ মুসলমান বাস করেন।
তবে রক্ষণশীলদের কেউ কেউ মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতাও করেছে। তাদের মতে, এতে করে ইসলামপন্থীদের উত্থান ঘটতে পারে।
সূত্র : এএফপি ও কোপেনহেগেন পোস্ট। 
                                    
                                                                


Wednesday, June 18, 2014

আপহৃত নন : মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে ইমরানকে বিয়ে করেছেন আয়শা

স্বামীর কাছে থাকতে চান নওমুসলিম আয়শা বেগম। কিন্তু তার পরিবারের সদস্যরা মেয়েকে অপহরন করা হয়েছে বলে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। দৈনিক নয়া দিগন্ত কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই অভিযোগ করেন আয়শা বেগম।  আয়শা জানান, তিনি সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
তার বাবার নাম সুমল চন্দ্র রায়, মাথা মাধবী রায়, গ্রাম নলুয়াবাগী, থনা গলাচিপা জেলা পটুয়াখালী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ইসলাম ধর্মের আচার আচারন ও নিয়মন কানুন দেখে ও বই পুস্তক পড়ে এই ধর্ম ভালো লাগতে শুরু করে। যার কারনে গত বছরের ৪ আগষ্ট নোটারীর মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি। তিনি আরো বলেন, লেখা-পড়া করার সময় একই এলাকার ইমরান মৃধার সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা আগষ্টের চার তারিখেই মুসলিম শরীয়া মতে তিন লাখ টাকা দেন মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি আরো জানান, তার বাবা সুমল চন্দ্র রায় এই বিয়ে মানতে পারেননি। যার কারনে তিনি ওইদিনই গলাচিপা থানায় একটি অপহরন মামলা করেন। আয়শা বলেন, ওই মামলায় তার স্বামী ইমরান ও তার পরিবারের সদস্যদের আসামী করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতারও করেছে। আয়শা বলেন, আমি অপহৃত হয়নি। আমাকে কেউ অপহরন করেনি। আমি স্বেচ্ছায় বিয়ে করে আমার স্বামীর সংসারে রয়েছি। স্বামীর কাছেই থাকতে চাই। তিনি অপহরনের এই মিথ্যা মামলা তুলে নেয়ার আহবান জানান।

চৌদ্দগ্রামে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল


কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। মিছিলে নেতৃত্ব দেন শিবিরের কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি শাহ আলম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদীন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মু. বেলাল হোসাইন, শিবিরের কুমিল্লা দক্ষিণ শাখার অফিস সম্পাদক আমজাদ হোসাইন রুমন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম মানিক, সাবেক জেলা নেতা মোশারফ হোসেন ওপেল, উপজেলা উত্তর শাখা সভাপতি বোরহান উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি জোবায়ের মাসুম ও সদর সেক্রেটারী কফিল উদ্দিন প্রমুখ।


শেখ হাসিনা খুশি হবে

>>>>>>>>>>>মানুষগুলো লাশ
হবে<<<<<<<<<<<<
<<<<<<<<<<<<প্রশ্নপত্র ফাঁস
হবে>>>>>>>>>>>>>>
>>>>>>>>>সন্ত্রাসীরা পীর
হবে<<<<<<<<<<<<<<<< <<<<<<<<<<<<<কম্যুনিষ্টরা বীর হবে!
>>>>>>>>>> >>>>>>>>>জামায়াত শিবির
জঙ্গি হবে<<<<<<<<<<<
<<<<<<<<<<<<<র্যাব সন্ত্রাসীর
সঙ্গী হবে>>>>>>>>>
>>>>>>>>>ব্যাংক বীমা সব লুট
হবে<<<<<<<<<<<< <<<<<<<<<<<<<<এদেশ ভারতের রুট হবে ।
>>>>>> >>>>>>>>>>>এয়ারপোর্টে সোনার
খনি হবে<<<<<<<<
<<<<<<<<<<<<<<<
দূর্নীতিবাজরা ধনী হবে>>>>>>>>
<<<<<<<<<<<ডিজিটাল এক দেশ
হবে<<<<<<<<<<<< >>>>>>>>>>>>>>>>সোনার বাংলা শেষ
হবে। >>>>>>>>>>>>>>>>>""আর এই
ভাবে<<<<<<<<<<<<
>>>>>>>>>>>>>>>>>বঙ্গবন্দুর স্বপ্ন পূরন
হবে,<<<<<<<
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>শেখ
হাসিনা খুশি হবে""<<
ভয়াবহ এক লড়াইয়ে ইরাকি সেনাবাহিনীকে হটিয়ে দিয়ে বুধবার সকালে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার দখল করে নিয়েছে সুন্নী যোদ্ধারা। খবর নিউইয়র্ক টাইমস’র।

প্রত্যক্ষদর্শী, বাইজি তেল শোধনাগারের কর্মী ও সেখানে থেকে পালিয়ে আসা ইরাকি সেনা কর্মকর্তারা এখবর নিশ্চিত করেছেন।

