Tuesday, June 3, 2014

আবারো বিএসএফ-এর গুলিতে বাংলাদেশী নাগরিক নিহত

আবারো বিএসএফ-এর গুলিতে বাংলাদেশী নাগরিক নিহত

আবারো সীমান্তে বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ।
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে মঙ্গলবার ভোরে রিপন মিয়া (২৫) নামে এক বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ। রিপন মহেশপুর উপজেলার সরিষাঘাটা গ্রামের রায়হান উদ্দীনের ছেলে।

মহেশপুরের বিজিবি শ্রীনাথপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার হাবিলদার আব্দুল হালিম জানান, ঝিনাইদহের মহেশপুর শ্রীনাথপুর সীমান্তের ৬১ নং মেইন পিলারের ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হালদারপাড়া নামক স্থানে বিএসএফ রিপন নামের এক বাংলাদেশিকে গুলি করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে চিঠি দেয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান। নিহত রিপন গরু ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে বিজিবি। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম শাহজাহান আলী জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম হালদারপাড়ার মাঠে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দেয়। তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার ভোরে সহযোগীদের সঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফ-এর গুলিতে রিপন মারা গেছে বলে গ্রামবাসী তাকে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি’র পরিচালক লে. কর্নেল মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

কবরস্থান থেকে চিৎকার ‘মা বাঁচাও বাবা বাঁচাও আল্লাহ’

গত চার ধামরাইয়ের কালামপুর ভালুম কবরস্থানে অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে দিন ধরে একটি পেঁচা পাখির কণ্ঠে মানুষের মতো ভাষায় কণ্ঠ দিয়ে ‘মা বাঁচাও বাবা বাঁচাও আল্লাহ’ শব্দ করে চিৎকার করছে।

পাখির এই চিৎকার শব্দ ধামরাই উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। আর পাখিটি এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ওই কবরস্থানের পাশে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। আবার অনেকে ওই পেঁচা পাখিটির ছবি ও কন্ঠ ভিডিও চিত্র ধারণ করছে।

স্থানীয়রা জানান, ধামরাইয়ের কালামপুর ভালুম কবরস্থানে একটি মেহগনি গাছের মধ্যে একটি পেঁচা পাখি শনিবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে মানুষের মতো ‘মা বাঁচাও বাবা বাচাও’ আল্লাহ শব্দ করছে।

এ সময় ওই দিন বিকেলে এলাকার কিছু লোক এ কন্ঠ শোনে হতবাক হন। পরের দিন রোববার সকালেও পাখিটি একই কন্ঠে চিৎকার করছে কবরস্থানে। পরে প্রথমে এলাকা পরে ধীরে ধীরে এ অলৌকিক খবর ধামরাই উপজেলাসহ পাশের আশুলিয়া, সাভার, সাটুরিয়া, মির্জাপুর ও নাগরপুর এলাকার লোক মুখে ছড়িয়ে পড়ে।

আর লোকজন বিষয়টি অবাস্তব মনে করে পাখিটি এক নজর দেখা ও ওই শব্দ শোনার জন্য ভালুম গ্রামের ওই কবরস্থানে আসতে থাকে। হাজারো লোক কবরস্থানের পাশে ভিড় করলেও পাখিটি কবরস্থান থেকে উঠে যাচ্ছে না এবং কন্ঠও বন্ধ করছে না।

তবে ভালুম গ্রামের কেন্দীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আশরাফ আলী বলেন, পশুপাখিদের ভাষায় আল্লাহর জিকির করে যা সৃষ্টিগত স্বভাব। এটা অলৌকিক কিছু নয়। তিনি বলেন, মানুষ পশুপাখির কন্ঠস্বর ভিন্ন ধরনের বাক্যে রূপান্তরিত করে প্রচার করে যাচ্ছে যা ইসলামে কোন ভিত্তি নেই।