এই প্রথম ইরাকের সুন্নী যোদ্ধারা, যা আইসিস নামে পরিচিত, কোনো সক্রিয় তেল শোধনাগার দখল করে নিল।

ইরাকের প্রধান তেল শোধনাগারটি বাইজি শহরে। শহরটির অবস্থান রাজধানী বাগদাদ থেকে উত্তরে মাত্র ২১০ মাইল দূরত্বে। বাগদাদ-মসুল হাইওয়েতেই বেইজির অবস্থান।

বুধবার ভোর ৪টার দিকে তেল শোধানাগারে হামলা চালায় সুন্নি যোদ্ধারা। শোধানাগারের তিন প্রবেশপথের দুটি দিক থেকে তারা হামলা চালায়।

গত এক সপ্তাহ ধরেই তেল শোধনাগারটি ঘিরে রেখেছিল সুন্নী যোদ্ধারা।

ইরাকি সেনাবাহিনী সেখানে বিমান হামলা চালিয়েও এটি রক্ষা করতে পারেনি।

তেল শোধনাগারটি দখলে নেয়ার সুন্নী যোদ্ধাদের আয়ের বিশাল একটি ক্ষেত্র তৈরি হলো। সিরিয়ার পূর্বের তেলক্ষেত্রগুলোও এখন তারাই নিয়ন্ত্রণ করছেন।

তবে ইরাকের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র, জেনারেল কাসিম আতা, সুন্নী যোদ্ধাদের বাইজি দখলের খবর সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।

বাইজি তেল শোধনাগারটি সুন্নী যোদ্ধারা দখল করে নেয়ার পর তিনি টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে এ খবর নাকচ করে দেন এই বলে যে ‘বাইজি এখনো পরিপূর্ণভাবে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।’

তবে বাইজি থেকে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে তা তার দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে।
আরটিএনএন



Tuesday, June 17, 2014

শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিবিরের বিক্ষোভ


শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
ধানমণ্ডি : রাজধানীর ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মো. মোবারক হোসাইনের নেতৃত্বে মিছিলটি সকাল ৯টায় শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা কলেজ সভাপতি- নাজিম উদ্দিন, মহানগরী পশ্চিম সেক্রেটারি তামিম হোসাইন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সেক্রেটারি তারেক আব্দুল্লাহ, ঢাকা কলেজ সেক্রেটারি রেজাউল কবীর, মহানগরী পশ্চিম সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।
কমলাপুর: শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজধানীর কমলাপুরে বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামী ছাত্রশিবির। কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলটি সকাল সাড়ে আটটায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে শুরু হয়ে মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্য দিয়ে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগরী পূর্বের সভাপতি মো. রিয়াজ আহম্মেদ, সেক্রেটারি মুঈনুদ্দিন মৃধা, মনিরুজ্জামন শামিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক বিল্লাহ, অর্থ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ।
চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণ : দেশব্যাপী শিাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিতকর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানাগরীর ঈদগা কাঁচা রাস্তার মাথায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে চট্টগ্রাম মহানগরী দণি ছাত্রশিবির। মহানগরী দক্ষিণ সেক্রেটারি নুরুল হকের নেতৃত্বে মিছিলটি সকাল ৯টায় শুরু হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের অফিস সম্পাদক রাকিবুল হাকিম, সাহিত্য সম্পাদক ইসমাইল, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রফিকুল হাসান লদি, প্রচার সম্পাদক জামিল আব্দুল্লাহ প্রমুখ,।
ঢাকা জেলা দক্ষিণ : ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে শিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখার সেক্রেটারি মো: রাসেল আহমেদের ডান পা কর্তন ও দেশব্যাপী ছাত্রলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা-নবাবগঞ্জ-দোহার মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা জেলা দক্ষিণ। মিছিলটি কদমতলী চৌরাস্তা থেকে  সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা  প্রদক্ষিণ করে জিঞ্জিরার শহীদ মিনারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আব্দুর রহিম মজুমদার। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নোমান, বাইজিদ হাসান, ইলিয়াছ মৃধা, আসাদুল্লাহ গালিব, শাহআলম, আমিনুল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, সোলাইমান কবীর প্রমুখ।
বগুরা শহর : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের হল সেক্রেটারি রাসেল আহমেদের উপর ছাত্রলীগের বর্বরোচিত হামলা ও ছাত্রলীগের অব্যাহত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বগুড়া শহর শিবিরের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের নেতৃত্বে সকাল ৯টায় মিছিলটি সাতমাথা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্টেশন  রোডে হকার্স মার্কেটের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বগুড়া শহর শিবিরের সেক্টেটারি রেজাউল করিম। মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন শহর অফিস সম্পদক সাব্বির সাহারিয়ার সুভ, প্রচার সম্পাদক খন্দকার বিপ্লব, এইচআরডি সম্পাদক এস আই সামিম, সামাজ কল্যাণ সম্পদক মুনছুর রহমান, সরকারি আজিজুল হক কলেজ সভাপতি শফিক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।