ভালুম গ্রামবাসী জানান, দুর-দুরান্ত থেকে এ পাখি দেখার জন্য লোকজন যেভাবে কবরস্থানে আসছে তাতে এখানে লোকজনের আর ঠাই হচ্ছে না।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ৪২ নং পিলারের জামছড়ি সীমান্তে ফের গুলি ও মর্টার সেল নিক্ষেপ করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এতে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ৪২ নং পিলারের জামছড়ি সীমান্তে ফের গুলি ও মর্টার সেল নিক্ষেপ করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এতে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এর আগে গত ২৮ মে নাইক্ষ্যংছড়ির ৫২ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে মিয়ানমারের বিজিপির গুলিতে নিহত হন বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমান। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বিজিবি সদস্য মিজানকে তারা নিয়ে যায়। পরে ৩০ মে লাশ নিতে গেলে মিয়ানমারের বিজিপি পুনরায় বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ও মর্টার সেল নিক্ষেপ করে। এতে পাল্টা জবাব দেয় বিজিবিও। সে সময় দুইপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা গোলাগুলি হয়। পরদিন ৩১ মে নিহত বিজিবি সদস্য মিজানের লাশ ফেরত দেয় মিয়ানমার।

Monday, June 2, 2014

উল্টো পথে গিয়ে মন্ত্রীর গাড়ির চাকা ফুটো

ঢাকা: উল্টো পথে গিয়েই প্রথম চাকা ফুটো হয়েছে মন্ত্রিপরিষদের একজন সদস্যের। আর তা নিয়ে কথা ওঠে মন্ত্রিসভার বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনায়।

মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এ আলোচনা তুললে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই করা হয়েছে।  

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদের এক সদস্য এ তথ্য দেন। তবে কোন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির চাকা ফুটো হয়েছে তা বলতে চান নি তিনি।

মন্ত্রী পরিষদের ওই সদস্য জানান, প্রধানমন্ত্রী আলোচনার সময় বলেছেন, গাড়ির চাকা ফুটো হওয়াতো কম ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়। তার চেয়ে মন্ত্রী এমপিদেরই বেশি নিরাপত্তার মূল্যই তো বেশি। তাছাড়া মন্ত্রীদের এলাকাতেই তো ডিভাইস বসানো হয়েছে।

এটি প্রশাসনের একটি ভালো উদ্যোগ বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্ত্রিসভার অন্য একজন সদস্য বলেন, যানজট দেখে বুঝে অথবা না বুঝেই হোক চালক উল্টো পথে গাড়ি চালিয়েছেন হেয়ার রোডে। সব পথে তো আর এই প্রতিরোধক বসানো নেই। সে কারণেই হয়তো ভুলটি হয়েছে। হয়তো তার জানা ছিল না এই পথেই ডিভাইস বসানো রয়েছে। সে কারণে ফুটো হয়েছে।

রাজপথে দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থাকার পর বিরক্ত হয়ে অনেক চালকই উল্টো পথে গাড়ি চালান। এতে অনেক সময় যানজট আরো প্রকট আকার ধারণ করে।

এই প্রবণতা ঠেকাতে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রতিরোধক যন্ত্র বসিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১১টায় এর উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) হাসান মাহমুদ খন্দকার।

সয়ংক্রিয় এই যন্ত্রটি বসানোর পর কোনো গাড়ির চাকা ফুটো হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রথম চাকা ফুটো হওয়ার খবর মেলে মন্ত্রিসভার অনির্ধারিত আলোচনায়।

‘না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম’ : শেখ হাসিনা


“মরে গিয়ে বেঁচে গেছে, নইলে ওরেও আসামি করতাম। আসামি করতাম, এটাই পরিষ্কার কথা।”

‘না মরলে জিয়াকেও আসামি করতাম’ : শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য জিয়াউর রহমানকে আবার দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মারা না গেলে তাকেও আসামি করা হত।

সোমবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভায় ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরে একথা বলেন তিনি।

হাসিনা বলেন, “ বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাক, জিয়াকে সে সেনাপ্রধান করে। মোশতাক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, তার মানে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার সম্পৃক্ততা আছে। ....